Dhaka ০৩:২১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬, ১১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ:
মহেশপুরে এডিপির অর্থায়নে অসহায় মানুষের মাঝে বিভিন্ন উপকরণ বিতরণ তিস্তাসহ নদী ব্যবস্থাপনায় সহযোগিতা বাড়াতে একমত বাংলাদেশ-চীন দেশে ভয়াবহ হারে অ্যান্টিবায়োটিক-প্রতিরোধী জীবাণু বাড়ছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী ফ্রান্সে গরম থেকে বাঁচতে পানিতে নেমে ৪০ জনের মৃত্যু লক্ষ্মীপুরে একই পরিবারের ৩ জনকে গলা কেটে হত্যা ৪৩তম বিসিএস নন-ক্যাডার পদে পুনরায় ফল প্রকাশের নির্দেশ মধুখালীতে অগ্নিকাণ্ডে ডেকরেটর প্রতিষ্ঠানের শোরুম ও গুদামঘর পুড়ে ছাই ব্রাজিল ম্যাচে ফের সেই রেফারির বিতর্কিত সিদ্ধান্ত, কী বলছেন বিশ্লেষকরা চীনে প্রথম ‘বিনিয়োগ কার্যালয়’ খোলার ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর বিশ্বকাপের আনন্দ বাড়াতে ব্রাজিলে ছুটি ঘোষণা

মধুখালীতে অগ্নিকাণ্ডে ডেকরেটর প্রতিষ্ঠানের শোরুম ও গুদামঘর পুড়ে ছাই

মধুখালী প্রতিনিধি
  • প্রকাশের সময় : ০১:৩৬:২৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬
  • / 4

ফরিদপুরের মধুখালীতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে একটি ডেকরেটর প্রতিষ্ঠানের শোরুম ও গুদামঘর পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এতে প্রায় এক কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেছেন প্রতিষ্ঠানটির মালিক ও সাবেক পৌর কাউন্সিলর মো. আনিসুর রহমান লিটন।

বুধবার (২৪ জুন) দিবাগত রাত আনুমানিক ১২টা ৪৫ মিনিটের দিকে উপজেলার মধুখালী-ওমরআলী সড়কে থানার সামনে চন্দনা নদীর পাড়সংলগ্ন সেতুর কাছে অবস্থিত ‘লিটন ডেকরেটর’-এ এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রায় ৩ হাজার ২০০ বর্গফুট আয়তনের টিনশেড নির্মিত শোরুম ও গুদামঘরটিতে আগুন লাগার সময় দরজা বন্ধ ছিল। গুদামঘরে কোনো জানালা ছিল না এবং ওই সময়ে এলাকায় বিদ্যুৎও ছিল না। এর মধ্যেই রহস্যজনকভাবে আগুনের সূত্রপাত ঘটে।

খবর পেয়ে মধুখালী ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রায় দেড় ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে ততক্ষণে ডেকরেটরের সব মালামাল পুড়ে ভস্মীভূত হয়ে যায়।

মধুখালী ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন মাস্টার মো. রাশেদুল আলম জানান, রাত সাড়ে ১২টার দিকে আগুন লাগার খবর পেয়ে তারা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছান। ডেকরেটরের মালামাল সহজে দাহ্য হওয়ায় আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে এবং ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়। আগুন লাগার কারণ তাৎক্ষণিকভাবে নির্ণয় করা সম্ভব হয়নি। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

ক্ষয়ক্ষতির বিষয়ে তিনি বলেন, প্রতিষ্ঠানের মালিক প্রায় এক কোটি টাকার ক্ষতির দাবি করেছেন। তবে প্রকৃত ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ তদন্ত শেষে নিশ্চিত করা যাবে।

ডেকরেটর মালিক মো. আনিসুর রহমান লিটন বলেন, “গত ২৭ বছরের পরিশ্রমে তিল তিল করে প্রতিষ্ঠানটি গড়ে তুলেছিলাম। আগুনে আমার সবকিছু শেষ হয়ে গেছে। আমি এখন নিঃস্ব।”

তিনি জানান, আগুনে দুটি নসিমন, সহস্রাধিক চেয়ার, প্রায় ২০০টি টেবিল, ২ হাজার চিনামাটির প্লেট, শতাধিক সসপেন, ৪০ থেকে ৫০ লাখ টাকার কাপড়, ৮০০ টিন এবং প্রায় ১৫ লাখ টাকার ইভেন্ট সামগ্রী পুড়ে গেছে।

ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। আগুনের উৎস ও ক্ষয়ক্ষতির প্রকৃত পরিমাণ নির্ধারণে তদন্ত চলছে।

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

মধুখালীতে অগ্নিকাণ্ডে ডেকরেটর প্রতিষ্ঠানের শোরুম ও গুদামঘর পুড়ে ছাই

প্রকাশের সময় : ০১:৩৬:২৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬

ফরিদপুরের মধুখালীতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে একটি ডেকরেটর প্রতিষ্ঠানের শোরুম ও গুদামঘর পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এতে প্রায় এক কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেছেন প্রতিষ্ঠানটির মালিক ও সাবেক পৌর কাউন্সিলর মো. আনিসুর রহমান লিটন।

বুধবার (২৪ জুন) দিবাগত রাত আনুমানিক ১২টা ৪৫ মিনিটের দিকে উপজেলার মধুখালী-ওমরআলী সড়কে থানার সামনে চন্দনা নদীর পাড়সংলগ্ন সেতুর কাছে অবস্থিত ‘লিটন ডেকরেটর’-এ এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রায় ৩ হাজার ২০০ বর্গফুট আয়তনের টিনশেড নির্মিত শোরুম ও গুদামঘরটিতে আগুন লাগার সময় দরজা বন্ধ ছিল। গুদামঘরে কোনো জানালা ছিল না এবং ওই সময়ে এলাকায় বিদ্যুৎও ছিল না। এর মধ্যেই রহস্যজনকভাবে আগুনের সূত্রপাত ঘটে।

খবর পেয়ে মধুখালী ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রায় দেড় ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে ততক্ষণে ডেকরেটরের সব মালামাল পুড়ে ভস্মীভূত হয়ে যায়।

মধুখালী ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন মাস্টার মো. রাশেদুল আলম জানান, রাত সাড়ে ১২টার দিকে আগুন লাগার খবর পেয়ে তারা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছান। ডেকরেটরের মালামাল সহজে দাহ্য হওয়ায় আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে এবং ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়। আগুন লাগার কারণ তাৎক্ষণিকভাবে নির্ণয় করা সম্ভব হয়নি। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

ক্ষয়ক্ষতির বিষয়ে তিনি বলেন, প্রতিষ্ঠানের মালিক প্রায় এক কোটি টাকার ক্ষতির দাবি করেছেন। তবে প্রকৃত ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ তদন্ত শেষে নিশ্চিত করা যাবে।

ডেকরেটর মালিক মো. আনিসুর রহমান লিটন বলেন, “গত ২৭ বছরের পরিশ্রমে তিল তিল করে প্রতিষ্ঠানটি গড়ে তুলেছিলাম। আগুনে আমার সবকিছু শেষ হয়ে গেছে। আমি এখন নিঃস্ব।”

তিনি জানান, আগুনে দুটি নসিমন, সহস্রাধিক চেয়ার, প্রায় ২০০টি টেবিল, ২ হাজার চিনামাটির প্লেট, শতাধিক সসপেন, ৪০ থেকে ৫০ লাখ টাকার কাপড়, ৮০০ টিন এবং প্রায় ১৫ লাখ টাকার ইভেন্ট সামগ্রী পুড়ে গেছে।

ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। আগুনের উৎস ও ক্ষয়ক্ষতির প্রকৃত পরিমাণ নির্ধারণে তদন্ত চলছে।