Dhaka ০৬:১০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ২১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ:
সাব-রেজিস্ট্রার বদলিতে স্বচ্ছতা আনতে লটারি পদ্ধতি চালু : আইনমন্ত্রী বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমানের ভাস্কর্যে জুতোর মালা, নিন্দা ও ক্ষোভ ‘জ্বালানি তেলের দাম কমে স্থিতিশীল হলে সমন্বয়ের কথা ভাববে সরকার’ ডেঙ্গুতে একদিনে রেকর্ড ১০ জনের মৃত্যু বাংলাদেশিদের শ্রম ভিসা সাময়িক বন্ধ করল লাওস ‘সিন্ডিকেট’ শব্দটিই যেন না থাকে: খাদ্যমন্ত্রী ২০২৭ সালে শিক্ষাক্রমে যুক্ত হবে নতুন চার বিষয়: শিক্ষামন্ত্রী নওগাঁয় যানবাহনের কালো ধোঁয়ার বিরুদ্ধে পরিবেশ অধিদপ্তরের অভিযান জাতিসংঘে ভাষণ দেওয়ায় প্রধানমন্ত্রীকে মন্ত্রিসভার অভিনন্দন, গেজেট প্রকাশ চীন-ভারত-জাপানসহ এশিয়ার বাজারে বাড়ছে বাংলাদেশের রপ্তানি

মধুখালীতে অগ্নিকাণ্ডে ডেকরেটর প্রতিষ্ঠানের শোরুম ও গুদামঘর পুড়ে ছাই

মধুখালী প্রতিনিধি
  • প্রকাশের সময় : ০১:৩৬:২৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬
  • / 86

ফরিদপুরের মধুখালীতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে একটি ডেকরেটর প্রতিষ্ঠানের শোরুম ও গুদামঘর পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এতে প্রায় এক কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেছেন প্রতিষ্ঠানটির মালিক ও সাবেক পৌর কাউন্সিলর মো. আনিসুর রহমান লিটন।

বুধবার (২৪ জুন) দিবাগত রাত আনুমানিক ১২টা ৪৫ মিনিটের দিকে উপজেলার মধুখালী-ওমরআলী সড়কে থানার সামনে চন্দনা নদীর পাড়সংলগ্ন সেতুর কাছে অবস্থিত ‘লিটন ডেকরেটর’-এ এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রায় ৩ হাজার ২০০ বর্গফুট আয়তনের টিনশেড নির্মিত শোরুম ও গুদামঘরটিতে আগুন লাগার সময় দরজা বন্ধ ছিল। গুদামঘরে কোনো জানালা ছিল না এবং ওই সময়ে এলাকায় বিদ্যুৎও ছিল না। এর মধ্যেই রহস্যজনকভাবে আগুনের সূত্রপাত ঘটে।

খবর পেয়ে মধুখালী ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রায় দেড় ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে ততক্ষণে ডেকরেটরের সব মালামাল পুড়ে ভস্মীভূত হয়ে যায়।

মধুখালী ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন মাস্টার মো. রাশেদুল আলম জানান, রাত সাড়ে ১২টার দিকে আগুন লাগার খবর পেয়ে তারা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছান। ডেকরেটরের মালামাল সহজে দাহ্য হওয়ায় আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে এবং ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়। আগুন লাগার কারণ তাৎক্ষণিকভাবে নির্ণয় করা সম্ভব হয়নি। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

ক্ষয়ক্ষতির বিষয়ে তিনি বলেন, প্রতিষ্ঠানের মালিক প্রায় এক কোটি টাকার ক্ষতির দাবি করেছেন। তবে প্রকৃত ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ তদন্ত শেষে নিশ্চিত করা যাবে।

ডেকরেটর মালিক মো. আনিসুর রহমান লিটন বলেন, “গত ২৭ বছরের পরিশ্রমে তিল তিল করে প্রতিষ্ঠানটি গড়ে তুলেছিলাম। আগুনে আমার সবকিছু শেষ হয়ে গেছে। আমি এখন নিঃস্ব।”

তিনি জানান, আগুনে দুটি নসিমন, সহস্রাধিক চেয়ার, প্রায় ২০০টি টেবিল, ২ হাজার চিনামাটির প্লেট, শতাধিক সসপেন, ৪০ থেকে ৫০ লাখ টাকার কাপড়, ৮০০ টিন এবং প্রায় ১৫ লাখ টাকার ইভেন্ট সামগ্রী পুড়ে গেছে।

ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। আগুনের উৎস ও ক্ষয়ক্ষতির প্রকৃত পরিমাণ নির্ধারণে তদন্ত চলছে।

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

মধুখালীতে অগ্নিকাণ্ডে ডেকরেটর প্রতিষ্ঠানের শোরুম ও গুদামঘর পুড়ে ছাই

প্রকাশের সময় : ০১:৩৬:২৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬

ফরিদপুরের মধুখালীতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে একটি ডেকরেটর প্রতিষ্ঠানের শোরুম ও গুদামঘর পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এতে প্রায় এক কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেছেন প্রতিষ্ঠানটির মালিক ও সাবেক পৌর কাউন্সিলর মো. আনিসুর রহমান লিটন।

বুধবার (২৪ জুন) দিবাগত রাত আনুমানিক ১২টা ৪৫ মিনিটের দিকে উপজেলার মধুখালী-ওমরআলী সড়কে থানার সামনে চন্দনা নদীর পাড়সংলগ্ন সেতুর কাছে অবস্থিত ‘লিটন ডেকরেটর’-এ এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রায় ৩ হাজার ২০০ বর্গফুট আয়তনের টিনশেড নির্মিত শোরুম ও গুদামঘরটিতে আগুন লাগার সময় দরজা বন্ধ ছিল। গুদামঘরে কোনো জানালা ছিল না এবং ওই সময়ে এলাকায় বিদ্যুৎও ছিল না। এর মধ্যেই রহস্যজনকভাবে আগুনের সূত্রপাত ঘটে।

খবর পেয়ে মধুখালী ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রায় দেড় ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে ততক্ষণে ডেকরেটরের সব মালামাল পুড়ে ভস্মীভূত হয়ে যায়।

মধুখালী ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন মাস্টার মো. রাশেদুল আলম জানান, রাত সাড়ে ১২টার দিকে আগুন লাগার খবর পেয়ে তারা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছান। ডেকরেটরের মালামাল সহজে দাহ্য হওয়ায় আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে এবং ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়। আগুন লাগার কারণ তাৎক্ষণিকভাবে নির্ণয় করা সম্ভব হয়নি। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

ক্ষয়ক্ষতির বিষয়ে তিনি বলেন, প্রতিষ্ঠানের মালিক প্রায় এক কোটি টাকার ক্ষতির দাবি করেছেন। তবে প্রকৃত ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ তদন্ত শেষে নিশ্চিত করা যাবে।

ডেকরেটর মালিক মো. আনিসুর রহমান লিটন বলেন, “গত ২৭ বছরের পরিশ্রমে তিল তিল করে প্রতিষ্ঠানটি গড়ে তুলেছিলাম। আগুনে আমার সবকিছু শেষ হয়ে গেছে। আমি এখন নিঃস্ব।”

তিনি জানান, আগুনে দুটি নসিমন, সহস্রাধিক চেয়ার, প্রায় ২০০টি টেবিল, ২ হাজার চিনামাটির প্লেট, শতাধিক সসপেন, ৪০ থেকে ৫০ লাখ টাকার কাপড়, ৮০০ টিন এবং প্রায় ১৫ লাখ টাকার ইভেন্ট সামগ্রী পুড়ে গেছে।

ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। আগুনের উৎস ও ক্ষয়ক্ষতির প্রকৃত পরিমাণ নির্ধারণে তদন্ত চলছে।