কোটালীপাড়ায় চোর আটককে কেন্দ্র করে দফায় দফায় সংঘর্ষ, বাড়িঘর ভাঙচুর, আহত ২০
- প্রকাশের সময় : ১১:০৪:৩০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১ জুন ২০২৬
- / 37
গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া উপজেলায় চুরির অভিযোগে তিনজনকে আটকের ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষ, বাড়িঘর ভাঙচুর ও হামলার ঘটনা ঘটেছে। এতে নারী-পুরুষসহ অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন।
সোমবার (১ জুন) সন্ধ্যায় উপজেলার ঘাঘরকান্দা-বেপারীপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
আহতদের মধ্যে ওহাব গাজী (৬০), জালাল গাজী (৪৫), খলিল গাজী (৪৮), আরিফুল গাজী (৩০), জলিল গাজী (৪৬), ছনিয়া খানম (১৯), মাজেদা বেগম (৪৫), হান্নান বরকতউল্লাহ (৫৫), মুকুল মুন্সী (৪৮), অলি বরকতউল্লাহ (৩৫), তাওসীন বরকতউল্লাহ, হানিফ শেখ (৪৫), হাবিব মুন্সী (৪২) ও জাহিদুল বরকতউল্লাহ (৩৮)সহ বেশ কয়েকজনকে কোটালীপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ঘাঘরকান্দা-বেপারীপাড়া গ্রামের মাদকবিরোধী কমিটির সদস্যরা ব্যাটারি চুরির অভিযোগে উপজেলার কাঠিগা গ্রামের মোরসালিন মিয়া, চিতশী গ্রামের রাসেল দাড়িয়া এবং ঘাঘরকান্দা গ্রামের আব্দুল্লাহ দাড়িয়াকে আটক করে তাদের কার্যালয়ে রাখেন। পরে বিষয়টি এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে কাঠিগা ও চিতশী গ্রামের লোকজন সেখানে এসে কার্যালয়ে ভাঙচুর চালিয়ে ওই তিনজনকে ছিনিয়ে নিয়ে যায়।
ঘাঘরকান্দা-বেপারীপাড়া গ্রামের মাদকবিরোধী কমিটির সাধারণ সম্পাদক জসিম মোল্লা দাবি করেন, তাদের গ্রামের এক ব্যক্তির গাড়ি থেকে ব্যাটারি চুরি করে বিক্রি করার অভিযোগে ওই তিনজনকে আটক করা হয়েছিল। পরে পুলিশকে খবর দেওয়া হলেও এর আগেই অন্য এলাকার লোকজন এসে হামলা, ভাঙচুর ও মারধর করে আটক ব্যক্তিদের ছিনিয়ে নিয়ে যায়।
তিনি ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার দাবি করেন।
অন্যদিকে কাঠিগা-চিতশী এলাকার ইউপি সদস্য আনোয়ার হোসেন অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, “আমরা কাউকে মারধর করিনি। বরং আমাদের লোকজনই হামলার শিকার হয়ে আহত হয়েছে।”
কোটালীপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রিয়াদ মাহমুদ জানান, এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো পক্ষ লিখিত অভিযোগ দেয়নি। তবে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে এবং পুলিশ বিষয়টি পর্যবেক্ষণ করছে।


















