রাজবাড়ীতে কমরেড আব্দুর রউফ মুকুলের স্মরণে শোকসভা ও বিক্ষোভ
- প্রকাশের সময় : ০৬:৫৩:৪৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ জুন ২০২৬
- / 28
বাংলাদেশের বিপ্লবী কমিউনিস্ট আন্দোলনের অন্যতম নেতা, বাংলাদেশের বিপ্লবী কমিউনিস্ট পার্টির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও পলিটব্যুরোর সদস্য কমরেড আব্দুর রউফ মুকুলের স্মরণে রাজবাড়ীতে শোকসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। একইসঙ্গে আমেরিকার সঙ্গে সম্পাদিত চুক্তি বাতিলের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিলও অনুষ্ঠিত হয়।
বুধবার (১০ জুন) বিকেলে রাজবাড়ী জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে বাংলাদেশ কৃষক সংগ্রাম সমিতির উদ্যোগে এবং শোকসভা আয়োজন কমিটির ব্যবস্থাপনায় এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
শোকসভার আগে আমেরিকার সঙ্গে করা চুক্তি বাতিলের দাবিতে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়। মিছিলটি শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে জেলা শিল্পকলা একাডেমি প্রাঙ্গণে এসে শেষ হয়। পরে মিলনায়তনে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। এরপর আন্তর্জাতিক সংগীত ‘ইন্টারন্যাশনাল’ পরিবেশনের মধ্য দিয়ে সভার আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু হয়।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জেলা কৃষক সংগ্রাম সমিতির সভাপতি ও শোকসভা আয়োজন কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক আনিছুর রহমান। প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন জাতীয় গণতান্ত্রিক যুক্তফ্রন্টের সহ-সাধারণ সম্পাদক প্রকাশ দত্ত। বিশেষ অতিথি ছিলেন গণতান্ত্রিক মহিলা সমিতির কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক রহিমা জামাল।
এছাড়া বক্তব্য দেন পাবনা জেলা জাতীয় গণতান্ত্রিক ফ্রন্টের আহ্বায়ক রেজাউল ইসলাম মহিদুল, কুষ্টিয়া জেলার ধ্রুবতারা সাংস্কৃতিক সংসদের যুগ্ম আহ্বায়ক পলান বিশ্বাস, রাজবাড়ী জেলা জাতীয় গণতান্ত্রিক যুক্তফ্রন্টের সভাপতি রবিউল আলম মিনু, জেলা কৃষক সংগ্রাম সমিতির সাধারণ সম্পাদক হান্নান মোল্লা চুন্নু এবং জেলা হোটেল অ্যান্ড রেস্টুরেন্ট শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি আব্দুল জলিল প্রামাণিক।
বক্তারা বলেন, ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ স্বাধীনতা অর্জন করলেও স্বাধীনতার ৫৪ বছর পরও সাধারণ মানুষ প্রকৃত স্বাধীনতার সুফল ভোগ করতে পারছে না। দেশে বৈষম্য বেড়েছে এবং কৃষক-শ্রমিকসহ মেহনতি মানুষের জীবনমানের কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন ঘটেনি। তারা দাবি করেন, দীর্ঘ রাজনৈতিক শাসনের পর পরিবর্তন এলেও সাধারণ মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন হয়নি।
বক্তারা আরও বলেন, কমরেড আব্দুর রউফ মুকুল শ্রমিক শ্রেণির মুক্তি ও শোষণমুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠার স্বপ্ন দেখেছিলেন। তার আদর্শ ও সংগ্রামকে সামনে রেখে কৃষক-শ্রমিকসহ সাধারণ মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলন আরও জোরদার করতে হবে। তার স্বপ্ন বাস্তবায়নে সংগঠিত গণআন্দোলনের বিকল্প নেই বলেও তারা মত প্রকাশ করেন।




















