Dhaka ১২:১৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০২ জুন ২০২৬, ১৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ:
শৈলকুপায় দেড় কিলোমিটার কাঁচা রাস্তা এলাকাবাসীর গলার কাঁটা কোটালীপাড়ায় চোর আটককে কেন্দ্র করে দফায় দফায় সংঘর্ষ, বাড়িঘর ভাঙচুর, আহত ২০ নওগাঁর তিলকপুরে মাসুম বিল্লাহ হত্যার বিচারের দাবিতে মানববন্ধন, প্রতিবাদ সমাবেশ কালীগঞ্জে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা ব্রাজিল অন্য দলগুলোর চেয়ে পিছিয়ে আছে: ক্যাসিমিরো খুরশীদ আলমকে ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান পদ থেকে সরানো হচ্ছে না: বাংলাদেশ ব্যাংক টেস্টে আলো স্বল্পতায় লাল বলের বদলে গোলাপি বল, পরীক্ষামূলক অনুমোদন নিবন্ধন ও লাইসেন্সের আওতায় আনা হবে রিকশা-অটোরিকশা : ডিএসসিসি প্রশাসক যেসব ব্যথাকে কখনোই অবহেলা করা উচিত নয় জীবননগরে এমপি আমির হামজার পরিবারের ওপর হামলা

রামিসা হত্যা মামলার নতুন রহস্য : কে এই ডলার?

ডেস্ক নিউজ
  • প্রকাশের সময় : ০২:২৬:৩১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১ জুন ২০২৬
  • / 32

ঢাকার মিরপুরের পল্লবীতে ৭ বছর বয়সী শিশু রামিসা আক্তার হত্যা মামলার চার্জ গঠনের শুনানিতে নতুন মোড় এসেছে। মামলার আসামি সোহেল রানা আদালতে তোলার সময় ‘ডলার’ নামে এক ব্যক্তিকে ঘটনার মূল অপরাধী হিসেবে দাবি করেছেন। তবে এই ব্যক্তির পরিচয় সম্পর্কে এখনো নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।

সোমবার (১ জুন) চার্জ গঠনের শুনানির জন্য সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়। আদালতে আনার সময় সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে সোহেল রানা দাবি করেন, তার স্ত্রী নির্দোষ এবং ঘটনার জন্য ‘ডলার’ নামে একজন ব্যক্তি দায়ী।

সোহেলের ভাষ্য, “আমি ধর্ষণ করছি, মারছে ডলার। ডলার দুই লাখ টাকা দিছে।”

তিনি আরও অভিযোগ করেন, ডিএনএ পরীক্ষা যথাযথভাবে না করেই প্রতিবেদন তৈরি করা হয়েছে।

‘ডলার’-এর পরিচয় সম্পর্কে জানতে চাইলে সোহেল রানা বলেন, তিনি মিরপুর-১১ এলাকার একজন বিত্তশালী ব্যক্তি। তবে তার পূর্ণ পরিচয় বা অবস্থান সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু জানাননি। সাংবাদিকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, “মেইন আসামি ডলারকে ধরেন, সে-ই রামিসাকে হত্যা করেছে।”

সোহেলের এই বক্তব্যের পর মামলায় ‘ডলার’ নামটি নতুন করে আলোচনায় এলেও তদন্ত সংশ্লিষ্টরা এখনো এ বিষয়ে কোনো নিশ্চিত তথ্য দেননি। তদন্ত কর্মকর্তা পল্লবী থানার উপ-পরিদর্শক অহিদুজ্জামান তাৎক্ষণিকভাবে এ বিষয়ে মন্তব্য করতে অপারগতা প্রকাশ করেন।

ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিশেষ পাবলিক প্রসিকিউটর আজিজুর রহমান দুলু বলেন, আসামির উত্থাপিত বিষয়গুলো বিচারিক প্রক্রিয়ার অংশ এবং সাক্ষ্য-প্রমাণের মাধ্যমে যাচাই করা হবে।

তিনি জানান, মামলার নথি, তদন্ত প্রতিবেদন ও আসামিদের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দির ভিত্তিতে রাষ্ট্রপক্ষ সর্বোচ্চ শাস্তির প্রত্যাশা করছে।

মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, গত ১৯ মে সকালে স্কুলছাত্রী রামিসা আক্তার নিখোঁজ হন। পরে পরিবারের সদস্যরা তার মরদেহ উদ্ধার করেন। ঘটনার পর প্রধান আসামি সোহেল রানা পালিয়ে গেলেও পরে তাকে গ্রেফতার করা হয়। তদন্ত প্রতিবেদনে আসামিদের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দির উল্লেখ রয়েছে। মামলায় মোট ১৮ জনকে সাক্ষী করা হয়েছে।

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

রামিসা হত্যা মামলার নতুন রহস্য : কে এই ডলার?

প্রকাশের সময় : ০২:২৬:৩১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১ জুন ২০২৬

ঢাকার মিরপুরের পল্লবীতে ৭ বছর বয়সী শিশু রামিসা আক্তার হত্যা মামলার চার্জ গঠনের শুনানিতে নতুন মোড় এসেছে। মামলার আসামি সোহেল রানা আদালতে তোলার সময় ‘ডলার’ নামে এক ব্যক্তিকে ঘটনার মূল অপরাধী হিসেবে দাবি করেছেন। তবে এই ব্যক্তির পরিচয় সম্পর্কে এখনো নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।

সোমবার (১ জুন) চার্জ গঠনের শুনানির জন্য সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়। আদালতে আনার সময় সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে সোহেল রানা দাবি করেন, তার স্ত্রী নির্দোষ এবং ঘটনার জন্য ‘ডলার’ নামে একজন ব্যক্তি দায়ী।

সোহেলের ভাষ্য, “আমি ধর্ষণ করছি, মারছে ডলার। ডলার দুই লাখ টাকা দিছে।”

তিনি আরও অভিযোগ করেন, ডিএনএ পরীক্ষা যথাযথভাবে না করেই প্রতিবেদন তৈরি করা হয়েছে।

‘ডলার’-এর পরিচয় সম্পর্কে জানতে চাইলে সোহেল রানা বলেন, তিনি মিরপুর-১১ এলাকার একজন বিত্তশালী ব্যক্তি। তবে তার পূর্ণ পরিচয় বা অবস্থান সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু জানাননি। সাংবাদিকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, “মেইন আসামি ডলারকে ধরেন, সে-ই রামিসাকে হত্যা করেছে।”

সোহেলের এই বক্তব্যের পর মামলায় ‘ডলার’ নামটি নতুন করে আলোচনায় এলেও তদন্ত সংশ্লিষ্টরা এখনো এ বিষয়ে কোনো নিশ্চিত তথ্য দেননি। তদন্ত কর্মকর্তা পল্লবী থানার উপ-পরিদর্শক অহিদুজ্জামান তাৎক্ষণিকভাবে এ বিষয়ে মন্তব্য করতে অপারগতা প্রকাশ করেন।

ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিশেষ পাবলিক প্রসিকিউটর আজিজুর রহমান দুলু বলেন, আসামির উত্থাপিত বিষয়গুলো বিচারিক প্রক্রিয়ার অংশ এবং সাক্ষ্য-প্রমাণের মাধ্যমে যাচাই করা হবে।

তিনি জানান, মামলার নথি, তদন্ত প্রতিবেদন ও আসামিদের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দির ভিত্তিতে রাষ্ট্রপক্ষ সর্বোচ্চ শাস্তির প্রত্যাশা করছে।

মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, গত ১৯ মে সকালে স্কুলছাত্রী রামিসা আক্তার নিখোঁজ হন। পরে পরিবারের সদস্যরা তার মরদেহ উদ্ধার করেন। ঘটনার পর প্রধান আসামি সোহেল রানা পালিয়ে গেলেও পরে তাকে গ্রেফতার করা হয়। তদন্ত প্রতিবেদনে আসামিদের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দির উল্লেখ রয়েছে। মামলায় মোট ১৮ জনকে সাক্ষী করা হয়েছে।