Dhaka ০৪:৪৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬, ১১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ:
গ্রেট হলে প্রধানমন্ত্রীকে উষ্ণ অভ্যর্থনা মহেশপুরে এডিপির অর্থায়নে অসহায় মানুষের মাঝে বিভিন্ন উপকরণ বিতরণ তিস্তাসহ নদী ব্যবস্থাপনায় সহযোগিতা বাড়াতে একমত বাংলাদেশ-চীন দেশে ভয়াবহ হারে অ্যান্টিবায়োটিক-প্রতিরোধী জীবাণু বাড়ছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী ফ্রান্সে গরম থেকে বাঁচতে পানিতে নেমে ৪০ জনের মৃত্যু লক্ষ্মীপুরে একই পরিবারের ৩ জনকে গলা কেটে হত্যা ৪৩তম বিসিএস নন-ক্যাডার পদে পুনরায় ফল প্রকাশের নির্দেশ মধুখালীতে অগ্নিকাণ্ডে ডেকরেটর প্রতিষ্ঠানের শোরুম ও গুদামঘর পুড়ে ছাই ব্রাজিল ম্যাচে ফের সেই রেফারির বিতর্কিত সিদ্ধান্ত, কী বলছেন বিশ্লেষকরা চীনে প্রথম ‘বিনিয়োগ কার্যালয়’ খোলার ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর

দেশে ভয়াবহ হারে অ্যান্টিবায়োটিক-প্রতিরোধী জীবাণু বাড়ছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
  • প্রকাশের সময় : ০২:৪৭:৫৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬
  • / 5

দেশে অ্যান্টিবায়োটিক-প্রতিরোধী জীবাণুর প্রাদুর্ভাব ভয়াবহ হারে বাড়ছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।

তিনি বলেন, অ্যান্টিবায়োটিক-প্রতিরোধী জীবাণুর বিস্তার বর্তমানে একটি ক্রমবর্ধমান জনস্বাস্থ্য সমস্যা।

বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) জাতীয় সংসদের বাজেট অধিবেশনের লিখিত প্রশ্নোত্তর পর্বে ফেনী-২ আসনের সংসদ সদস্য জয়নাল আবেদীনের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, অ্যান্টিবায়োটিকের অযৌক্তিক ও অতিরিক্ত ব্যবহার, সংক্রমণ প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থার সীমাবদ্ধতা এবং মানব ও প্রাণী খাতে অ্যান্টিমাইক্রোবিয়ালের অনিয়ন্ত্রিত ব্যবহারের কারণে দেশে অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স (এএমআর) ক্রমাগত বাড়ছে। এর ফলে প্রতিরোধী জীবাণু পরিবেশে ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং চিকিৎসা কার্যক্রম আরও জটিল হয়ে উঠছে।

তিনি জানান, জীবাণু শনাক্তকরণ ও অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স নির্ণয়ের সক্ষমতা বাড়াতে সরকার বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে জাতীয় কর্মপরিকল্পনা (ন্যাশনাল অ্যাকশন প্ল্যান অন এএমআর) বাস্তবায়ন, ওয়ান হেলথ পদ্ধতিতে মানব, প্রাণী ও পরিবেশ খাতে সমন্বিত কার্যক্রম পরিচালনা এবং জাতীয় অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স নজরদারি কার্যক্রম সম্প্রসারণ।

এ ছাড়া দেশের বিভিন্ন সরকারি মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও বিশেষায়িত প্রতিষ্ঠানে আধুনিক মাইক্রোবায়োলজি ল্যাবরেটরি স্থাপন ও উন্নয়ন করা হচ্ছে। এসব ল্যাবে জীবাণু শনাক্তকরণ ও অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল সংবেদনশীলতা পরীক্ষা পরিচালনার সক্ষমতা বৃদ্ধি, আধুনিক যন্ত্রপাতি ও রিএজেন্ট সরবরাহ এবং জনবলের প্রশিক্ষণ কার্যক্রম চলছে।

মন্ত্রী আরও বলেন, সংক্রমণ প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণ (আইপিসি) এবং অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল স্টুয়ার্ডশিপ কর্মসূচি বাস্তবায়নের পাশাপাশি অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্সের প্রবণতা, ঝুঁকির কারণ ও প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নির্ধারণে গবেষণা কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। একই সঙ্গে অ্যান্টিবায়োটিকের যথেচ্ছ ব্যবহার রোধে জনসচেতনতামূলক কার্যক্রমও অব্যাহত রয়েছে।

তিনি আশা প্রকাশ করেন, এসব উদ্যোগের মাধ্যমে অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল-প্রতিরোধী জীবাণুর শনাক্তকরণ, নজরদারি ও নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী হবে।

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

দেশে ভয়াবহ হারে অ্যান্টিবায়োটিক-প্রতিরোধী জীবাণু বাড়ছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

প্রকাশের সময় : ০২:৪৭:৫৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬

দেশে অ্যান্টিবায়োটিক-প্রতিরোধী জীবাণুর প্রাদুর্ভাব ভয়াবহ হারে বাড়ছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।

তিনি বলেন, অ্যান্টিবায়োটিক-প্রতিরোধী জীবাণুর বিস্তার বর্তমানে একটি ক্রমবর্ধমান জনস্বাস্থ্য সমস্যা।

বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) জাতীয় সংসদের বাজেট অধিবেশনের লিখিত প্রশ্নোত্তর পর্বে ফেনী-২ আসনের সংসদ সদস্য জয়নাল আবেদীনের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, অ্যান্টিবায়োটিকের অযৌক্তিক ও অতিরিক্ত ব্যবহার, সংক্রমণ প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থার সীমাবদ্ধতা এবং মানব ও প্রাণী খাতে অ্যান্টিমাইক্রোবিয়ালের অনিয়ন্ত্রিত ব্যবহারের কারণে দেশে অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স (এএমআর) ক্রমাগত বাড়ছে। এর ফলে প্রতিরোধী জীবাণু পরিবেশে ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং চিকিৎসা কার্যক্রম আরও জটিল হয়ে উঠছে।

তিনি জানান, জীবাণু শনাক্তকরণ ও অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স নির্ণয়ের সক্ষমতা বাড়াতে সরকার বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে জাতীয় কর্মপরিকল্পনা (ন্যাশনাল অ্যাকশন প্ল্যান অন এএমআর) বাস্তবায়ন, ওয়ান হেলথ পদ্ধতিতে মানব, প্রাণী ও পরিবেশ খাতে সমন্বিত কার্যক্রম পরিচালনা এবং জাতীয় অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স নজরদারি কার্যক্রম সম্প্রসারণ।

এ ছাড়া দেশের বিভিন্ন সরকারি মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও বিশেষায়িত প্রতিষ্ঠানে আধুনিক মাইক্রোবায়োলজি ল্যাবরেটরি স্থাপন ও উন্নয়ন করা হচ্ছে। এসব ল্যাবে জীবাণু শনাক্তকরণ ও অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল সংবেদনশীলতা পরীক্ষা পরিচালনার সক্ষমতা বৃদ্ধি, আধুনিক যন্ত্রপাতি ও রিএজেন্ট সরবরাহ এবং জনবলের প্রশিক্ষণ কার্যক্রম চলছে।

মন্ত্রী আরও বলেন, সংক্রমণ প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণ (আইপিসি) এবং অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল স্টুয়ার্ডশিপ কর্মসূচি বাস্তবায়নের পাশাপাশি অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্সের প্রবণতা, ঝুঁকির কারণ ও প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নির্ধারণে গবেষণা কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। একই সঙ্গে অ্যান্টিবায়োটিকের যথেচ্ছ ব্যবহার রোধে জনসচেতনতামূলক কার্যক্রমও অব্যাহত রয়েছে।

তিনি আশা প্রকাশ করেন, এসব উদ্যোগের মাধ্যমে অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল-প্রতিরোধী জীবাণুর শনাক্তকরণ, নজরদারি ও নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী হবে।