Dhaka ০১:৪৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬, ১১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

রাজবাড়ীতে প্রান্তিক কৃষকের মাঝে সারবীজ বিতরণ

স্টাফ রিপোর্টার
  • প্রকাশের সময় : ০৬:৪৪:৪৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ নভেম্বর ২০২৫
  • / 105

২০২৫-২৬ অর্থবছরে প্রণোদনা কার্যক্রমের আওতায় রাজবাড়ীর ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে পেঁয়াজের বীজ রাসায়নিক সার বিতরণ করা হয়েছে। মঙ্গলবার রাজবাড়ী সদর উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উদ্যোগে এই বীজ ও সার বিতরণ করা হয়।

এ উপলক্ষে জেলা কৃষি সম্প্রাসারণ অধিদপ্তরের মিলনাতনে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ পরিচালক ড. মো. শহিদুল ইসলাম। প্রধান অতিথি ছিলেন রাজবাড়ীর জেলা প্রশাসক সুলতানা আক্তার। অন্যদের মাঝে বক্তৃতা করেন সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মারিয়া হক, সদর উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা জনি খান প্রমুখ।

বক্তার বলেন, ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে উন্নত জাতের পেঁয়াজের  বীজ ও সার বিতরণের উদ্দেশ্য হলো কৃষক যাতে কম জমিতে বেশি পরিমাণে ফসল উৎপাদন করে লাভবান হয়। অন্যদিকে উৎপাদন বেশি হলে আমদানি নির্ভরতা কমে আসবে। এতে করে দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন ঘটবে।

সদর উপজেলার ৩শ জন ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষককে ১ কেজি পেঁয়াজের বীজ, ১০ কেজি ডিএপি এবং ১০ কেজি এমওপি সার প্রদান করা হয়।

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

রাজবাড়ীতে প্রান্তিক কৃষকের মাঝে সারবীজ বিতরণ

প্রকাশের সময় : ০৬:৪৪:৪৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ নভেম্বর ২০২৫

২০২৫-২৬ অর্থবছরে প্রণোদনা কার্যক্রমের আওতায় রাজবাড়ীর ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে পেঁয়াজের বীজ রাসায়নিক সার বিতরণ করা হয়েছে। মঙ্গলবার রাজবাড়ী সদর উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উদ্যোগে এই বীজ ও সার বিতরণ করা হয়।

এ উপলক্ষে জেলা কৃষি সম্প্রাসারণ অধিদপ্তরের মিলনাতনে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ পরিচালক ড. মো. শহিদুল ইসলাম। প্রধান অতিথি ছিলেন রাজবাড়ীর জেলা প্রশাসক সুলতানা আক্তার। অন্যদের মাঝে বক্তৃতা করেন সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মারিয়া হক, সদর উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা জনি খান প্রমুখ।

বক্তার বলেন, ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে উন্নত জাতের পেঁয়াজের  বীজ ও সার বিতরণের উদ্দেশ্য হলো কৃষক যাতে কম জমিতে বেশি পরিমাণে ফসল উৎপাদন করে লাভবান হয়। অন্যদিকে উৎপাদন বেশি হলে আমদানি নির্ভরতা কমে আসবে। এতে করে দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন ঘটবে।

সদর উপজেলার ৩শ জন ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষককে ১ কেজি পেঁয়াজের বীজ, ১০ কেজি ডিএপি এবং ১০ কেজি এমওপি সার প্রদান করা হয়।