Dhaka ০৪:৫২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬, ১০ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ:
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বেইজিং পৌঁছেছেন নওগাঁ সীমান্তে ৯ জনকে পুশইনের চেষ্টা, প্রতিহত করল বিজিবি পাংশার গুধিবাড়ীতে গুল ফ্যাক্টরিকে ঘিরে স্বাস্থ্যঝুঁকির অভিযোগ বিশ্বকাপে টাইব্রেকারের নিয়মে পরিবর্তন আনছে ফিফা চারদিনে হাইকোর্টে ২০ হাজারের বেশি পুরোনো মামলা নিষ্পত্তির দৃষ্টান্ত পেনশন ভোগান্তি কমাতে অনলাইন ট্র্যাকিং ব্যবস্থা চালু করছে সরকার বাংলা কিউআর : আর্থিক লেনদেনে আসবে বৈপ্লবিক পরিবর্তন প্রতি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ইনহাউস কোচিংয়ের ব্যবস্থা রাখতে হবে : শিক্ষামন্ত্রী ‘সবাই তোমাকে ঘৃণা করে’— নেতানিয়াহুকে ট্রাম্পের তিরস্কার নিয়ে তোলপাড় কালুখালীতে কৃষি বিভাগের আয়োজনে পার্টনার কংগ্রেস অনুষ্ঠিত

পাংশার গুধিবাড়ীতে গুল ফ্যাক্টরিকে ঘিরে স্বাস্থ্যঝুঁকির অভিযোগ

একে আজাদ, পাংশা
  • প্রকাশের সময় : ০৩:৩১:১৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬
  • / 16

 

রাজবাড়ী জেলার পাংশা পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের গুধিবাড়ী এলাকায় অবস্থিত একটি গুল (তামাকজাত পণ্য) কারখানাকে ঘিরে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। আবাসিক এলাকার মধ্যে পরিচালিত এ কারখানার কারণে পরিবেশ দূষণ ও স্বাস্থ্যঝুঁকির অভিযোগ তুলেছেন এলাকাবাসী।

স্থানীয়দের দাবি, কারখানায় ব্যবহৃত তামাকপাতা ও বিভিন্ন উপাদানের গন্ধ বাতাসের সঙ্গে আশপাশের বসতবাড়িতে ছড়িয়ে পড়ে। এর ফলে শিশু, নারী ও বয়স্করা শ্বাসকষ্ট, কাশি ও অ্যালার্জিসহ বিভিন্ন স্বাস্থ্য সমস্যায় ভুগছেন বলে অভিযোগ করেন তারা।

এলাকাবাসীর ভাষ্যমতে, জীবিকার প্রয়োজনে অনেক নারী ওই কারখানায় কাজ করেন। তাদের অনেকেই শিশু সন্তানদের সঙ্গে কর্মস্থলে আসেন। এতে শিশুদেরও তামাক ও সংশ্লিষ্ট উপাদানের সংস্পর্শে থাকতে হচ্ছে বলে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন স্থানীয়রা।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, দীর্ঘদিন ধরে বিষয়টি নিয়ে তারা শঙ্কার মধ্যে রয়েছেন। তাদের মতে, জনবহুল আবাসিক এলাকায় এ ধরনের কারখানা পরিচালিত হওয়ায় পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্য উভয়ই ঝুঁকির মুখে পড়ছে।

এ বিষয়ে গুল ফ্যাক্টরির ম্যানেজার আব্দুস সালামের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, “পরিবেশ অধিদপ্তরের অনুমোদন ছাড়া কোনো কারখানা পরিচালনা করা সম্ভব নয়। আমাদের প্রয়োজনীয় অনুমোদন রয়েছে।”

তবে রাজবাড়ী জেলা পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক জানান, সংশ্লিষ্ট গুল ফ্যাক্টরির কোনো পরিবেশগত অনুমোদনের তথ্য তাদের কাছে নেই।

এ বিষয়ে পাংশা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. রিফাতুল হক বলেন, “বিষয়টি যাচাই-বাছাই করে দেখা হবে। কারখানাটির প্রয়োজনীয় অনুমোদন রয়েছে কি না তা তদন্ত করা হবে। অনুমোদন না থাকলে আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”

এদিকে দ্রুত তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত অবস্থা উদঘাটন এবং জনস্বাস্থ্য ও পরিবেশ সুরক্ষায় প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

পাংশার গুধিবাড়ীতে গুল ফ্যাক্টরিকে ঘিরে স্বাস্থ্যঝুঁকির অভিযোগ

প্রকাশের সময় : ০৩:৩১:১৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬

 

রাজবাড়ী জেলার পাংশা পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের গুধিবাড়ী এলাকায় অবস্থিত একটি গুল (তামাকজাত পণ্য) কারখানাকে ঘিরে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। আবাসিক এলাকার মধ্যে পরিচালিত এ কারখানার কারণে পরিবেশ দূষণ ও স্বাস্থ্যঝুঁকির অভিযোগ তুলেছেন এলাকাবাসী।

স্থানীয়দের দাবি, কারখানায় ব্যবহৃত তামাকপাতা ও বিভিন্ন উপাদানের গন্ধ বাতাসের সঙ্গে আশপাশের বসতবাড়িতে ছড়িয়ে পড়ে। এর ফলে শিশু, নারী ও বয়স্করা শ্বাসকষ্ট, কাশি ও অ্যালার্জিসহ বিভিন্ন স্বাস্থ্য সমস্যায় ভুগছেন বলে অভিযোগ করেন তারা।

এলাকাবাসীর ভাষ্যমতে, জীবিকার প্রয়োজনে অনেক নারী ওই কারখানায় কাজ করেন। তাদের অনেকেই শিশু সন্তানদের সঙ্গে কর্মস্থলে আসেন। এতে শিশুদেরও তামাক ও সংশ্লিষ্ট উপাদানের সংস্পর্শে থাকতে হচ্ছে বলে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন স্থানীয়রা।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, দীর্ঘদিন ধরে বিষয়টি নিয়ে তারা শঙ্কার মধ্যে রয়েছেন। তাদের মতে, জনবহুল আবাসিক এলাকায় এ ধরনের কারখানা পরিচালিত হওয়ায় পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্য উভয়ই ঝুঁকির মুখে পড়ছে।

এ বিষয়ে গুল ফ্যাক্টরির ম্যানেজার আব্দুস সালামের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, “পরিবেশ অধিদপ্তরের অনুমোদন ছাড়া কোনো কারখানা পরিচালনা করা সম্ভব নয়। আমাদের প্রয়োজনীয় অনুমোদন রয়েছে।”

তবে রাজবাড়ী জেলা পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক জানান, সংশ্লিষ্ট গুল ফ্যাক্টরির কোনো পরিবেশগত অনুমোদনের তথ্য তাদের কাছে নেই।

এ বিষয়ে পাংশা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. রিফাতুল হক বলেন, “বিষয়টি যাচাই-বাছাই করে দেখা হবে। কারখানাটির প্রয়োজনীয় অনুমোদন রয়েছে কি না তা তদন্ত করা হবে। অনুমোদন না থাকলে আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”

এদিকে দ্রুত তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত অবস্থা উদঘাটন এবং জনস্বাস্থ্য ও পরিবেশ সুরক্ষায় প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।