Dhaka ১০:১১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬, ৯ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ:
কালীগঞ্জে আ.লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালনের চেষ্টা: সাবেক মেয়র বিজুকে ছিনিয়ে নিল মহিলা নেতাকর্মীরা শিক্ষাব্যবস্থায় কোনো ধরনের বৈষম্য রাখা হবে না: শিক্ষামন্ত্রী হরমুজ নিয়ে অগ্রগতি হলেও এখনো আটকা শত শত জাহাজ বিশ্ব দরবারে দেশের মর্যাদা, সম্মান ও দৃঢ় অবস্থান নিশ্চিত করছেন প্রধানমন্ত্রী গত অর্থবছরে দেশে ৩০.৩২ বিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্স এসেছে: প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রী কালুখালীতে জমি নিয়ে বিরোধ, বসতবাড়ি ভাঙচুরের অভিযোগ কালীগঞ্জে যুবদলের বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ সমাবেশ ব্রাজিলের গোলকিপারের জার্সিতে পরিবর্তন আনল ফিফা তারেক রহমানের সঙ্গে ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের প্রেসিডেন্টের সাক্ষাৎ কেইনকে থামাতে ‘কালো জাদুর ওঝা’ আনার গুঞ্জন, আলোচনায় ঘানা

কালুখালীতে জমি নিয়ে বিরোধ, বসতবাড়ি ভাঙচুরের অভিযোগ

কালুখালী (রাজবাড়ী) প্রতিনিধি:
  • প্রকাশের সময় : ০৮:৩৪:১৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬
  • / 43

রাজবাড়ীর কালুখালী উপজেলায় জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে একটি বসতবাড়ি ভাঙচুর করে নির্মাণসামগ্রী পাশের খালে ফেলে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, উপজেলার মৃগী ইউনিয়নের শিকজান গ্রামের মৃত চাঁদ আলী ফকিরের ছেলে মো. আব্দুল আলিম ফকির ২০২৪ সালের ২১ অক্টোবর বড় কলকলিয়া মৌজার বিএস ১৭৬১ নম্বর দাগের ১০ দশমিক ৫০ শতাংশ জমি একই গ্রামের সুকুমার চন্দ্র মণ্ডল ও অন্যদের কাছ থেকে ক্রয় করেন। জমি ক্রয়ের পর থেকে তিনি তা ভোগদখল করে আসছিলেন। সম্প্রতি সেখানে বসবাসের জন্য একটি বাড়ি নির্মাণ করেন।

অভিযোগে বলা হয়, গত ২০ জুন দুপুরে খড়খড়িয়া গ্রামের মৃত রোস্তম খানের ছেলে বিল্লা খান, মাহবুব খান এবং মঞ্জু খানসহ ১৫ থেকে ২০ জন ব্যক্তি ওই বাড়িতে গিয়ে বসতঘর, রান্নাঘর, গবাদিপশুর ঘর ও বাড়ির চারপাশের বেড়া ভাঙচুর করেন। পরে টিনের চালা ও সিমেন্টের খুঁটি পাশের খালে ফেলে দেন। এতে প্রায় ৬০ হাজার টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।

এছাড়া বিছানার নিচে রাখা এনজিও থেকে ঋণ নেওয়া ৩ লাখ টাকা নিয়ে যাওয়ারও অভিযোগ করেছেন আব্দুল আলিম ফকির। বাধা দিতে গেলে অভিযুক্তরা তাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ ও প্রাণনাশের হুমকি দেন বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

সরেজমিনে গিয়ে ভাঙচুরের আলামত দেখা গেছে। বাড়ির টিনের চালার কিছু অংশ পাশের খালে পড়ে থাকতে দেখা যায়। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার বর্তমানে খোলা আকাশের নিচে দুর্ভোগে দিন কাটাচ্ছে বলে জানিয়েছে।

মো. আব্দুল আলিম ফকির বলেন, আমি দীর্ঘদিন আগে বৈধভাবে জমিটি কিনেছি। জমির মিউটেশনসহ সব কাগজপত্র ঠিক আছে। বিরোধ থাকলে আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করা যেত। কিন্তু আমার বসতঘর ভেঙে খালে ফেলে দেওয়া হয়েছে। আমি প্রশাসনের কাছে সুষ্ঠু বিচার চাই।

অভিযুক্ত বিল্লা খানসহ অন্যদের বক্তব্য নেওয়ার জন্য যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাদের পাওয়া যায়নি।

মৃগী পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের উপপরিদর্শক (এসআই) নাজমুল হাসান বলেন, অভিযোগ পাওয়ার পর ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ঘটনার সত্যতা পাওয়া গেছে। বিষয়টি তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

কালুখালীতে জমি নিয়ে বিরোধ, বসতবাড়ি ভাঙচুরের অভিযোগ

প্রকাশের সময় : ০৮:৩৪:১৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬

রাজবাড়ীর কালুখালী উপজেলায় জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে একটি বসতবাড়ি ভাঙচুর করে নির্মাণসামগ্রী পাশের খালে ফেলে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, উপজেলার মৃগী ইউনিয়নের শিকজান গ্রামের মৃত চাঁদ আলী ফকিরের ছেলে মো. আব্দুল আলিম ফকির ২০২৪ সালের ২১ অক্টোবর বড় কলকলিয়া মৌজার বিএস ১৭৬১ নম্বর দাগের ১০ দশমিক ৫০ শতাংশ জমি একই গ্রামের সুকুমার চন্দ্র মণ্ডল ও অন্যদের কাছ থেকে ক্রয় করেন। জমি ক্রয়ের পর থেকে তিনি তা ভোগদখল করে আসছিলেন। সম্প্রতি সেখানে বসবাসের জন্য একটি বাড়ি নির্মাণ করেন।

অভিযোগে বলা হয়, গত ২০ জুন দুপুরে খড়খড়িয়া গ্রামের মৃত রোস্তম খানের ছেলে বিল্লা খান, মাহবুব খান এবং মঞ্জু খানসহ ১৫ থেকে ২০ জন ব্যক্তি ওই বাড়িতে গিয়ে বসতঘর, রান্নাঘর, গবাদিপশুর ঘর ও বাড়ির চারপাশের বেড়া ভাঙচুর করেন। পরে টিনের চালা ও সিমেন্টের খুঁটি পাশের খালে ফেলে দেন। এতে প্রায় ৬০ হাজার টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।

এছাড়া বিছানার নিচে রাখা এনজিও থেকে ঋণ নেওয়া ৩ লাখ টাকা নিয়ে যাওয়ারও অভিযোগ করেছেন আব্দুল আলিম ফকির। বাধা দিতে গেলে অভিযুক্তরা তাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ ও প্রাণনাশের হুমকি দেন বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

সরেজমিনে গিয়ে ভাঙচুরের আলামত দেখা গেছে। বাড়ির টিনের চালার কিছু অংশ পাশের খালে পড়ে থাকতে দেখা যায়। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার বর্তমানে খোলা আকাশের নিচে দুর্ভোগে দিন কাটাচ্ছে বলে জানিয়েছে।

মো. আব্দুল আলিম ফকির বলেন, আমি দীর্ঘদিন আগে বৈধভাবে জমিটি কিনেছি। জমির মিউটেশনসহ সব কাগজপত্র ঠিক আছে। বিরোধ থাকলে আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করা যেত। কিন্তু আমার বসতঘর ভেঙে খালে ফেলে দেওয়া হয়েছে। আমি প্রশাসনের কাছে সুষ্ঠু বিচার চাই।

অভিযুক্ত বিল্লা খানসহ অন্যদের বক্তব্য নেওয়ার জন্য যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাদের পাওয়া যায়নি।

মৃগী পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের উপপরিদর্শক (এসআই) নাজমুল হাসান বলেন, অভিযোগ পাওয়ার পর ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ঘটনার সত্যতা পাওয়া গেছে। বিষয়টি তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।