Dhaka ০৯:৩৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬, ১১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ:

মাতৃহীন ৫টি লক্ষীপেঁচাশাবক লালনপালন করছেন সাংবাদিক লিটন চক্রবর্তী

স্টাফ রিপোর্টার
  • প্রকাশের সময় : ০৫:৩৪:০৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ৬ ডিসেম্বর ২০২৫
  • / 81

রাজবাড়ী শহরের টিএন্ডটি পাড়ার বাসিন্দা সাংবাদিক লিটন চক্রবর্তী মাতৃহীন পাঁচটি লক্ষীপেঁচাশাবককে লালন পালন করছেন। গত বৃহস্পতিবার দুপুরে শাবকগুলোকে তিনি জেলার সীমান্তবর্তী মধুখালী জেলার আশাপুর এলাকা থেকে উদ্ধার করে তার বাড়িতে নিয়ে আসেন।

লিটন চক্রবর্তী জানান, আশাপুর জুটমিলের শৌচাগারের ছাদে কয়েকটি লক্ষীপেঁচা শাবক কিচির মিচির করছিল। তাদের মা সাথে ছিল না। গত মঙ্গলবার তার বন্ধুর কাছ থেকে এমন খবর পেয়ে সেখানে ছুটে যান। ফরিদপুর বন বিভাগের কর্মকর্তাদের সাথে যোগাযোগ করলে তারা শাবকগুলোকে নিয়ে যেতে বলেন। তারপরও তিনি দুদিন অপেক্ষা করেছেন। শাবকগুলোর মা তাদের কাছে আসে কীনা দেখার জন্য। দুদিন পর তার বন্ধু জানায়, শাবকগুলোর মা আসেনি। পরে তিনি গিয়ে শাবকগুলো এনে তার বাড়িতে রাখেন। শাবকগুলোর জন্য কৃত্রিম তাপমাত্রা তৈরি করতে হয়। এদের দিনে খাওয়াতে সমস্যা হয়। মাছ খাওয়াতেও সমস্যা। যদি কাঁটা বিঁধে যায়। এজন্য খুব সাবধানতা অবলম্বন করছেন। রাজবাড়ী প্রাণিসম্পদ দপ্তরকে বিষয়টি জানিয়েছেন। সদর উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা এসেছিলেন। তাকে এক জোড়া গ্লোভস দিয়েছেন কাজ করার জন্য। শাবকগুলো এখন সুস্থ আছে। এগুলো একটু বড় হলেই অবমুক্ত করে দেওয়া হবে।

রাজবাড়ী সদর উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা উমর ফারুক জানান, শাবকগুলোর বয়স ২০ থেকে ২২ দিন হবে। মায়ের কাছ থেকে নতুন পরিবেশে আসায় পরিবেশের সাথে মানিয়ে নিতে একটু কষ্ট হচ্ছে শাবকগুলোর। মাছের কাঁটা ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় মাংস খাওয়ানোর পরামর্শ দিয়েছেন। এছাড়া তাপমাত্রা সহনীয় পর্যায়ে রাখার জন্য বলেছেন। শাবকগুলো এখন ভালো আছে। তিনি নিয়মিত খোঁজ খবর নিচ্ছেন।

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

মাতৃহীন ৫টি লক্ষীপেঁচাশাবক লালনপালন করছেন সাংবাদিক লিটন চক্রবর্তী

প্রকাশের সময় : ০৫:৩৪:০৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ৬ ডিসেম্বর ২০২৫

রাজবাড়ী শহরের টিএন্ডটি পাড়ার বাসিন্দা সাংবাদিক লিটন চক্রবর্তী মাতৃহীন পাঁচটি লক্ষীপেঁচাশাবককে লালন পালন করছেন। গত বৃহস্পতিবার দুপুরে শাবকগুলোকে তিনি জেলার সীমান্তবর্তী মধুখালী জেলার আশাপুর এলাকা থেকে উদ্ধার করে তার বাড়িতে নিয়ে আসেন।

লিটন চক্রবর্তী জানান, আশাপুর জুটমিলের শৌচাগারের ছাদে কয়েকটি লক্ষীপেঁচা শাবক কিচির মিচির করছিল। তাদের মা সাথে ছিল না। গত মঙ্গলবার তার বন্ধুর কাছ থেকে এমন খবর পেয়ে সেখানে ছুটে যান। ফরিদপুর বন বিভাগের কর্মকর্তাদের সাথে যোগাযোগ করলে তারা শাবকগুলোকে নিয়ে যেতে বলেন। তারপরও তিনি দুদিন অপেক্ষা করেছেন। শাবকগুলোর মা তাদের কাছে আসে কীনা দেখার জন্য। দুদিন পর তার বন্ধু জানায়, শাবকগুলোর মা আসেনি। পরে তিনি গিয়ে শাবকগুলো এনে তার বাড়িতে রাখেন। শাবকগুলোর জন্য কৃত্রিম তাপমাত্রা তৈরি করতে হয়। এদের দিনে খাওয়াতে সমস্যা হয়। মাছ খাওয়াতেও সমস্যা। যদি কাঁটা বিঁধে যায়। এজন্য খুব সাবধানতা অবলম্বন করছেন। রাজবাড়ী প্রাণিসম্পদ দপ্তরকে বিষয়টি জানিয়েছেন। সদর উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা এসেছিলেন। তাকে এক জোড়া গ্লোভস দিয়েছেন কাজ করার জন্য। শাবকগুলো এখন সুস্থ আছে। এগুলো একটু বড় হলেই অবমুক্ত করে দেওয়া হবে।

রাজবাড়ী সদর উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা উমর ফারুক জানান, শাবকগুলোর বয়স ২০ থেকে ২২ দিন হবে। মায়ের কাছ থেকে নতুন পরিবেশে আসায় পরিবেশের সাথে মানিয়ে নিতে একটু কষ্ট হচ্ছে শাবকগুলোর। মাছের কাঁটা ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় মাংস খাওয়ানোর পরামর্শ দিয়েছেন। এছাড়া তাপমাত্রা সহনীয় পর্যায়ে রাখার জন্য বলেছেন। শাবকগুলো এখন ভালো আছে। তিনি নিয়মিত খোঁজ খবর নিচ্ছেন।