Dhaka ০৭:১২ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৮ জুন ২০২৬, ২৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ:

বাংলাদেশে বছরে ৩৫ লাখ টন খাদ্য অপচয়: খাদ্য প্রতিমন্ত্রী

স্টাফ রিপোর্টার
  • প্রকাশের সময় : ০৪:৪৬:০২ অপরাহ্ন, সোমবার, ৮ জুন ২০২৬
  • / 25

বাংলাদেশে প্রতি বছর প্রায় ৩৫ লাখ টন খাদ্য অপচয় হয় বলে জানিয়েছেন খাদ্য প্রতিমন্ত্রী আব্দুল বারী। তিনি বলেন, জাতিসংঘের পরিবেশ বিষয়ক সংস্থা ইউনেপের ‘ফুড ওয়েস্ট ইনডেক্স ২০২৪’ প্রতিবেদনে দেশের সামগ্রিক খাদ্য অপচয়ের এ চিত্র উঠে এসেছে। তবে সরকারি ব্যবস্থাপনায় গুদাম ও সাইলোতে খাদ্যশস্যের অপচয় আগের তুলনায় কমেছে।

সোমবার (৮ জুন) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় অধিবেশনের প্রশ্নোত্তর পর্বে তিনি এসব তথ্য জানান। বিকেল ৩টায় ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে অধিবেশন শুরু হয়।

অধিবেশনে কুমিল্লা-৯ আসনের সংসদ সদস্য আবুল কালাম তার লিখিত প্রশ্নে জানতে চান, ইউনেপের প্রতিবেদনে উল্লেখিত খাদ্য অপচয় রোধে জনসচেতনতা সৃষ্টিতে সরকারের পরিকল্পনা কী।

জবাবে খাদ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, ইউনেপের প্রতিবেদনে উল্লেখিত ৩৫ লাখ টন খাদ্য অপচয়ের হিসাব দেশের সামগ্রিক চিত্র তুলে ধরে। খাদ্য মন্ত্রণালয়ের আওতায় খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সংগ্রহ করা খাদ্যশস্য গুদাম ও সাইলোতে সংরক্ষণ করা হয় এবং পরে বিভিন্ন খাতে বিতরণ করা হয়। এ প্রক্রিয়ায় কিছু পরিমাণ খাদ্যশস্য নষ্ট হলেও তা নিয়ন্ত্রণে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

তিনি জানান, আধুনিক সাইলো ও খাদ্য গুদাম নির্মাণ, সংরক্ষণ ও পরিবহন ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং সংশ্লিষ্টদের সচেতনতা বৃদ্ধির মাধ্যমে খাদ্যশস্যের অপচয় পর্যায়ক্রমে কমিয়ে আনা হচ্ছে।

খাদ্যশস্যের ঘাটতি ও অপচয়ের পরিসংখ্যান তুলে ধরে আব্দুল বারী বলেন, ২০২৩-২৪ অর্থবছরে সরকারি ব্যবস্থাপনায় মোট ঘাটতি বা অপচয়ের পরিমাণ ছিল ২১ হাজার ৩২৯ দশমিক ৮৮ মেট্রিক টন, যা মোট খাদ্যশস্যের শূন্য দশমিক ৩১৬ শতাংশ।

অন্যদিকে ২০২৪-২৫ অর্থবছরে এ পরিমাণ কমে দাঁড়িয়েছে ১৮ হাজার ৮৮৭ দশমিক ৩৪৭ মেট্রিক টনে, যা মোট খাদ্যশস্যের শূন্য দশমিক ২৮ শতাংশ। ফলে আগের অর্থবছরের তুলনায় খাদ্যশস্যের ঘাটতি ও অপচয় উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে বলে জানান তিনি।

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

বাংলাদেশে বছরে ৩৫ লাখ টন খাদ্য অপচয়: খাদ্য প্রতিমন্ত্রী

প্রকাশের সময় : ০৪:৪৬:০২ অপরাহ্ন, সোমবার, ৮ জুন ২০২৬

বাংলাদেশে প্রতি বছর প্রায় ৩৫ লাখ টন খাদ্য অপচয় হয় বলে জানিয়েছেন খাদ্য প্রতিমন্ত্রী আব্দুল বারী। তিনি বলেন, জাতিসংঘের পরিবেশ বিষয়ক সংস্থা ইউনেপের ‘ফুড ওয়েস্ট ইনডেক্স ২০২৪’ প্রতিবেদনে দেশের সামগ্রিক খাদ্য অপচয়ের এ চিত্র উঠে এসেছে। তবে সরকারি ব্যবস্থাপনায় গুদাম ও সাইলোতে খাদ্যশস্যের অপচয় আগের তুলনায় কমেছে।

সোমবার (৮ জুন) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় অধিবেশনের প্রশ্নোত্তর পর্বে তিনি এসব তথ্য জানান। বিকেল ৩টায় ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে অধিবেশন শুরু হয়।

অধিবেশনে কুমিল্লা-৯ আসনের সংসদ সদস্য আবুল কালাম তার লিখিত প্রশ্নে জানতে চান, ইউনেপের প্রতিবেদনে উল্লেখিত খাদ্য অপচয় রোধে জনসচেতনতা সৃষ্টিতে সরকারের পরিকল্পনা কী।

জবাবে খাদ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, ইউনেপের প্রতিবেদনে উল্লেখিত ৩৫ লাখ টন খাদ্য অপচয়ের হিসাব দেশের সামগ্রিক চিত্র তুলে ধরে। খাদ্য মন্ত্রণালয়ের আওতায় খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সংগ্রহ করা খাদ্যশস্য গুদাম ও সাইলোতে সংরক্ষণ করা হয় এবং পরে বিভিন্ন খাতে বিতরণ করা হয়। এ প্রক্রিয়ায় কিছু পরিমাণ খাদ্যশস্য নষ্ট হলেও তা নিয়ন্ত্রণে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

তিনি জানান, আধুনিক সাইলো ও খাদ্য গুদাম নির্মাণ, সংরক্ষণ ও পরিবহন ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং সংশ্লিষ্টদের সচেতনতা বৃদ্ধির মাধ্যমে খাদ্যশস্যের অপচয় পর্যায়ক্রমে কমিয়ে আনা হচ্ছে।

খাদ্যশস্যের ঘাটতি ও অপচয়ের পরিসংখ্যান তুলে ধরে আব্দুল বারী বলেন, ২০২৩-২৪ অর্থবছরে সরকারি ব্যবস্থাপনায় মোট ঘাটতি বা অপচয়ের পরিমাণ ছিল ২১ হাজার ৩২৯ দশমিক ৮৮ মেট্রিক টন, যা মোট খাদ্যশস্যের শূন্য দশমিক ৩১৬ শতাংশ।

অন্যদিকে ২০২৪-২৫ অর্থবছরে এ পরিমাণ কমে দাঁড়িয়েছে ১৮ হাজার ৮৮৭ দশমিক ৩৪৭ মেট্রিক টনে, যা মোট খাদ্যশস্যের শূন্য দশমিক ২৮ শতাংশ। ফলে আগের অর্থবছরের তুলনায় খাদ্যশস্যের ঘাটতি ও অপচয় উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে বলে জানান তিনি।