বালিয়াকান্দির গণপত্যা সার্বজনীন মন্দিরে শুরু হচ্ছে শ্রী শ্রী রটন্তী কালীকা মায়ের পূজা
- প্রকাশের সময় : ১২:১২:০০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬
- / 162
“জয় জয় ভয়ঙ্করী কালী কপালিনী,জয় জয় জোররূপা তমো বিনাশিনী,জয় জয় আদ্যাশক্তি শিব সারৎসারা,জয় জয় চণ্ডমুণ্ড খণ্ডকত্রী তারা”এই মহামন্ত্রে মুখরিত হয়ে রাজবাড়ী জেলার বালিয়াকান্দি উপজেলার ইসলামপুর ইউনিয়নের গণপত্যা শ্রীশ্রী সার্বজনীন কালী মন্দিরে শনিবার (১৭ জানুয়ারি) রাতে ৪১তম শ্রী শ্রী রটন্তী কালীকা মায়ের পূজার শুভসূচনা হতে যাচ্ছে।
মন্দির কমিটি সূত্রে জানা যায়, এবারের পূজা আয়োজনের ধারাবাহিক কর্মসূচিতে রয়েছে, শনিবার ৩ মাঘ ১৪৩২ বাংলা ১৭ জানুয়ারি চতুর্দশী রাত্রিতে শ্রীশ্রী রটন্তী কালীকা মায়ের পূজা। এরপর রবিবার, সোমবার ও মঙ্গলবার ৪, ৫ ও ৬ মাঘ ১৮, ১৯ ও ২০ জানুয়ারি প্রসাদ বিতরণ, আরতি ও আরতি প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হবে। আগামী বুধবার ৭ মাঘ ২১ জানুয়ারি বিকাল ৫টায় মায়ের বিসর্জনের মধ্য দিয়ে পূজানুষ্ঠানের পরিসমাপ্তি ঘটবে।
মন্দির কমিটির সাধারণ সম্পাদক শ্রী প্রদীপ কুমার মণ্ডল বলেন,“মায়াময় সংসার বন্ধনে আবদ্ধ হয়ে অধর্ম, মিথ্যা ও অসামাজিক কর্মকাণ্ডে লিপ্ত হয়ে আমরা অনেক সময় সর্বশক্তির আরাধনাকে ভুলে যাই। সংসারের মোহ কাটিয়ে দেহ ও মনে একাগ্র হয়ে মহামায়ের স্বরূপ চিন্তায় নিজেকে নিয়োজিত করতে পারলেই কেবল তার কৃপা লাভ করা সম্ভব। সনাতন ধর্মাবলম্বী সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় এ বছরও ৪১তমবারের মতো এই পূজার আয়োজন করা হয়েছে। বুধবার ২১ জানুয়ারি পর্যন্ত পূজানুষ্ঠান চলবে। সারাদেশ থেকে মায়ের ভক্তবৃন্দদের আগমনের ব্যাপারে আমরা আশাবাদী।”
তিনি আরও জানান, পূজাকে কেন্দ্র করে মন্দির প্রাঙ্গণে বসেছে জমজমাট মেলা। মেলায় থাকছে জিলাপি, রাজভোগ, অমিত্তি, গজা, লতিকা, খুরমা, মিষ্টি পানসহ নানা রকমের মুখরোচক খাবার, খেলনা, কসমেটিকস, চুড়ি-মালা এবং চটপটি, ফুচকা, ঝালমুড়ির দোকান। বিনোদনের জন্য রয়েছে নাগরদোলা ও চরকি চেয়ার। এবছর হাজার হাজার দর্শনার্থী ও ভক্তের সমাগম ঘটবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
পূজা কমিটির সভাপতি নিরোদ বিশ্বাস (মন্টু) বলেন, “টানা ৪০ বছর সফলভাবে পূজা আয়োজনের পর এবার ৪১তম বছরে আমরা আরও উৎসবমুখর পরিবেশে শ্রীশ্রী রটন্তী কালীকা মায়ের পূজা উদযাপন করছি। সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে উপজেলা প্রশাসন, র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব), বালিয়াকান্দি থানা পুলিশসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীরা সহযোগিতা করছেন। আমরা আশা করছি, অন্যান্য বছরের মতো এ বছরও শান্তিপূর্ণ ও সুশৃঙ্খল পরিবেশে পূজানুষ্ঠান সম্পন্ন হবে।”
তিনি আরও বলেন, পূজার সার্বিক নিরাপত্তা ও সহযোগিতার জন্য প্রশাসনের সকল দপ্তরের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানানো হবে।

























