Dhaka ০২:৫৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬, ৩১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ:
মেসিকে আটকাতে বিশেষ পরিকল্পনা টুখেলের ‘ইউনিভার্সাল কার্ড’ চালুর ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর পত্নীতলায় হানিট্র্যাপে জিম্মি করে মুক্তিপণ আদায়কারী চক্রের ২ তরুণীসহ গ্রেফতার ৪ পাংশা বণিক সমিতির সাধারণ সম্পাদকের বিরুদ্ধে ‘উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’ মামলার অভিযোগ জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে টি-২০ সিরিজও হার দিয়ে শুরু বাংলাদেশের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা নিয়ে সরকারের ৫ উদ্যোগ ইঞ্জিন বিকল হয়ে সমুদ্রে ভাসতে থাকা ফিশিং বোটসহ ১৯ জেলে উদ্ধার কাতারের আমিরের কাছে প্রধানমন্ত্রীর শোকবার্তা হস্তান্তর করলেন স্পিকার আত্মসমর্পণ করে জামিন পেলেন অভিনেত্রী ববি প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় কালুখালীর সকল প্রাথমিক বিদ্যালয়ে একযোগে বৃক্ষরোপণ

পাংশা বণিক সমিতির সাধারণ সম্পাদকের বিরুদ্ধে ‘উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’ মামলার অভিযোগ

স্টাফ রিপোর্টার
  • প্রকাশের সময় : ০৯:০৩:৪৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬
  • / 250

​রাজবাড়ীর কালুখালীতে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে ঘটে যাওয়া একটি মারামারির ঘটনায় পাংশা বণিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার সরদারের নাম জড়িয়ে ‘উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’ মামলা দায়েরের অভিযোগ উঠেছে। ওই মামলায় দেলোয়ার সরদারসহ আরও ৯ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতনামা ১০/১৫ জনকে আসামি করা হয়েছে।

​গত বুধবার (৮ জুলাই) কালুখালী উপজেলার মোহনপুর এলাকার মো. চৌধুরী মিয়ার ছেলে মো. ফারুক মিয়া বাদী হয়ে কালুখালী থানায় এই মামলাটি দায়ের করেন।

​​মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, গত বুধবার সকাল আনুমানিক ৯টার দিকে সোনাপুর মোড়ে বাদীর ভাই নীরব বাবুর সাথে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশায় যাত্রী ওঠানো নিয়ে আসামিদের কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে আসামিরা দেশীয় অস্ত্র দিয়ে নীরব বাবুকে মারপিট করে জখম করে। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে কালুখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। এজাহারে মামলার ১ নম্বর আসামি দেলোয়ার সরদারকে ‘চিহ্নিত অস্ত্রধারী ক্যাডার ও চাঁদাবাজ’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

​দেলোয়ার সরদার (৪৩) ছাড়াও মামলার অন্য আসামিরা হলেন—সোহেল বিশ্বাস (৩০), জার্মান (৩০), জিয়া (৩৫), হেলাল (৩২), আরিফ (৩১), রাজু বিশ্বাস (৩০), ওহিদ বিশ্বাস (৩০), শফি (৪০) এবং নাসির শেখ (৩২)। আসামিরা সবাই পাংশার বিভিন্ন এলাকার বাসিন্দা।

​​মামলার বিষয়ে তীব্র ক্ষোভ ও আপত্তি জানিয়ে পাংশা বণিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার সরদার বলেন, ​”ঘটনার সময় আমি পাংশা সরদার বাসস্ট্যান্ড এলাকায় ছিলাম। অথচ আমাকে কালুখালীর সোনাপুর বাসস্ট্যান্ড এলাকার মারামারির ঘটনায় ১ নম্বর আসামি করা হয়েছে। রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের ইন্ধনে আমাকে এই মামলায় উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে জড়ানো হয়েছে।”

​এজাহারে আনীত অভিযোগ অস্বীকার করে তিনি আরও বলেন,

​”আমাকে চিহ্নিত অস্ত্রধারী ও চাঁদাবাজ বলা হয়েছে, যা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। আমি পারিবারিকভাবে ছোটবেলা থেকেই বিএনপির রাজনীতির সাথে জড়িত। আমার বাবা মরহুম আব্দুল আজিজ সরদার পাংশা পৌর বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক এবং পাংশা পৌরসভার প্রথম মেয়র ছিলেন। বাবার আদর্শ মেনে আমি রাজনীতি করি এবং বিপুল ভোটে পাংশা বণিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছি। পাংশার একটি মানুষও বলতে পারবে না আমি কখনো সন্ত্রাসী বা চাঁদাবাজি করেছি। আমি প্রশাসনের কাছে সুষ্ঠু ও সঠিক তদন্তের দাবি জানাচ্ছি, যেন তদন্তের মাধ্যমে আমাকে এই মিথ্যা মামলা থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়।”

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

পাংশা বণিক সমিতির সাধারণ সম্পাদকের বিরুদ্ধে ‘উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’ মামলার অভিযোগ

প্রকাশের সময় : ০৯:০৩:৪৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬

​রাজবাড়ীর কালুখালীতে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে ঘটে যাওয়া একটি মারামারির ঘটনায় পাংশা বণিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার সরদারের নাম জড়িয়ে ‘উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’ মামলা দায়েরের অভিযোগ উঠেছে। ওই মামলায় দেলোয়ার সরদারসহ আরও ৯ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতনামা ১০/১৫ জনকে আসামি করা হয়েছে।

​গত বুধবার (৮ জুলাই) কালুখালী উপজেলার মোহনপুর এলাকার মো. চৌধুরী মিয়ার ছেলে মো. ফারুক মিয়া বাদী হয়ে কালুখালী থানায় এই মামলাটি দায়ের করেন।

​​মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, গত বুধবার সকাল আনুমানিক ৯টার দিকে সোনাপুর মোড়ে বাদীর ভাই নীরব বাবুর সাথে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশায় যাত্রী ওঠানো নিয়ে আসামিদের কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে আসামিরা দেশীয় অস্ত্র দিয়ে নীরব বাবুকে মারপিট করে জখম করে। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে কালুখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। এজাহারে মামলার ১ নম্বর আসামি দেলোয়ার সরদারকে ‘চিহ্নিত অস্ত্রধারী ক্যাডার ও চাঁদাবাজ’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

​দেলোয়ার সরদার (৪৩) ছাড়াও মামলার অন্য আসামিরা হলেন—সোহেল বিশ্বাস (৩০), জার্মান (৩০), জিয়া (৩৫), হেলাল (৩২), আরিফ (৩১), রাজু বিশ্বাস (৩০), ওহিদ বিশ্বাস (৩০), শফি (৪০) এবং নাসির শেখ (৩২)। আসামিরা সবাই পাংশার বিভিন্ন এলাকার বাসিন্দা।

​​মামলার বিষয়ে তীব্র ক্ষোভ ও আপত্তি জানিয়ে পাংশা বণিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার সরদার বলেন, ​”ঘটনার সময় আমি পাংশা সরদার বাসস্ট্যান্ড এলাকায় ছিলাম। অথচ আমাকে কালুখালীর সোনাপুর বাসস্ট্যান্ড এলাকার মারামারির ঘটনায় ১ নম্বর আসামি করা হয়েছে। রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের ইন্ধনে আমাকে এই মামলায় উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে জড়ানো হয়েছে।”

​এজাহারে আনীত অভিযোগ অস্বীকার করে তিনি আরও বলেন,

​”আমাকে চিহ্নিত অস্ত্রধারী ও চাঁদাবাজ বলা হয়েছে, যা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। আমি পারিবারিকভাবে ছোটবেলা থেকেই বিএনপির রাজনীতির সাথে জড়িত। আমার বাবা মরহুম আব্দুল আজিজ সরদার পাংশা পৌর বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক এবং পাংশা পৌরসভার প্রথম মেয়র ছিলেন। বাবার আদর্শ মেনে আমি রাজনীতি করি এবং বিপুল ভোটে পাংশা বণিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছি। পাংশার একটি মানুষও বলতে পারবে না আমি কখনো সন্ত্রাসী বা চাঁদাবাজি করেছি। আমি প্রশাসনের কাছে সুষ্ঠু ও সঠিক তদন্তের দাবি জানাচ্ছি, যেন তদন্তের মাধ্যমে আমাকে এই মিথ্যা মামলা থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়।”