Dhaka ০৭:৩১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬, ১৫ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পাংশা ইউএনওর প্রশংসনীয় উদ্যোগ

পাংশা প্রতিনিধি
  • প্রকাশের সময় : ০৬:৪১:৩০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৪
  • / 161

অতিবৃষ্টিতে পানি বৃদ্ধির ফলে রাজবাড়ির পাংশায় কৃষকের ফসল নষ্ট হচ্ছিল। সেই খবর জানতে পারেন পাংশা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জাফর সাদিক চৌধুরী। কৃষকের ফসল রক্ষায় পানি চলাচল স্বাভাবিক করতে বৃহস্পতিবার কেটে দেওয়া হয় পাংশা-নাদুড়িয়া ঘাট সড়কের চত্রা নদীর উপর নির্মাণাধীন বৃত্তিডাঙ্গা ব্রীজের ডাইভারশন রোড। এতে কৃষকের দুর্ভোগ কমলেও সড়কে যাতায়াতকারীদের দুর্ভোগ পোহাতে হয়। যেকারণে এলজিইডি বিভাগের সহযোগিতায় লোহার পাত দিয়ে সেতু তৈরি করে দিয়েছেন তিনি। এতে ছোট যানবাহন চলাচল করায় দুর্ভোগ অনেকটাই লাঘব হয়েছে। ইউএনও’র এমন কাজে খুশি সড়কে চলাচলকারীরা।
ভ্যানচালক রহিম মন্ডল বলেন, অতিবৃষ্টিতে পানি বাড়ার কারণে রাস্তা কেটে দেওয়ায় চলাচল করা যাচ্ছিল না। তবে এই সেতু বানানোর পর ভ্যান, সাইকেল,মোটরসাইকেল যাওয়া আসা করতে পারছে।
ইউএনও মোহাম্মদ জাফর সাদিক চৌধুরী বলেন, অতিবৃষ্টিতে পানি বৃদ্ধির ফলে কৃষকের ফসল নষ্ট হচ্ছিল। স্থানীয় জনগনের সহযোগিতায় পানি নিষ্কাশনের জন্য রাস্তা কেটে দেওয়া হয়। এতে কৃষকের উপকার হলেও সড়কে চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। তাই জনসাধারণের দুর্ভোগের কথা চিন্তা করে এলজিইডি’র সহযোগিতায় এই সেতু তৈরি করা হয়েছে। শিগগিরই নির্মাণাধীন ব্রিজটি স্থায়ীভাবে চালু হবে।

 

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

পাংশা ইউএনওর প্রশংসনীয় উদ্যোগ

প্রকাশের সময় : ০৬:৪১:৩০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৪

অতিবৃষ্টিতে পানি বৃদ্ধির ফলে রাজবাড়ির পাংশায় কৃষকের ফসল নষ্ট হচ্ছিল। সেই খবর জানতে পারেন পাংশা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জাফর সাদিক চৌধুরী। কৃষকের ফসল রক্ষায় পানি চলাচল স্বাভাবিক করতে বৃহস্পতিবার কেটে দেওয়া হয় পাংশা-নাদুড়িয়া ঘাট সড়কের চত্রা নদীর উপর নির্মাণাধীন বৃত্তিডাঙ্গা ব্রীজের ডাইভারশন রোড। এতে কৃষকের দুর্ভোগ কমলেও সড়কে যাতায়াতকারীদের দুর্ভোগ পোহাতে হয়। যেকারণে এলজিইডি বিভাগের সহযোগিতায় লোহার পাত দিয়ে সেতু তৈরি করে দিয়েছেন তিনি। এতে ছোট যানবাহন চলাচল করায় দুর্ভোগ অনেকটাই লাঘব হয়েছে। ইউএনও’র এমন কাজে খুশি সড়কে চলাচলকারীরা।
ভ্যানচালক রহিম মন্ডল বলেন, অতিবৃষ্টিতে পানি বাড়ার কারণে রাস্তা কেটে দেওয়ায় চলাচল করা যাচ্ছিল না। তবে এই সেতু বানানোর পর ভ্যান, সাইকেল,মোটরসাইকেল যাওয়া আসা করতে পারছে।
ইউএনও মোহাম্মদ জাফর সাদিক চৌধুরী বলেন, অতিবৃষ্টিতে পানি বৃদ্ধির ফলে কৃষকের ফসল নষ্ট হচ্ছিল। স্থানীয় জনগনের সহযোগিতায় পানি নিষ্কাশনের জন্য রাস্তা কেটে দেওয়া হয়। এতে কৃষকের উপকার হলেও সড়কে চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। তাই জনসাধারণের দুর্ভোগের কথা চিন্তা করে এলজিইডি’র সহযোগিতায় এই সেতু তৈরি করা হয়েছে। শিগগিরই নির্মাণাধীন ব্রিজটি স্থায়ীভাবে চালু হবে।