Dhaka ০৬:৫২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬, ২৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ:
‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ মানে বাংলাদেশকে প্রস্তুত করা: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী কালীগঞ্জে কোলা ইউনিয়ন বিএনপির মানবিক উদ্যোগ রূপপুর প্রকল্পে প্রথম পারমাণবিক বিক্রিয়ার অনুমতি টিকটকে যুক্ত হলো নতুন দুই সুবিধা পাঁচ ঘণ্টা প্ল্যাঙ্ক করে বিশ্বরেকর্ড ভাঙলেন ৬১ বছরের নারী শূন্য থেকে শিখরে: কত সম্পদ রেখে গেলেন নানা পাটেকার জবির দ্বিতীয় সমাবর্তন ৩০ জানুয়ারি, নিবন্ধন শুরু ১৫ অক্টোবর পর্যাপ্ত সরবরাহ থাকায় রমজানে পণ্যের সংকট হবে না : বাণিজ্যমন্ত্রী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে মেয়েদের জন্য খেলাধুলার পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে : প্রতিমন্ত্রী ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে ৫ জনের মৃত্যু, হাতপাতালে ভর্তি ১৯৩৫

শরীয়তপুরে উত্তপ্ত মাটির সন্ধান, ফায়ার সার্ভিসও পারেনি ঠান্ডা করতে

ডেস্ক নিউজ
  • প্রকাশের সময় : ০৯:১২:৪৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ৬ জুন ২০২৬
  • / 139

শরীয়তপুরের গোসাইরহাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স প্রাঙ্গণে একটি নির্দিষ্ট স্থানে মাটি অস্বাভাবিকরকম গরম অনুভূত হচ্ছে। গত দুই দিনের বেশি সময় ধরে হাসপাতালের প্রধান প্রবেশপথ সংলগ্ন প্রায় ৫০ ফুট এলাকাজুড়ে মাটির তাপমাত্রা স্বাভাবিকের তুলনায় অনেক বেশি বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

শনিবার (৬ জুন) বিকেলে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, রহস্যজনক এ তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলে কাজ করছেন। তারা মাটির নিচে গর্ত করে পানি ঢেলে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছেন। তবে বারবার পানি প্রয়োগের পরও তাপমাত্রা পুরোপুরি স্বাভাবিক করা সম্ভব হয়নি।

হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, কয়েকদিন আগে প্রথমে ওই স্থানে মাটি গরম থাকার বিষয়টি নজরে আসে। পরে ধীরে ধীরে খবরটি ছড়িয়ে পড়লে ঘটনাস্থলে উৎসুক মানুষের ভিড় বাড়তে থাকে। একই সঙ্গে সম্ভাব্য কোনো দুর্ঘটনা বা ঝুঁকির আশঙ্কায় উদ্বিগ্ন হয়ে ওঠেন স্থানীয় বাসিন্দারাও।

এ বিষয়ে গোসাইরহাট উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. হাফিজুল রহমান মিয়া বলেন, ‘ঘটনাটি জানার পর আমরা দ্রুত বিষয়টি সংশ্লিষ্ট প্রশাসন, ফায়ার সার্ভিস ও বিদ্যুৎ বিভাগকে অবহিত করেছি। রোগী, স্বজন ও হাসপাতাল কর্মীদের নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে।’

প্রাথমিক তদন্তে বিদ্যুৎ সংক্রান্ত কোনো ত্রুটির প্রমাণ মেলেনি বলে জানিয়েছেন গোসাইরহাট পল্লী বিদ্যুতের ডিজিএম মো. আব্দুল মতিন। তিনি বলেন, ‘আমাদের প্রকৌশলীরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। এখন পর্যন্ত বিদ্যুৎ লিকেজ বা লাইনের কোনো সমস্যার আলামত পাওয়া যায়নি। তবুও সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে ওই এলাকার বিদ্যুৎ সংযোগ সাময়িকভাবে বিচ্ছিন্ন রাখা হয়েছে।’

গোসাইরহাট ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের কর্মকর্তা এবিএম বাসার বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হয়েছিল মাটির নিচে কোনো কারণে তাপ সৃষ্টি হয়েছে। কিন্তু পানি প্রয়োগের পরও তাপমাত্রা পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসেনি। মাটির গভীর অংশ থেকেও তাপ অনুভূত হচ্ছে। তাই বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। প্রকৃত কারণ জানতে বিশেষজ্ঞদের মতামত প্রয়োজন।

এ বিষয়ে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) শেখ নওসাদ হাসান বলেন, ঘটনার উৎস শনাক্ত করতে প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষার উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞদের সহায়তায় বিষয়টির কারণ অনুসন্ধান করা হবে।

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

শরীয়তপুরে উত্তপ্ত মাটির সন্ধান, ফায়ার সার্ভিসও পারেনি ঠান্ডা করতে

প্রকাশের সময় : ০৯:১২:৪৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ৬ জুন ২০২৬

শরীয়তপুরের গোসাইরহাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স প্রাঙ্গণে একটি নির্দিষ্ট স্থানে মাটি অস্বাভাবিকরকম গরম অনুভূত হচ্ছে। গত দুই দিনের বেশি সময় ধরে হাসপাতালের প্রধান প্রবেশপথ সংলগ্ন প্রায় ৫০ ফুট এলাকাজুড়ে মাটির তাপমাত্রা স্বাভাবিকের তুলনায় অনেক বেশি বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

শনিবার (৬ জুন) বিকেলে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, রহস্যজনক এ তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলে কাজ করছেন। তারা মাটির নিচে গর্ত করে পানি ঢেলে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছেন। তবে বারবার পানি প্রয়োগের পরও তাপমাত্রা পুরোপুরি স্বাভাবিক করা সম্ভব হয়নি।

হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, কয়েকদিন আগে প্রথমে ওই স্থানে মাটি গরম থাকার বিষয়টি নজরে আসে। পরে ধীরে ধীরে খবরটি ছড়িয়ে পড়লে ঘটনাস্থলে উৎসুক মানুষের ভিড় বাড়তে থাকে। একই সঙ্গে সম্ভাব্য কোনো দুর্ঘটনা বা ঝুঁকির আশঙ্কায় উদ্বিগ্ন হয়ে ওঠেন স্থানীয় বাসিন্দারাও।

এ বিষয়ে গোসাইরহাট উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. হাফিজুল রহমান মিয়া বলেন, ‘ঘটনাটি জানার পর আমরা দ্রুত বিষয়টি সংশ্লিষ্ট প্রশাসন, ফায়ার সার্ভিস ও বিদ্যুৎ বিভাগকে অবহিত করেছি। রোগী, স্বজন ও হাসপাতাল কর্মীদের নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে।’

প্রাথমিক তদন্তে বিদ্যুৎ সংক্রান্ত কোনো ত্রুটির প্রমাণ মেলেনি বলে জানিয়েছেন গোসাইরহাট পল্লী বিদ্যুতের ডিজিএম মো. আব্দুল মতিন। তিনি বলেন, ‘আমাদের প্রকৌশলীরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। এখন পর্যন্ত বিদ্যুৎ লিকেজ বা লাইনের কোনো সমস্যার আলামত পাওয়া যায়নি। তবুও সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে ওই এলাকার বিদ্যুৎ সংযোগ সাময়িকভাবে বিচ্ছিন্ন রাখা হয়েছে।’

গোসাইরহাট ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের কর্মকর্তা এবিএম বাসার বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হয়েছিল মাটির নিচে কোনো কারণে তাপ সৃষ্টি হয়েছে। কিন্তু পানি প্রয়োগের পরও তাপমাত্রা পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসেনি। মাটির গভীর অংশ থেকেও তাপ অনুভূত হচ্ছে। তাই বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। প্রকৃত কারণ জানতে বিশেষজ্ঞদের মতামত প্রয়োজন।

এ বিষয়ে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) শেখ নওসাদ হাসান বলেন, ঘটনার উৎস শনাক্ত করতে প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষার উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞদের সহায়তায় বিষয়টির কারণ অনুসন্ধান করা হবে।