Dhaka ০৯:৫১ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৩ জুন ২০২৬, ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ:
অবহেলায় মায়ের মৃত্যু : যুগ্ম সচিব ছেলেকে দায়িত্ব থেকে প্রত্যাহার আদ-দ্বীনে ৬ নবজাতকের মৃত্যু : স্বাস্থ্যমন্ত্রীর কাছে তদন্ত প্রতিবেদন জমা ঢাকা মহানগর জাতীয়তাবাদী হিন্দু ছাত্র ফোরামের নেতৃত্বে জবির সৈকত-তূর্ণা নওগাঁয় ডিসি-এসপি পরিচয়ে চাঁদাবাজি, ডিবির হাতে প্রতারক গ্রেপ্তার পত্নীতলায় প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে নিয়োগ বাণিজ্য ও অসৌজন্যমূলক আচরণের অভিযোগ নেপালকে হারিয়ে ফাইনালে বাংলাদেশ রাজবাড়ীতে ইয়াবাসহ জুতার দোকানের কর্মচারী আটক সোনামসজিদ স্থলবন্দরে আমদানি-রফতানি শুরু ৬ নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনায় অপরাধী ছাড়া পাবে না : স্বাস্থ্যমন্ত্রী দিল্লিতে রেস্তোরাঁয় আগুনের ঘটনায় ৫ বাংলাদেশী আহত

পত্নীতলায় প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে নিয়োগ বাণিজ্য ও অসৌজন্যমূলক আচরণের অভিযোগ

খোরশেদ আলম, নওগাঁ প্রতিনিধি
  • প্রকাশের সময় : ০৭:১৮:০২ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩ জুন ২০২৬
  • / 57

নওগাঁর পত্নীতলা উপজেলার মহেশপুর জুনিয়র স্কুলে শিক্ষক নিয়োগকে কেন্দ্র করে ব্যাপক অনিয়ম, জালিয়াতি এবং এমপিও বাণিজ্যের অভিযোগ উঠেছে। একই সঙ্গে অভিযোগের বিষয়ে তথ্য জানতে চাইলে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক অসৌজন্যমূলক আচরণ করেছেন বলেও অভিযোগ উঠেছে।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, মহেশপুর জুনিয়র স্কুলে (ষষ্ঠ থেকে অষ্টম শ্রেণি, EIIN-134294) ২০২২ সালে চারজন শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হয়। অভিযোগ রয়েছে, ২০০২ ও ২০০৪ সালের ব্যাকডেটের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি এবং ম্যানেজিং কমিটির কাগজপত্র ব্যবহার করে রাজনৈতিক প্রভাব ও বিপুল অর্থের বিনিময়ে ওই নিয়োগ সম্পন্ন করা হয়েছে।

স্থানীয় সূত্র, প্রাক্তন শিক্ষার্থী, বর্তমান স্টাফ ও সাবেক ম্যানেজিং কমিটির সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে অভিযোগের বিভিন্ন বিষয়ে প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া গেছে বলে জানা গেছে। বিষয়টি নিয়ে এলাকাজুড়ে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।

অভিযোগে বলা হয়, সম্প্রতি একযোগে ঘোষিত এমপিও তালিকায় বিদ্যালয়টি অন্তর্ভুক্ত হওয়ার পর নিয়োগপ্রাপ্ত চার শিক্ষক এমপিওভুক্তির প্রক্রিয়া শুরু করেন। তাদের মধ্যে সাধারণ গণিত বিষয়ে নিয়োগপ্রাপ্ত আহমেদ আউয়ালের ডিগ্রি পাস কোর্সে তৃতীয় বিভাগ রয়েছে। অন্যদের মধ্যে রয়েছেন শরীরচর্চা বিষয়ে সেলিম পারভেজ, কাব্যতীর্থ ডিগ্রিধারী বুলবুলি রানী এবং কৃষি ডিপ্লোমাধারী কাঞ্চন কুমার। অভিযোগকারীদের দাবি, তাদের কারও এনটিআরসিএ নিবন্ধন নেই।

অভিযোগকারীরা জানান, ২০১১ সাল থেকে পরিচালিত অনলাইন ব্যানবেইজ জরিপ, বিদ্যালয়ের হাজিরা খাতা এবং স্থানীয়দের সাক্ষ্য অনুযায়ী এসব শিক্ষক ২০১৫-১৬ সালের আগে বিদ্যালয়ে কর্মরত ছিলেন না। পরবর্তীতে ব্যাকডেটের কাগজপত্র ব্যবহার করে তাদের নিয়োগ দেখানো হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে।

বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাকালীন শিক্ষক সামসুল আলম মিলন, আব্দুল জলিল, শ্রী দিবাকর ও আলমগীর কবিরসহ সাবেক ম্যানেজিং কমিটির সদস্য এবং স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের অনেকেই অভিযোগের পক্ষে বক্তব্য দিয়েছেন বলে জানা গেছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিদ্যালয়ের এক কর্মচারী বলেন, “অভিযোগে উল্লেখিত চারজন শিক্ষককে ২০১৫ সালের আগে বিদ্যালয়ে দেখিনি। তবে তাদের নিয়োগ কীভাবে হয়েছে, সে বিষয়ে আমার জানা নেই।”

একাধিক প্রাক্তন শিক্ষার্থী জানান, ২০০৯ থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত তারা বিদ্যালয়ে অধ্যয়ন করেছেন। ওই সময়ে অভিযোগে উল্লিখিত শিক্ষকদের কাউকে বিদ্যালয়ে দেখেননি। তারা বিষয়টি নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য উদঘাটনের দাবি জানান।

এদিকে নিয়োগ সংক্রান্ত অভিযোগ ও অডিট কার্যক্রমের অংশ হিসেবে পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদপ্তরের শিক্ষা পরিদর্শক সঞ্জয় চন্দ্র মণ্ডল সম্প্রতি বিদ্যালয়টি পরিদর্শন করেন। তিনি তদন্ত ও নিরীক্ষা কার্যক্রম সম্পন্ন করেন।

তবে স্থানীয় একাধিক সূত্রের দাবি, পরিদর্শন শেষে সংশ্লিষ্ট শিক্ষকদের কাছ থেকে অর্থ সংগ্রহ করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, তদন্তকারী কর্মকর্তাকে ‘ম্যানেজ’ করার কথা বলে অর্থ উত্তোলনের চেষ্টা করা হয়। যদিও এ অভিযোগের পক্ষে স্বাধীনভাবে কোনো প্রামাণ্য দলিল পাওয়া যায়নি।

এ বিষয়ে শিক্ষা পরিদর্শক সঞ্জয় চন্দ্র মণ্ডল বলেন, “নিয়োগ সংক্রান্ত অভিযোগ এবং অডিট—উভয় বিষয়ে তদন্ত করা হয়েছে। প্রয়োজনীয় কিছু কাগজপত্র চাওয়া হয়েছে। সেগুলো পাওয়ার পর যাচাই-বাছাই শেষে প্রতিবেদন দাখিল করা হবে।”

অর্থ লেনদেনের অভিযোগ সম্পর্কে তিনি বলেন, “এ ধরনের কোনো বিষয়ে আমার সঙ্গে কারও কথা হয়নি। বিষয়টি প্রধান শিক্ষকের সঙ্গে কথা বলে দেখব।”

অভিযোগের বিষয়ে জানতে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মকবুল হোসেনের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি নির্দিষ্ট অভিযোগের বিষয়ে মন্তব্য করতে রাজি হননি। বরং প্রতিবেদককে বিদ্যালয়ে এসে সরাসরি কথা বলার আহ্বান জানান। তবে ফোনে কোনো প্রশ্নের স্পষ্ট উত্তর দেননি।

অপরদিকে, অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য প্রধান শিক্ষক বকুলের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি প্রতিবেদকের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ করেন বলে অভিযোগ ওঠে।

এই প্রতিবেদকের দাবি, তিনি ফোনে জানতে চাইলে প্রধান শিক্ষক প্রথমে পরিচয় নিয়ে প্রশ্ন তোলেন এবং বলেন, “অফিস সময়ের বাইরে কেন ফোন দিয়েছেন?” এ সময় তিনি উত্তেজিত আচরণ করেন বলেও অভিযোগ করা হয়েছে।

এ বিষয়ে পত্নীতলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রিফাত আরার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, বিষয়টি তার জানা ছিল না। পরবর্তীতে কলরেকর্ডসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র তার হোয়াটসঅ্যাপে পাঠানো হয়েছে। তিনি বলেন, “কাগজপত্র যাচাই-বাছাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”

স্থানীয় সচেতন মহলের দাবি, অযোগ্য ও অনিবন্ধিত শিক্ষকদের মাধ্যমে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মান ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। তারা অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত, অবৈধ নিয়োগ বাতিল এবং এনটিআরসিএ নিবন্ধিত যোগ্য শিক্ষকদের নিয়োগ নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন। পাশাপাশি অভিযোগে জড়িতদের বিরুদ্ধে যথাযথ প্রশাসনিক ও বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

পত্নীতলায় প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে নিয়োগ বাণিজ্য ও অসৌজন্যমূলক আচরণের অভিযোগ

প্রকাশের সময় : ০৭:১৮:০২ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩ জুন ২০২৬

নওগাঁর পত্নীতলা উপজেলার মহেশপুর জুনিয়র স্কুলে শিক্ষক নিয়োগকে কেন্দ্র করে ব্যাপক অনিয়ম, জালিয়াতি এবং এমপিও বাণিজ্যের অভিযোগ উঠেছে। একই সঙ্গে অভিযোগের বিষয়ে তথ্য জানতে চাইলে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক অসৌজন্যমূলক আচরণ করেছেন বলেও অভিযোগ উঠেছে।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, মহেশপুর জুনিয়র স্কুলে (ষষ্ঠ থেকে অষ্টম শ্রেণি, EIIN-134294) ২০২২ সালে চারজন শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হয়। অভিযোগ রয়েছে, ২০০২ ও ২০০৪ সালের ব্যাকডেটের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি এবং ম্যানেজিং কমিটির কাগজপত্র ব্যবহার করে রাজনৈতিক প্রভাব ও বিপুল অর্থের বিনিময়ে ওই নিয়োগ সম্পন্ন করা হয়েছে।

স্থানীয় সূত্র, প্রাক্তন শিক্ষার্থী, বর্তমান স্টাফ ও সাবেক ম্যানেজিং কমিটির সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে অভিযোগের বিভিন্ন বিষয়ে প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া গেছে বলে জানা গেছে। বিষয়টি নিয়ে এলাকাজুড়ে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।

অভিযোগে বলা হয়, সম্প্রতি একযোগে ঘোষিত এমপিও তালিকায় বিদ্যালয়টি অন্তর্ভুক্ত হওয়ার পর নিয়োগপ্রাপ্ত চার শিক্ষক এমপিওভুক্তির প্রক্রিয়া শুরু করেন। তাদের মধ্যে সাধারণ গণিত বিষয়ে নিয়োগপ্রাপ্ত আহমেদ আউয়ালের ডিগ্রি পাস কোর্সে তৃতীয় বিভাগ রয়েছে। অন্যদের মধ্যে রয়েছেন শরীরচর্চা বিষয়ে সেলিম পারভেজ, কাব্যতীর্থ ডিগ্রিধারী বুলবুলি রানী এবং কৃষি ডিপ্লোমাধারী কাঞ্চন কুমার। অভিযোগকারীদের দাবি, তাদের কারও এনটিআরসিএ নিবন্ধন নেই।

অভিযোগকারীরা জানান, ২০১১ সাল থেকে পরিচালিত অনলাইন ব্যানবেইজ জরিপ, বিদ্যালয়ের হাজিরা খাতা এবং স্থানীয়দের সাক্ষ্য অনুযায়ী এসব শিক্ষক ২০১৫-১৬ সালের আগে বিদ্যালয়ে কর্মরত ছিলেন না। পরবর্তীতে ব্যাকডেটের কাগজপত্র ব্যবহার করে তাদের নিয়োগ দেখানো হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে।

বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাকালীন শিক্ষক সামসুল আলম মিলন, আব্দুল জলিল, শ্রী দিবাকর ও আলমগীর কবিরসহ সাবেক ম্যানেজিং কমিটির সদস্য এবং স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের অনেকেই অভিযোগের পক্ষে বক্তব্য দিয়েছেন বলে জানা গেছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিদ্যালয়ের এক কর্মচারী বলেন, “অভিযোগে উল্লেখিত চারজন শিক্ষককে ২০১৫ সালের আগে বিদ্যালয়ে দেখিনি। তবে তাদের নিয়োগ কীভাবে হয়েছে, সে বিষয়ে আমার জানা নেই।”

একাধিক প্রাক্তন শিক্ষার্থী জানান, ২০০৯ থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত তারা বিদ্যালয়ে অধ্যয়ন করেছেন। ওই সময়ে অভিযোগে উল্লিখিত শিক্ষকদের কাউকে বিদ্যালয়ে দেখেননি। তারা বিষয়টি নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য উদঘাটনের দাবি জানান।

এদিকে নিয়োগ সংক্রান্ত অভিযোগ ও অডিট কার্যক্রমের অংশ হিসেবে পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদপ্তরের শিক্ষা পরিদর্শক সঞ্জয় চন্দ্র মণ্ডল সম্প্রতি বিদ্যালয়টি পরিদর্শন করেন। তিনি তদন্ত ও নিরীক্ষা কার্যক্রম সম্পন্ন করেন।

তবে স্থানীয় একাধিক সূত্রের দাবি, পরিদর্শন শেষে সংশ্লিষ্ট শিক্ষকদের কাছ থেকে অর্থ সংগ্রহ করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, তদন্তকারী কর্মকর্তাকে ‘ম্যানেজ’ করার কথা বলে অর্থ উত্তোলনের চেষ্টা করা হয়। যদিও এ অভিযোগের পক্ষে স্বাধীনভাবে কোনো প্রামাণ্য দলিল পাওয়া যায়নি।

এ বিষয়ে শিক্ষা পরিদর্শক সঞ্জয় চন্দ্র মণ্ডল বলেন, “নিয়োগ সংক্রান্ত অভিযোগ এবং অডিট—উভয় বিষয়ে তদন্ত করা হয়েছে। প্রয়োজনীয় কিছু কাগজপত্র চাওয়া হয়েছে। সেগুলো পাওয়ার পর যাচাই-বাছাই শেষে প্রতিবেদন দাখিল করা হবে।”

অর্থ লেনদেনের অভিযোগ সম্পর্কে তিনি বলেন, “এ ধরনের কোনো বিষয়ে আমার সঙ্গে কারও কথা হয়নি। বিষয়টি প্রধান শিক্ষকের সঙ্গে কথা বলে দেখব।”

অভিযোগের বিষয়ে জানতে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মকবুল হোসেনের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি নির্দিষ্ট অভিযোগের বিষয়ে মন্তব্য করতে রাজি হননি। বরং প্রতিবেদককে বিদ্যালয়ে এসে সরাসরি কথা বলার আহ্বান জানান। তবে ফোনে কোনো প্রশ্নের স্পষ্ট উত্তর দেননি।

অপরদিকে, অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য প্রধান শিক্ষক বকুলের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি প্রতিবেদকের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ করেন বলে অভিযোগ ওঠে।

এই প্রতিবেদকের দাবি, তিনি ফোনে জানতে চাইলে প্রধান শিক্ষক প্রথমে পরিচয় নিয়ে প্রশ্ন তোলেন এবং বলেন, “অফিস সময়ের বাইরে কেন ফোন দিয়েছেন?” এ সময় তিনি উত্তেজিত আচরণ করেন বলেও অভিযোগ করা হয়েছে।

এ বিষয়ে পত্নীতলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রিফাত আরার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, বিষয়টি তার জানা ছিল না। পরবর্তীতে কলরেকর্ডসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র তার হোয়াটসঅ্যাপে পাঠানো হয়েছে। তিনি বলেন, “কাগজপত্র যাচাই-বাছাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”

স্থানীয় সচেতন মহলের দাবি, অযোগ্য ও অনিবন্ধিত শিক্ষকদের মাধ্যমে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মান ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। তারা অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত, অবৈধ নিয়োগ বাতিল এবং এনটিআরসিএ নিবন্ধিত যোগ্য শিক্ষকদের নিয়োগ নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন। পাশাপাশি অভিযোগে জড়িতদের বিরুদ্ধে যথাযথ প্রশাসনিক ও বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন এলাকাবাসী।