Dhaka ০৯:০৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬, ১৪ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

স্ত্রীকে নির্যাতন, র‌্যাবের হাতে গ্রেফতার স্বামী

স্টাফ রিপোর্টার
  • প্রকাশের সময় : ০৬:৪০:১৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ মে ২০২৫
  • / 97

 যৌতুক না পেয়ে স্ত্রীকে নির্যাতন ও গর্ভপাত ঘটানোর অভিযোগে হাবিব মোল্লা (২৪) নামে এক যুবককে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-১০ এর সদস্যরা। শুক্রবার রাজবাড়ীর কালুখালী উপজেলার বাংলাদেশ হাট এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতার হাবিব পাংশা উপজেলার বড় চৌবাড়িয়া গ্রামের হাচেন আলীর ছেলে।

মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০২৩ সালের ২৩ ফেব্রæয়ারি হাবিব মোল্লার সঙ্গে কালুখালী উপজেলার পাকশিয়া গ্রামের বারেক শেখের মেয়ে সুমাইয়া আক্তার বিথির পারিবারিকভাবে বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই হাবিব ও তার পরিবারের সদস্যরা বিথির কাছে ১০ লাখ টাকা যৌতুক দাবি করে আসছিলেন। হাবিবকে নগদ আড়াই লাখ টাকা ও একটি গাভী দেওয়া হয়। কিন্তু কিছুদিন না যেতেই আবারও ১০ লাখ টাকা দাবি করে শুরু হয় শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন।

২০২৪ সালের ১ এপ্রিল, যৌতুক দিতে অস্বীকৃতি জানানোয় হাবিব ও তার পরিবারের সদস্যরা ৪ মাসের অন্ত¡সত্ত¡া বিথিকে বেধড়ক মারধর করেন। এরপর তাকে একটি হোমিওপ্যাথি দোকান থেকে ওষুধ এনে তাকে জোর করে খাওয়ানো হয়। যার ফলে বিথি অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরিবারের লোকজন বিষয়টি জানতে পেরে বিথিকে পাংশা শহরের একটি ক্লিনিকে ভর্তি করেন। ক্লিনিকের চিকিৎসকরা জানান, গর্ভের সন্তান নষ্ট হয়ে গেছে। চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী বিথির গর্ভপাত করানো হয়। এ ঘটনায় বিথির মা রাবেয়া বেগম বাদী হয়ে গত ৬ মে পাংশা মডেল থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলায় হাবিব মোল্লাসহ তার বাবা হাচেন আলী, মা জাহানারা বেগম, বোন হাসি খাতুন এবং ভগ্নিপতি ফজলু আলী মোল্লাকে আসামি করা হয়।

র‌্যাব-১০ ফরিদপুর ক্যাম্পের সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) শামীম হাসান সরদার জানান, শুক্রবার বিকেলে কালুখালী উপজেলার বাংলাদেশ হাট এলাকা থেকে মামলার প্রধান আসামি হাবিব মোল্লাকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

স্ত্রীকে নির্যাতন, র‌্যাবের হাতে গ্রেফতার স্বামী

প্রকাশের সময় : ০৬:৪০:১৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ মে ২০২৫

 যৌতুক না পেয়ে স্ত্রীকে নির্যাতন ও গর্ভপাত ঘটানোর অভিযোগে হাবিব মোল্লা (২৪) নামে এক যুবককে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-১০ এর সদস্যরা। শুক্রবার রাজবাড়ীর কালুখালী উপজেলার বাংলাদেশ হাট এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতার হাবিব পাংশা উপজেলার বড় চৌবাড়িয়া গ্রামের হাচেন আলীর ছেলে।

মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০২৩ সালের ২৩ ফেব্রæয়ারি হাবিব মোল্লার সঙ্গে কালুখালী উপজেলার পাকশিয়া গ্রামের বারেক শেখের মেয়ে সুমাইয়া আক্তার বিথির পারিবারিকভাবে বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই হাবিব ও তার পরিবারের সদস্যরা বিথির কাছে ১০ লাখ টাকা যৌতুক দাবি করে আসছিলেন। হাবিবকে নগদ আড়াই লাখ টাকা ও একটি গাভী দেওয়া হয়। কিন্তু কিছুদিন না যেতেই আবারও ১০ লাখ টাকা দাবি করে শুরু হয় শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন।

২০২৪ সালের ১ এপ্রিল, যৌতুক দিতে অস্বীকৃতি জানানোয় হাবিব ও তার পরিবারের সদস্যরা ৪ মাসের অন্ত¡সত্ত¡া বিথিকে বেধড়ক মারধর করেন। এরপর তাকে একটি হোমিওপ্যাথি দোকান থেকে ওষুধ এনে তাকে জোর করে খাওয়ানো হয়। যার ফলে বিথি অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরিবারের লোকজন বিষয়টি জানতে পেরে বিথিকে পাংশা শহরের একটি ক্লিনিকে ভর্তি করেন। ক্লিনিকের চিকিৎসকরা জানান, গর্ভের সন্তান নষ্ট হয়ে গেছে। চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী বিথির গর্ভপাত করানো হয়। এ ঘটনায় বিথির মা রাবেয়া বেগম বাদী হয়ে গত ৬ মে পাংশা মডেল থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলায় হাবিব মোল্লাসহ তার বাবা হাচেন আলী, মা জাহানারা বেগম, বোন হাসি খাতুন এবং ভগ্নিপতি ফজলু আলী মোল্লাকে আসামি করা হয়।

র‌্যাব-১০ ফরিদপুর ক্যাম্পের সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) শামীম হাসান সরদার জানান, শুক্রবার বিকেলে কালুখালী উপজেলার বাংলাদেশ হাট এলাকা থেকে মামলার প্রধান আসামি হাবিব মোল্লাকে গ্রেফতার করা হয়েছে।