Dhaka ১১:৫৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬, ১৪ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বিদ্যালয়ের সীমানা নির্ধারণ না করেই ফিরে গেলেন এসিল্যান্ড

পাংশা প্রতিনিধি
  • প্রকাশের সময় : ০৯:০৮:৫৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ৫ মার্চ ২০২৫
  • / 190

 রাজবাড়ীর পাংশা উপজেলার সেনগ্রামপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে স্বেচ্ছাচারিতা,অনিয়ম ও জবরদখলের অভিযোগ তোলে গ্রামবাসী। এমন অভিযোগের প্রেক্ষিতে গত সোমবার পাংশা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো: আমিনুল ইসলাম বিদ্যালয়ের সীমানা নির্ধারণ করতে যান। এসময় উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার (ভারপ্রাপ্ত) মোজাফফের, হাবাসপুর ইউনিয়ন ভুমি সহকারী মো: রেজওয়ান মিয়া ও সরকারি সার্ভেয়ার মো: রাসেল উপস্থিত ছিলেন। প্রধান শিক্ষকের পক্ষে ছিলেন সার্ভেয়ার তোফাজ্জেল হোসেন। দীর্ঘ সময় মাপামাপি এক পর্যায়ে সমাধান না করেই ফিরে যান উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও তার সাথে আসা উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার ও সার্ভেয়ার। উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) সমস্যার সমাধান না করেই বিদ্যালয় থেকে ফিরে গেলে গ্রামবাসীর রোষাণলে পড়েন প্রধান শিক্ষক ও সার্ভেয়ার। পরে পাংশা মডেল থানার পুলিশ তাদের উদ্ধার করে নিয়ে আসে।

ঘটনা পর দিন মঙ্গলবার সকালে গ্রামবাসী ইউএনওর কাছে অভিযোগ করেন, প্রধান শিক্ষক ব্যক্তিগত স্বার্থ হাসিলের জন্যই নিজস্ব সার্ভেয়ার রেখে মাপামাপিতে ব্যাঘাত ঘটিয়েছে।

মো: ইউসুফ আলী মোল্লা বলেন, এই বিদ্যালয়ের জমি দিয়ে প্রধান শিক্ষক হয়েছেন মো: আব্দুল হামিদ। তবে সে আমাদের বসত বাড়ির জমি বে-আইনি ভাবে দখল করে রেখেছে। অথচ প্রধান শিক্ষক তার ভাইয়ের বাড়ি করে দিয়েছে বিদ্যালয়ের জমিতে। আমাদের যে জমি স্কুলে চলে গেছে তা ফিরে পেতে চাই না। তবে আমাদের জমি বাদ দিয়ে স্কুলে ৩৩ শতক জমি দেখতে চাই।

পাংশা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এস এম আবু দারদা বলেন, প্রধান শিক্ষক ব্যক্তিগত সার্ভেয়ার রেখে ঝামেলা বাঁধিয়েছে। আবারও নতুন করে মাপামাপি হবে।

 

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

বিদ্যালয়ের সীমানা নির্ধারণ না করেই ফিরে গেলেন এসিল্যান্ড

প্রকাশের সময় : ০৯:০৮:৫৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ৫ মার্চ ২০২৫

 রাজবাড়ীর পাংশা উপজেলার সেনগ্রামপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে স্বেচ্ছাচারিতা,অনিয়ম ও জবরদখলের অভিযোগ তোলে গ্রামবাসী। এমন অভিযোগের প্রেক্ষিতে গত সোমবার পাংশা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো: আমিনুল ইসলাম বিদ্যালয়ের সীমানা নির্ধারণ করতে যান। এসময় উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার (ভারপ্রাপ্ত) মোজাফফের, হাবাসপুর ইউনিয়ন ভুমি সহকারী মো: রেজওয়ান মিয়া ও সরকারি সার্ভেয়ার মো: রাসেল উপস্থিত ছিলেন। প্রধান শিক্ষকের পক্ষে ছিলেন সার্ভেয়ার তোফাজ্জেল হোসেন। দীর্ঘ সময় মাপামাপি এক পর্যায়ে সমাধান না করেই ফিরে যান উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও তার সাথে আসা উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার ও সার্ভেয়ার। উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) সমস্যার সমাধান না করেই বিদ্যালয় থেকে ফিরে গেলে গ্রামবাসীর রোষাণলে পড়েন প্রধান শিক্ষক ও সার্ভেয়ার। পরে পাংশা মডেল থানার পুলিশ তাদের উদ্ধার করে নিয়ে আসে।

ঘটনা পর দিন মঙ্গলবার সকালে গ্রামবাসী ইউএনওর কাছে অভিযোগ করেন, প্রধান শিক্ষক ব্যক্তিগত স্বার্থ হাসিলের জন্যই নিজস্ব সার্ভেয়ার রেখে মাপামাপিতে ব্যাঘাত ঘটিয়েছে।

মো: ইউসুফ আলী মোল্লা বলেন, এই বিদ্যালয়ের জমি দিয়ে প্রধান শিক্ষক হয়েছেন মো: আব্দুল হামিদ। তবে সে আমাদের বসত বাড়ির জমি বে-আইনি ভাবে দখল করে রেখেছে। অথচ প্রধান শিক্ষক তার ভাইয়ের বাড়ি করে দিয়েছে বিদ্যালয়ের জমিতে। আমাদের যে জমি স্কুলে চলে গেছে তা ফিরে পেতে চাই না। তবে আমাদের জমি বাদ দিয়ে স্কুলে ৩৩ শতক জমি দেখতে চাই।

পাংশা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এস এম আবু দারদা বলেন, প্রধান শিক্ষক ব্যক্তিগত সার্ভেয়ার রেখে ঝামেলা বাঁধিয়েছে। আবারও নতুন করে মাপামাপি হবে।