Dhaka ১১:৪৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০২ জুন ২০২৬, ১৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ:
হরমুজ খুলে দিলেও ইরানের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার নয়: যুক্তরাষ্ট্র ঝিনাইদহে ইসলামী ব্যাংকের গ্রাহকদের মানববন্ধন প্রতিষ্ঠানের নাম পাল্টে মায়ের নামে করার প্রস্তাব নাকচ করলেন প্রধানমন্ত্রী নওগাঁর নিয়ামতপুরে ২০০ লিটার চোলাই মদসহ আটক ১ জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে সভাপতি নির্বাচিত হলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান ব্যাটারিচালিত রিকশা মহানগর এলাকার বাইরে নেওয়ার চিন্তা-ভাবনা চলছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বাংলাদেশে একটা বড় খুন হয়েছিল, কাকে দিয়ে করিয়েছিলেন সবটাই জানি: মমতা জিয়াউর রহমানের ৪৫তম মৃত্যুবার্ষিকীতে জবি ছাত্রদলের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি স্বাস্থ্যমন্ত্রীর চামচে ফুঁ দিয়ে ভাইরাল হওয়া লোকটি কে? ন্যাশনাল এডিটরস কাউন্সিলের আত্মপ্রকাশ

‘আ. লীগের ঠিকানা ভোলায় হবে না’ তোফায়েল আহমেদের মরদেহ নিয়ে ছাত্রদল-যুবদলের স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
  • প্রকাশের সময় : ০৫:৪২:২০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ জুন ২০২৬
  • / 14

বাংলাদেশের রাজনীতির নানা বাঁক-বদলের অন্যতম সাক্ষী, প্রবীণ আওয়ামী লীগ নেতা তোফায়েল আহমেদের জানাজার আগে ভোলায় বিক্ষোভ প্রদর্শন করেছে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল ও যুবদলের নেতাকর্মীরা।

মঙ্গলবার (২ জুন) বেলা ১১টার দিকে ছাত্রদল ও যুবদলের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী জানাজাস্থল ভোলা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে জড়ো হয়ে বিক্ষোভ করেন।

‘আওয়ামী লীগের ঠিকানা এই ভোলায় হবে না’সহ নানা স্লোগান দেন নেতাকর্মীরা। নেতাকর্মীদের দাবি— তোফায়েল আহমেদ ভোলার ছাত্রদল নেতা নুরে আলম এবং যুবদল নেতা রহিমের হত্যাকাণ্ডের মূল পরিকল্পনাকারী। এই অভিযোগে তারা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠে এই প্রবীণ নেতার জানাজা না পড়ানোর দাবি জানান এবং বিভিন্ন স্লোগান দিতে থাকেন।

মাঠে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়লে তাৎক্ষণিকভাবে সেখানে উপস্থিত হন জেলা বিএনপির সদস্য সচিব রাইসুল আলমসহ বিএনপির জ্যেষ্ঠ নেতারা। তারা বিক্ষুব্ধ নেতাকর্মীদের বুঝিয়ে মাঠ থেকে সরিয়ে দিলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।

এর আগে, উনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানের অন্যতম অগ্রসৈনিক এবং মহান মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক তোফায়েল আহমেদ গতকাল সোমবার (১ জুন) বিকেল সাড়ে ৩টায় ঢাকার স্কয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন। গতকালই বাদ মাগ‌রিব রাজধানীর ধানম‌ন্ডির তাকওয়া মস‌জিদে তার প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।

আজ মঙ্গলবার দুপুরে প্রবীণ এই রাজনীতিবিদের মরদেহ হেলিকপ্টারযোগে তার নিজ জেলা ভোলায় নেওয়া হয়েছে। নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী ভোলা সরকারি হাই স্কুল মাঠে জানাজা শেষে, দক্ষিণ গঙ্গাপুর এলাকার কোরালিয়া গ্রামে মায়ের কবরের পাশে তাকে চিরনিদ্রায় সমাহিত করা হবে।

উল্লেখ্য, দীর্ঘদিন ধরে বার্ধক্যজনিত ও লিভারের নানা জটিলতায় ভোগা তোফায়েল আহমেদ গত বছরের ২৪ সেপ্টেম্বর থেকে ঢাকার স্কয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন।

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

‘আ. লীগের ঠিকানা ভোলায় হবে না’ তোফায়েল আহমেদের মরদেহ নিয়ে ছাত্রদল-যুবদলের স্লোগান

প্রকাশের সময় : ০৫:৪২:২০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ জুন ২০২৬

বাংলাদেশের রাজনীতির নানা বাঁক-বদলের অন্যতম সাক্ষী, প্রবীণ আওয়ামী লীগ নেতা তোফায়েল আহমেদের জানাজার আগে ভোলায় বিক্ষোভ প্রদর্শন করেছে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল ও যুবদলের নেতাকর্মীরা।

মঙ্গলবার (২ জুন) বেলা ১১টার দিকে ছাত্রদল ও যুবদলের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী জানাজাস্থল ভোলা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে জড়ো হয়ে বিক্ষোভ করেন।

‘আওয়ামী লীগের ঠিকানা এই ভোলায় হবে না’সহ নানা স্লোগান দেন নেতাকর্মীরা। নেতাকর্মীদের দাবি— তোফায়েল আহমেদ ভোলার ছাত্রদল নেতা নুরে আলম এবং যুবদল নেতা রহিমের হত্যাকাণ্ডের মূল পরিকল্পনাকারী। এই অভিযোগে তারা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠে এই প্রবীণ নেতার জানাজা না পড়ানোর দাবি জানান এবং বিভিন্ন স্লোগান দিতে থাকেন।

মাঠে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়লে তাৎক্ষণিকভাবে সেখানে উপস্থিত হন জেলা বিএনপির সদস্য সচিব রাইসুল আলমসহ বিএনপির জ্যেষ্ঠ নেতারা। তারা বিক্ষুব্ধ নেতাকর্মীদের বুঝিয়ে মাঠ থেকে সরিয়ে দিলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।

এর আগে, উনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানের অন্যতম অগ্রসৈনিক এবং মহান মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক তোফায়েল আহমেদ গতকাল সোমবার (১ জুন) বিকেল সাড়ে ৩টায় ঢাকার স্কয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন। গতকালই বাদ মাগ‌রিব রাজধানীর ধানম‌ন্ডির তাকওয়া মস‌জিদে তার প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।

আজ মঙ্গলবার দুপুরে প্রবীণ এই রাজনীতিবিদের মরদেহ হেলিকপ্টারযোগে তার নিজ জেলা ভোলায় নেওয়া হয়েছে। নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী ভোলা সরকারি হাই স্কুল মাঠে জানাজা শেষে, দক্ষিণ গঙ্গাপুর এলাকার কোরালিয়া গ্রামে মায়ের কবরের পাশে তাকে চিরনিদ্রায় সমাহিত করা হবে।

উল্লেখ্য, দীর্ঘদিন ধরে বার্ধক্যজনিত ও লিভারের নানা জটিলতায় ভোগা তোফায়েল আহমেদ গত বছরের ২৪ সেপ্টেম্বর থেকে ঢাকার স্কয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন।