জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি পদে ভোট আজ
- প্রকাশের সময় : ১০:৫৬:১৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ জুন ২০২৬
- / 26
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি পদে ভোট হবে আজ মঙ্গলবার (২ জুন)। নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে সাধারণ পরিষদকক্ষে স্থানীয় সময় সকাল ১০টায় আনুষ্ঠানিক নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন সাইপ্রাসের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বিশেষ দূত আন্দ্রেয়াস এস কাকোরিস।
বাংলাদেশ প্রায় ৪০ বছর পর আবার জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের সভাপতি পদে নির্বাচন করতে যাচ্ছে। ১৯৮৬ সালে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৪১তম অধিবেশনের সভাপতি নির্বাচিত হয়েছিলেন বাংলাদেশের তৎকালীন পররাষ্ট্রমন্ত্রী হুমায়ুন রশীদ চৌধুরী।
এরপর এ পদে বাংলাদেশ আর কোনো নির্বাচন করেনি। এবার ৪০ বছর পর আবার এ পদে নির্বাচন করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ। বাংলাদেশ প্রায় চার বছর আগে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতার ঘোষণা দিয়েছিল।অন্তর্বর্তীকালীন সরকার এ নির্বাচনের জন্য তৎকালীন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেনকে মনোনয়ন দিয়েছিল। তবে শেষ মুহূর্তে প্রার্থিতা ঘোষণা করে ফিলিস্তিন। বাংলাদেশ ও ফিলিস্তিন ভ্রাতৃপ্রতিম দেশ হওয়ায় ফিলিস্তিনের সঙ্গে নির্বাচন করা নিয়ে দোটানায় ছিল বাংলাদেশ। কারণ ফিলিস্তিনের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হলে মুসলিম দেশগুলোর ভোট বিভক্ত হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা ছিল।তখন বাংলাদেশ প্রার্থিতা স্থগিত রাখলেও প্রত্যাহার করেনি। তবে শেষ পর্যন্ত ফিলিস্তিন সভাপতি পদ থেকে প্রার্থিতা প্রত্যাহার করে নেয়।
এরপর গত ফেব্রুয়ারিতে বাংলাদেশে জাতীয় নির্বাচনে জয়ী হয়ে বিএনপি ক্ষমতা গ্রহণের পর জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি পদে প্রার্থিতা পরিবর্তন করে নতুন সরকারের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমানকে বাংলাদেশের প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন দেওয়া হয়। এখন সাইপ্রাসের সঙ্গে এ পদের জন্য প্রতিদ্বন্দ্বিতায় যাচ্ছে বাংলাদেশ।
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি সদস্য রাষ্ট্রগুলোর প্রতিনিধিদের দ্বারা প্রতি বছর গোপন ব্যালটের মাধ্যমে নির্বাচিত হন। এ নির্বাচনে সাধারণ পরিষদের ১৯৩টি সদস্য রাষ্ট্রের প্রত্যেকটি একটি করে ভোট দেয়। সাধারণ সংখ্যাগরিষ্ঠতায় সভাপতি নির্বাচিত হন। এবারও ঠিক সেভাবেই নির্বাচন হবে।
বাংলাদেশ এ ভোটে জয়ের বিষয়ে আশাবাদী। সোমবার (১ জুন) পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ সাংবাদিকদের এ বিষয়ে বলেছেন, আমরা আশাবাদী। বাংলাদেশ অত্যন্ত শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বী, এ নির্বাচনে অত্যন্ত ভালো অবস্থানে আমরা আছি। আমাদের পররাষ্ট্রমন্ত্রী, ওনার যেহেতু একটা বিশাল অভিজ্ঞতা আছে, ক্যারিয়ার আছে জাতিসংঘে। সুতরাং আমরা অত্যন্ত আশাবাদী যে বাংলাদেশ জয়যুক্ত হবে এবং আমি মনে করি, অনেক নতুন দ্বার উন্মোচিত হবে বাংলাদেশের জন্য; বাংলাদেশের মানুষের জন্য। এটা একটা গর্বের মুহূর্ত হবে বাংলাদেশের জন্য।





















