Dhaka ০৯:১৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬, ১১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ:
বিদায় নিশ্চিত তিউনিসিয়ার, গ্রুপ সেরা মিশনে নেদারল্যান্ডস চীনের সঙ্গে অর্থনৈতিক ও কৌশলগত সম্পর্ক আরও জোরদার হবে: রিজভী যশোরের শার্শায় বজ্রপাতে বিজিবি সদস্য আহত ১৯০০ সালের পর সবচেয়ে শক্তিশালী ভূমিকম্প ভেনেজুয়েলায় পাঁচ অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ও এক সহকারী পুলিশ সুপারকে বদলি ঝিনাইদহ-যশোর মহাসড়ক ছয় লেনে উন্নীতকরণ প্রকল্পে জমির ন্যায্য মূল্য দাবিতে মানববন্ধন নওগাঁ সীমান্তে ২৭০ পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেটসহ দুই মাদক কারবারি আটক জাতীয় পর্যায়ের বিজ্ঞান মেলায় জেলার প্রতিনিধিত্ব করবে কাজী আব্দুল মাজেদ একাডেমি রাজবাড়ীতে রাতের অন্ধকারে কৃষকের সবজি ক্ষেত বিনষ্টের অভিযোগ ভেনেজুয়েলায় ভূমিকম্পে মৃত বেড়ে ১৬৪, আহত প্রায় এক হাজার

যে রাজপরিবার আকাশেই ‘রাজপ্রাসাদ’ নিয়ে চলাচল করে

ডেস্ক নিউজ
  • প্রকাশের সময় : ১০:১৪:৫৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • / 109

 

বিশ্বের বুকে আভিজাত্যের সংজ্ঞাকে নতুন করে লিখছে কাতারের রাজপরিবার। দুবাই বা সৌদি আরব নয় বরং কাতার আমিরি ফ্লাইটের অবিশ্বাস্য বিমান বহর এখন বিশ্বজুড়ে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু। এই বহরের প্রতিটি বিমান যেন আকাশের বুকে ডানা মেলে থাকা এক একটি চলন্ত রাজপ্রাসাদ।

আধুনিক প্রযুক্তির সাথে রাজকীয় ঐতিহ্যের মেলবন্ধনে তৈরি এই বহরে রয়েছে বোয়িং ৭৪৭-৮ বিবিজে এবং গালফস্ট্রিম জি-৭০০ এর মতো বিশ্বের দামি সব বিমান। বিশেষ করে বোয়িং ৭৪৭-৮ বিবিজে বিমানটির মূল্য ভারতীয় মুদ্রায় প্রায় ৩ হাজার ৬৩৫ কোটি টাকারও বেশি, যার ভেতরে ব্যক্তিগত শয়নকক্ষ থেকে শুরু করে সভাকক্ষ পর্যন্ত সবকিছুর ব্যবস্থা রয়েছে।

এই বিশেষ বিমান বহরের সবচেয়ে আকর্ষণীয় দিক হলো এর ব্যবহারিক জাঁকজমক। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সফরে কাতারের আমির যখন এই বিমান থেকে নামেন, তখন প্রায়ই ব্যবহার করা হয় সোনালি রঙের বিশেষ সিঁড়ি বা গোল্ডেন এসকেলেটর। এই দৃশ্যটি কেবল আভিজাত্যের প্রতীক নয় বরং কূটনৈতিক ময়দানে দেশটির প্রভাব ও প্রতিপত্তি প্রদর্শনের একটি সুপরিকল্পিত মাধ্যম।

১০ থেকে ১২টি বিমানের এই বিশাল বহর কাতারকে বৈশ্বিক রাজনীতিতে এক অনন্য কৌশলগত স্বাধীনতা প্রদান করে। এর ফলে ওয়াশিংটন থেকে বেইজিং কিংবা লন্ডন; যেকোনো গন্তব্যে বাণিজ্যিক ফ্লাইটের ওপর নির্ভর না করেই তারা নিজস্ব নিরাপত্তা ও গোপনীয়তা বজায় রেখে যাতায়াত করতে পারে।

তবে এই বিলাসিতা কেবল সাজসজ্জার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। উচ্চ নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং অত্যাধুনিক প্রযুক্তিতে সজ্জিত এই বিমানগুলো কাতারের কূটনৈতিক সক্ষমতাকে কয়েক গুণ বাড়িয়ে দিয়েছে। দীর্ঘ পাল্লার সফরের জন্য যেমন এখানে বিশালাকার ওয়াইড বডি বিমান রয়েছে, তেমনি আঞ্চলিক সফরের জন্য রয়েছে বিশেষ করপোরেট জেট। মজার বিষয় হলো, এই রাজকীয় বহরের কোনো কোনো বিমান মাঝেমধ্যে উপহার হিসেবেও অন্য রাষ্ট্রকে দেওয়ার নজির রয়েছে।

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

যে রাজপরিবার আকাশেই ‘রাজপ্রাসাদ’ নিয়ে চলাচল করে

প্রকাশের সময় : ১০:১৪:৫৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

 

বিশ্বের বুকে আভিজাত্যের সংজ্ঞাকে নতুন করে লিখছে কাতারের রাজপরিবার। দুবাই বা সৌদি আরব নয় বরং কাতার আমিরি ফ্লাইটের অবিশ্বাস্য বিমান বহর এখন বিশ্বজুড়ে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু। এই বহরের প্রতিটি বিমান যেন আকাশের বুকে ডানা মেলে থাকা এক একটি চলন্ত রাজপ্রাসাদ।

আধুনিক প্রযুক্তির সাথে রাজকীয় ঐতিহ্যের মেলবন্ধনে তৈরি এই বহরে রয়েছে বোয়িং ৭৪৭-৮ বিবিজে এবং গালফস্ট্রিম জি-৭০০ এর মতো বিশ্বের দামি সব বিমান। বিশেষ করে বোয়িং ৭৪৭-৮ বিবিজে বিমানটির মূল্য ভারতীয় মুদ্রায় প্রায় ৩ হাজার ৬৩৫ কোটি টাকারও বেশি, যার ভেতরে ব্যক্তিগত শয়নকক্ষ থেকে শুরু করে সভাকক্ষ পর্যন্ত সবকিছুর ব্যবস্থা রয়েছে।

এই বিশেষ বিমান বহরের সবচেয়ে আকর্ষণীয় দিক হলো এর ব্যবহারিক জাঁকজমক। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সফরে কাতারের আমির যখন এই বিমান থেকে নামেন, তখন প্রায়ই ব্যবহার করা হয় সোনালি রঙের বিশেষ সিঁড়ি বা গোল্ডেন এসকেলেটর। এই দৃশ্যটি কেবল আভিজাত্যের প্রতীক নয় বরং কূটনৈতিক ময়দানে দেশটির প্রভাব ও প্রতিপত্তি প্রদর্শনের একটি সুপরিকল্পিত মাধ্যম।

১০ থেকে ১২টি বিমানের এই বিশাল বহর কাতারকে বৈশ্বিক রাজনীতিতে এক অনন্য কৌশলগত স্বাধীনতা প্রদান করে। এর ফলে ওয়াশিংটন থেকে বেইজিং কিংবা লন্ডন; যেকোনো গন্তব্যে বাণিজ্যিক ফ্লাইটের ওপর নির্ভর না করেই তারা নিজস্ব নিরাপত্তা ও গোপনীয়তা বজায় রেখে যাতায়াত করতে পারে।

তবে এই বিলাসিতা কেবল সাজসজ্জার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। উচ্চ নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং অত্যাধুনিক প্রযুক্তিতে সজ্জিত এই বিমানগুলো কাতারের কূটনৈতিক সক্ষমতাকে কয়েক গুণ বাড়িয়ে দিয়েছে। দীর্ঘ পাল্লার সফরের জন্য যেমন এখানে বিশালাকার ওয়াইড বডি বিমান রয়েছে, তেমনি আঞ্চলিক সফরের জন্য রয়েছে বিশেষ করপোরেট জেট। মজার বিষয় হলো, এই রাজকীয় বহরের কোনো কোনো বিমান মাঝেমধ্যে উপহার হিসেবেও অন্য রাষ্ট্রকে দেওয়ার নজির রয়েছে।