Dhaka ১১:১৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৬, ৪ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ:
‘লাশ বিলের পানিতে ভাসিয়ে দেব’—ভূমি কর্মকর্তাকে সেবাগ্রহীতার হুমকি কালুখালীতে নবাগত ইউএনওর সঙ্গে উপজেলা বিএনপি নেতৃবৃন্দের সৌজন্য সাক্ষাৎ ইছামতীর পানিতে প্লাবিত বেনাপোলে ১০০ পরিবার পেল বিজিবির ত্রাণ কোস্ট গার্ডের নতুন মহাপরিচালক রিয়ার অ্যাডমিরাল মঈনুল হাসান কারা মহাপরিদর্শক মোতাহের হোসেনকে সেনাবাহিনীতে প্রত্যাবাসন শার্শায় ১১ বছরের শিশুকে ধর্ষণ, আটক ১ রাজবাড়ী উদীচীতে কমরেড কমল কৃষ্ণ গুহকে স্মরণ পরিবেশ কর্মসূচির ব্যানারে জাকসুর নাম বাদ, প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন পাংশায় নিখোঁজের একদিন পর দুই সন্তানের জননীর ক্ষতবিক্ষত মরদেহ উদ্ধার রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ভোটগ্রহণ কাল, শপথ শুক্রবার : চিফ হুইপ

কফিনের ভেতর থেকে সাহায্যের আর্তনাদ, দেখা গেল তিনি জীবিত

ডেস্ক নিউজ
  • প্রকাশের সময় : ০১:২৮:১৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ নভেম্বর ২০২৫
  • / 66

থাইল্যান্ডের ফিটসানুলোক প্রদেশের ৬৫ বছর বয়সি চনথিরোট প্রায় দুই বছর শয্যাশায়ী ছিলেন। রোববার হঠাৎ তিনি অচেতন হয়ে পড়লে পরিবারের সদস্যরা ধরে নেন যে তিনি মারা গেছেন। পরে তাকে কফিনে ঢোকানো হয় এবং অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ার জন্য চার ঘণ্টা দূরত্বের একটি মন্দিরে নেওয়া হয়।

কিন্তু মন্দিরে পৌঁছানোর পর কফিনের ভেতর থেকে ক্ষীণ শব্দ শোনা যায়। কফিন খোলার পর দেখা যায়, চনথিরোট জীবিত। তিনি থরথর করে কাঁপছিলেন এবং মুখের সামনে থাকা মাছি তাড়াচ্ছিলেন। তার ভাই মঙ্গকোল জানান, তারা মৃত্যুর কাগজপত্র সংগ্রহ করলেও বোনকে জীবিত দেখে অত্যন্ত খুশি হয়েছেন।

মন্দিরের কর্মী থম্মানুন জানান, কফিনটি প্রধান হলে নেওয়ার প্রস্তুতির সময় তিনি সাহায্যের আকুতি শুনেন। পরে চনথিরোটকে চিকিৎসকের কাছে নেওয়া হয়। চিকিৎসকেরা বলেন, তার নিশ্বাস বন্ধ হয়নি, কেবল রক্তে শর্করার মাত্রা এতটাই কমে গিয়েছিল যে পরিবার তাকে মৃত ধরে নিয়েছিল।

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

কফিনের ভেতর থেকে সাহায্যের আর্তনাদ, দেখা গেল তিনি জীবিত

প্রকাশের সময় : ০১:২৮:১৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ নভেম্বর ২০২৫

থাইল্যান্ডের ফিটসানুলোক প্রদেশের ৬৫ বছর বয়সি চনথিরোট প্রায় দুই বছর শয্যাশায়ী ছিলেন। রোববার হঠাৎ তিনি অচেতন হয়ে পড়লে পরিবারের সদস্যরা ধরে নেন যে তিনি মারা গেছেন। পরে তাকে কফিনে ঢোকানো হয় এবং অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ার জন্য চার ঘণ্টা দূরত্বের একটি মন্দিরে নেওয়া হয়।

কিন্তু মন্দিরে পৌঁছানোর পর কফিনের ভেতর থেকে ক্ষীণ শব্দ শোনা যায়। কফিন খোলার পর দেখা যায়, চনথিরোট জীবিত। তিনি থরথর করে কাঁপছিলেন এবং মুখের সামনে থাকা মাছি তাড়াচ্ছিলেন। তার ভাই মঙ্গকোল জানান, তারা মৃত্যুর কাগজপত্র সংগ্রহ করলেও বোনকে জীবিত দেখে অত্যন্ত খুশি হয়েছেন।

মন্দিরের কর্মী থম্মানুন জানান, কফিনটি প্রধান হলে নেওয়ার প্রস্তুতির সময় তিনি সাহায্যের আকুতি শুনেন। পরে চনথিরোটকে চিকিৎসকের কাছে নেওয়া হয়। চিকিৎসকেরা বলেন, তার নিশ্বাস বন্ধ হয়নি, কেবল রক্তে শর্করার মাত্রা এতটাই কমে গিয়েছিল যে পরিবার তাকে মৃত ধরে নিয়েছিল।