জাবিতে প্রকাশ্যে ঘুরছেন জুলাই হামলায় বহিষ্কৃত ছাত্রলীগকর্মী, আসাদুলের বিরুদ্ধে ‘শেল্টার’ দেওয়ার অভিযোগ
- প্রকাশের সময় : ০৭:১৩:২৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ৫ অগাস্ট ২০২৬
- / 13
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় (জাবি) ক্যাম্পাসে প্রকাশ্যে চলাফেরা করছেন জুলাই আন্দোলনে হামলার ঘটনায় বহিষ্কৃত ছাত্রলীগকর্মী ও তুলনামূলক সাহিত্য ও সংস্কৃতি ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থী আতিকুল ইসলাম। বহিষ্কারের মেয়াদ শেষ না হলেও তার ক্যাম্পাসে নিয়মিত অবস্থান নিয়ে শিক্ষার্থীদের মধ্যে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। বহিষ্কৃত আতিকুলকে ক্যাম্পাসে চলাফেরায় সহযোগিতা ও ‘শেল্টার’ দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে আরেক ছাত্রলীগকর্মী আসাদুল আলমের বিরুদ্ধে।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, ২০২৪ সালে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে ১৫ জুলাই সন্ধ্যা ও রাতে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রলীগের হামলার ঘটনায় আতিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠে। পরে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের তদন্তের ভিত্তিতে তাকে দুই বছরের জন্য বহিষ্কার করা হয়। তবে বহিষ্কারের মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই তাকে নিয়মিত ক্যাম্পাসে দেখা যাচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
সম্প্রতি তুলনামূলক সাহিত্য ও সংস্কৃতি ইনস্টিটিউটের একটি অনুষ্ঠানে আতিকুল ইসলামকে উপস্থিত থাকতে দেখা যায়। পরে তার সঙ্গে ছবি তুলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজের ফেসবুক আইডিতে পোস্ট করেন ছাত্রলীগকর্মী আসাদুল আলম। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে বহিষ্কৃত শিক্ষার্থীর ক্যাম্পাসে অবস্থানের পেছনে আসাদুলের সহযোগিতা রয়েছে বলে অভিযোগ করছেন সংশ্লিষ্টরা।
তাদের দাবি, আসাদুল আলমের সঙ্গে আতিকুল ইসলামের ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ রয়েছে এবং তার সহযোগিতাতেই বহিষ্কৃত হওয়ার পরও আতিকুল ক্যাম্পাসে অবাধে চলাফেরা করছেন। তবে এ বিষয়ে আতিকুল ইসলামের বক্তব্য জানা সম্ভব হয়নি।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে আরও জানা যায়, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে শিক্ষার্থীদের ‘রাজাকার’ আখ্যা দেওয়া এবং আন্দোলনকারীদের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে আসাদুল আলমের বিরুদ্ধে। ৫ আগস্টের পটপরিবর্তনের পর তিনি আওয়ামী লীগের সমর্থক হিসেবে পরিচিত ‘চ্যানেল ফোরটিন’-এর সঙ্গে যুক্ত হন বলেও অভিযোগ রয়েছে। বর্তমানে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগের নেতাকর্মী ও আওয়ামীপন্থী শিক্ষকদের সঙ্গে তার ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ রয়েছে বলেও সংশ্লিষ্টদের অভিযোগ।
এ বিষয়ে জানতে ছাত্রলীগকর্মী আসাদুল আলমের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি। তার বক্তব্য পাওয়া গেলে তা প্রতিবেদনে সংযোজন করা হবে।






















