Dhaka ০৬:২২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬, ১৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ:
কোটালীপাড়ায় মাদক প্রতিরোধ ও যুব সমাজের সম্পৃক্ততা শীর্ষক সেমিনার সংসদে অসুস্থ বিরোধীদলীয় এমপি বাশার, খোঁজ নিলেন প্রধানমন্ত্রী মৌলিক সুবিধা দেশের সব অংশেই গড়ে তোলা হবে : প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর এক সিদ্ধান্তে রক্ষা পাচ্ছে ৩ হাজারের বেশি গাছ আলোচিত স্কুলছাত্রী অদিতা হত্যা: গৃহশিক্ষকের মৃত্যুদণ্ড বৃষ্টিতে ফসল হারানো কৃষকদের পাশে সরকার, বিশেষ সহায়তার ঘোষণা নওগাঁয় শব্দদূষণবিরোধী অভিযানে ৫ পরিবহনকে জরিমানা গোপালগঞ্জে বাস খাদে, আহত ২০ কৃষির আধুনিকায়ন এবং কৃষকদের জন্য ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করছে সরকার: কৃষিমন্ত্রী কালুখালী পেঁয়াজ বাজারে ‘ধলতা’ বন্ধে ইউএনও’র বিশেষ অভিযান

ভাঙ্গা থানার ওসি গ্রেফতার

ডেস্ক নিউজ
  • প্রকাশের সময় : ০১:১৪:২০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
  • / 145

ফরিদপুরের ভাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শফিকুল ইসলামকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বুধবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) রাত ১০টার দিকে তাকে থানা থেকে গ্রেফতার করা হয়।

বৃহস্পতিবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে ফরিদপুর জেলা পুলিশের নির্ভরযোগ্য সূত্র এর সত্যতা নিশ্চিত করেছে।

বিএনপি নেতাকর্মীদের নিপীড়নের অভিযোগে করা মামলায় তাকে গ্রেফতার দেখানো হয়।

সবশেষ পাওয়া খবর অনুযায়ী তাকে ঢাকায় ডিবি পুলিশের হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।

এর আগে ১৫ ফেব্রুয়ারি গাজীপুরের মেট্রোপলিটন থানা থেকে বদলি হয়ে ভাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হিসেবে যোগ দেন শফিকুল ইসলাম।

২৪ ফেব্রুয়ারি হবিগঞ্জ পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এস এম আওয়াল হবিগঞ্জ সদর মডেল থানায় মামলাটি করেন।

এ মামলায় সাবেক পুলিশ সুপার (এসপি) এস এম মুরাদ আলী, হবিগঞ্জের সাবেক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার খলিলুর রহমান, পরিদর্শক বদিউজ্জামান, হবিগঞ্জ সদর থানার সাবেক ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) অজয় চন্দ্র দেব, গোয়েন্দা পুলিশের পরিদর্শক মো. শফিকুল ইসলামসহ ৭৫ জনকে আসামি করা হয়। মামলার আসামিদের মধ্যে ১৮ জনই পুলিশ সদস্য।

মামলার এজাহারে বলা হয়, ২০২৩ সালের ১৯ আগস্ট বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তি ও বিদেশে চিকিৎসার দাবিতে পদযাত্রা কর্মসূচির আয়োজন করে হবিগঞ্জ জেলা বিএনপি। এসময় পুলিশ ও আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা ঐক্যবদ্ধ হয়ে অস্ত্র নিয়ে বিএনপির নেতাকর্মীদের ওপর চড়াও হন এবং হামলা চালান। পাশাপাশি তারা গুলিবর্ষণ করতে থাকলে বিএনপি নেতাকর্মীরা ছত্রভঙ্গ হয়ে পড়েন।

একপর্যায়ে পুলিশ ও আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা হবিগঞ্জ শহরের শায়েস্তানগর এলাকায় বিএনপির কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক জি কে গউছের বাসায় আক্রমণ করে গুলি করেন। তারা বাসার একটি কক্ষের জানালা ভেঙে সেখানে পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এস এম আওয়ালকে গুলি করেন। তাকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় সিলেটে এবং পরে ঢাকায় পাঠানো হয়।

এ বিষয়ে ফরিদপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) শৈলেন চাকমা বলেন, বিষয়টি আমরা বৃহস্পতিবার রাতে জানতে পেরেছি। ভাঙ্গা থানার ওসি শফিকুল ইসলামের নামে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে মামলা থাকায় তাকে গ্রেফতার দেখিয়ে ওই আদালতে সোপর্দ করা হয়। আদালত তাকে কেরানীগঞ্জ কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

ভাঙ্গা থানার ওসি গ্রেফতার

প্রকাশের সময় : ০১:১৪:২০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

ফরিদপুরের ভাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শফিকুল ইসলামকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বুধবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) রাত ১০টার দিকে তাকে থানা থেকে গ্রেফতার করা হয়।

বৃহস্পতিবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে ফরিদপুর জেলা পুলিশের নির্ভরযোগ্য সূত্র এর সত্যতা নিশ্চিত করেছে।

বিএনপি নেতাকর্মীদের নিপীড়নের অভিযোগে করা মামলায় তাকে গ্রেফতার দেখানো হয়।

সবশেষ পাওয়া খবর অনুযায়ী তাকে ঢাকায় ডিবি পুলিশের হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।

এর আগে ১৫ ফেব্রুয়ারি গাজীপুরের মেট্রোপলিটন থানা থেকে বদলি হয়ে ভাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হিসেবে যোগ দেন শফিকুল ইসলাম।

২৪ ফেব্রুয়ারি হবিগঞ্জ পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এস এম আওয়াল হবিগঞ্জ সদর মডেল থানায় মামলাটি করেন।

এ মামলায় সাবেক পুলিশ সুপার (এসপি) এস এম মুরাদ আলী, হবিগঞ্জের সাবেক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার খলিলুর রহমান, পরিদর্শক বদিউজ্জামান, হবিগঞ্জ সদর থানার সাবেক ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) অজয় চন্দ্র দেব, গোয়েন্দা পুলিশের পরিদর্শক মো. শফিকুল ইসলামসহ ৭৫ জনকে আসামি করা হয়। মামলার আসামিদের মধ্যে ১৮ জনই পুলিশ সদস্য।

মামলার এজাহারে বলা হয়, ২০২৩ সালের ১৯ আগস্ট বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তি ও বিদেশে চিকিৎসার দাবিতে পদযাত্রা কর্মসূচির আয়োজন করে হবিগঞ্জ জেলা বিএনপি। এসময় পুলিশ ও আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা ঐক্যবদ্ধ হয়ে অস্ত্র নিয়ে বিএনপির নেতাকর্মীদের ওপর চড়াও হন এবং হামলা চালান। পাশাপাশি তারা গুলিবর্ষণ করতে থাকলে বিএনপি নেতাকর্মীরা ছত্রভঙ্গ হয়ে পড়েন।

একপর্যায়ে পুলিশ ও আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা হবিগঞ্জ শহরের শায়েস্তানগর এলাকায় বিএনপির কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক জি কে গউছের বাসায় আক্রমণ করে গুলি করেন। তারা বাসার একটি কক্ষের জানালা ভেঙে সেখানে পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এস এম আওয়ালকে গুলি করেন। তাকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় সিলেটে এবং পরে ঢাকায় পাঠানো হয়।

এ বিষয়ে ফরিদপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) শৈলেন চাকমা বলেন, বিষয়টি আমরা বৃহস্পতিবার রাতে জানতে পেরেছি। ভাঙ্গা থানার ওসি শফিকুল ইসলামের নামে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে মামলা থাকায় তাকে গ্রেফতার দেখিয়ে ওই আদালতে সোপর্দ করা হয়। আদালত তাকে কেরানীগঞ্জ কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।