ডিসি সারওয়ারকে খোলা চিঠি, মাজারের বিরুদ্ধে অজানা তথ্য ফাঁস
- প্রকাশের সময় : ০৬:৩১:১৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ জুন ২০২৬
- / 24
সিলেটের সদ্য প্রত্যাহার হওয়া জেলা প্রশাসক মো. সারওয়ার আলম-এর কাছে একটি খোলা চিঠি লিখেছেন তার এক শুভাকাঙ্ক্ষী। চিঠিতে শাহজালাল (রহ.) মাজারকেন্দ্রিক অনিয়ম ও দুর্নীতির বিষয়ে বিভিন্ন অভিযোগ তুলে ধরা হয়েছে।
চিঠিতে তিনি লেখেন, ‘ডিসি সাহেব আসসালামু আলাইকুম। শাহজালাল মাজারের অনিয়ম ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে আপনার ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সিলেটসহ সারা দেশে এমনকি বিদেশে অবস্থানরত লোকজন আপনার শুধু প্রশংসাই করছেন না। শতকরা ৯৫% মানুষ আপনার পক্ষেই আছেন।’
তিনি আরও লেখেন, ‘সবচেয়ে বড় লুটপাটকারী হচ্ছে দরগার কেরানি শামুন মাহমুদ খান। অর্ধেক টাকাই সে মেরে দেয়। সে কেরানি হয়েও বড়াই করে বলে সে নাকি খাদিম। এ সবই মিথ্যা। পড়াশোনা করেছে সপ্তম শ্রেণি পর্যন্ত। এখন লম্বালম্বা কথা বলে। দরগার জায়গায় বাড়ি করেছে, দোকান পাঠ করেছে। এ সমস্ত জায়গা উদ্ধার করা একান্ত প্রয়োজন। দয়া করে দেখবেন, তাকে নিয়ে এখন আলোচনা হচ্ছে সেই মূল হোতা।’
এর আগে রোববার (২১ জুন) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব জেতী প্রু স্বাক্ষরিত এক আদেশে সারওয়ার আলমকে সিলেটের জেলা প্রশাসকের দায়িত্ব থেকে প্রত্যাহার করা হয়।
আদেশ অনুযায়ী, তাকে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে উপসচিব হিসেবে সংযুক্ত করা হয়েছে। তবে প্রত্যাহারের কারণ বা সিলেটের নতুন জেলা প্রশাসক হিসেবে কাকে দায়িত্ব দেওয়া হবে, সে বিষয়ে আদেশে কোনো তথ্য উল্লেখ করা হয়নি।
২৭তম বিসিএস প্রশাসন ক্যাডারের কর্মকর্তা সারওয়ার আলম প্রশাসনের বিভিন্ন দায়িত্বে আলোচিত ছিলেন। বিশেষ করে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)-এ দায়িত্ব পালনকালে শতাধিক ভেজালবিরোধী অভিযান পরিচালনা করে ব্যাপক পরিচিতি লাভ করেন।
২০২০ সালের ৯ নভেম্বর তাকে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়-এ সিনিয়র সহকারী সচিব হিসেবে বদলি করা হয়। পরে ২০২৪ সালের ১৪ আগস্ট তিনি উপসচিব পদে পদোন্নতি পান।
উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের ১৮ আগস্ট জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপনে তাকে সিলেটের জেলা প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয় এবং ২১ আগস্ট তিনি দায়িত্ব গ্রহণ করেন।























