Dhaka ১০:৪৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩১ মে ২০২৬, ১৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ:
জিয়াউর রহমানের শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে পাংশায় আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল ২ কর্মদিবসে মিলবে মার্কিন অভিবাসী ভিসা বিসিবি নির্বাচন পর্যবেক্ষণে আসছে আইসিসির প্রতিনিধি দল ঈদের ছুটি শেষে সোমবার খুলছে অফিস-আদালত-ব্যাংক স্বাস্থ্য পরীক্ষার পর ট্রাম্পের সর্বশেষ অবস্থা জানাল হোয়াইট হাউস ভারতে মারা গেলেন হানিফ এন্টারপ্রাইজের চেয়ারম্যান মন্ত্রীকে ‘প্রিয় নবী’ বলায় সমালোচনায় ফেনী জেলা পরিষদ প্রশাসক কোটালীপাড়ায় বিএনপি নেতার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলার অভিযোগ চামড়া শিল্পকে পরিপক্ক রফতানিমুখী করা হবে: বাণিজ্যমন্ত্রী প্রজনন মৌসুমে তিন মাস বন্ধ থাকছে সুন্দরবন, খোলা থাকবে শুধু করমজল

চরম তাপপ্রবাহ: বৈশ্বিক সংকট, জনস্বাস্থ্যের ঝুঁকি ও করণীয়

সৌমিত্র শীল
  • প্রকাশের সময় : ০৭:৩২:০৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩১ মে ২০২৬
  • / 10

সৌমিত্র শীল

বর্তমান বিশ্বে জলবায়ু পরিবর্তনের সবচেয়ে দৃশ্যমান ও উদ্বেগজনক প্রভাবগুলোর একটি হলো চরম তাপপ্রবাহ। কয়েক দশক আগেও তাপপ্রবাহকে মৌসুমি একটি স্বাভাবিক ঘটনা হিসেবে বিবেচনা করা হতো। কিন্তু বর্তমানে এর তীব্রতা, স্থায়িত্ব এবং বিস্তৃতি এতটাই বেড়েছে যে এটি বৈশ্বিক সংকটে পরিণত হয়েছে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশ, বিশেষ করে দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলো, ক্রমবর্ধমান তাপমাত্রার কারণে মারাত্মক স্বাস্থ্য ও অর্থনৈতিক ঝুঁকির মুখোমুখি হচ্ছে।

বিজ্ঞানীরা বলছেন, জীবাশ্ম জ্বালানির অতিরিক্ত ব্যবহার, বন উজাড় এবং গ্রিনহাউস গ্যাসের নিঃসরণ বৃদ্ধির ফলে পৃথিবীর গড় তাপমাত্রা ক্রমাগত বাড়ছে। এর ফলে তাপপ্রবাহের ঘটনা আগের তুলনায় অনেক বেশি ঘন ঘন এবং ভয়াবহ হয়ে উঠেছে। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ভারত, বাংলাদেশ, থাইল্যান্ড, ভিয়েতনাম, ইন্দোনেশিয়া ও ফিলিপাইনে রেকর্ড পরিমাণ তাপমাত্রা পরিলক্ষিত হয়েছে, যা জনজীবনে ব্যাপক প্রভাব ফেলেছে।

চরম তাপপ্রবাহের সবচেয়ে বড় প্রভাব পড়ে জনস্বাস্থ্যের ওপর। দীর্ঘ সময় উচ্চ তাপমাত্রার মধ্যে অবস্থান করলে শরীরের স্বাভাবিক তাপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা ব্যাহত হয়। এর ফলে হিট স্ট্রোক, হিট এক্সহসশন, পানিশূন্যতা, মাথা ঘোরা, অজ্ঞান হয়ে যাওয়া এবং গুরুতর ক্ষেত্রে মৃত্যুও ঘটতে পারে। শিশু, বয়স্ক ব্যক্তি, গর্ভবতী নারী, শ্রমজীবী মানুষ এবং দীর্ঘমেয়াদি রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিরা সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে থাকেন। হৃদরোগ, কিডনি রোগ, ডায়াবেটিস এবং শ্বাসকষ্টজনিত রোগীদের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত তাপমাত্রা জীবনহানির কারণ হতে পারে।

দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার মানুষ বিশেষভাবে ঝুঁকির মুখে রয়েছে। এ অঞ্চলের অধিকাংশ দেশ গরম ও আর্দ্র আবহাওয়ার জন্য পরিচিত। তাপমাত্রার সঙ্গে যখন আর্দ্রতা বৃদ্ধি পায়, তখন মানুষের শরীর ঘামের মাধ্যমে পর্যাপ্ত তাপ বের করতে পারে না। ফলে শরীরে অতিরিক্ত তাপ জমা হয় এবং স্বাস্থ্যঝুঁকি বহুগুণ বেড়ে যায়। অনেক গবেষণা বলছে, বিশ্বের সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ অঞ্চলের মধ্যে দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া অন্যতম। কারণ এখানে ঘনবসতি, দারিদ্র্য, সীমিত স্বাস্থ্যসেবা এবং বহিরাঙ্গনে কর্মরত মানুষের সংখ্যা তুলনামূলক বেশি।

স্বাস্থ্যঝুঁকির পাশাপাশি তাপপ্রবাহ কৃষি, অর্থনীতি এবং পরিবেশের ওপরও গুরুতর প্রভাব ফেলছে। অতিরিক্ত তাপের কারণে ধান, গম, ভুট্টাসহ বিভিন্ন ফসলের উৎপাদন কমে যায়। গবাদিপশু ও হাঁস-মুরগির মৃত্যুহার বৃদ্ধি পায়। শ্রমিকদের কর্মঘণ্টা কমে যাওয়ায় উৎপাদনশীলতা হ্রাস পায় এবং অর্থনীতিতে নেতিবাচক প্রভাব পড়ে। বিদ্যুতের চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় বিদ্যুৎ ব্যবস্থার ওপর চাপ সৃষ্টি হয়। একই সঙ্গে খরা, বন আগুন এবং পানির সংকট আরও তীব্র হয়ে ওঠে।

বাংলাদেশের মতো দেশে নগরাঞ্চলের মানুষও বাড়তি ঝুঁকিতে রয়েছে। কংক্রিটের ভবন, অপরিকল্পিত নগরায়ণ এবং সবুজায়নের অভাবে শহরগুলোতে “আরবান হিট আইল্যান্ড” বা তাপদ্বীপ প্রভাব তৈরি হচ্ছে। ফলে শহরের তাপমাত্রা আশপাশের গ্রামীণ এলাকার তুলনায় কয়েক ডিগ্রি বেশি থাকে। এতে নগরবাসীর স্বাস্থ্যঝুঁকি আরও বৃদ্ধি পায়।

এই সংকট মোকাবিলায় ব্যক্তি, সমাজ এবং রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন। ব্যক্তিগতভাবে পর্যাপ্ত পানি পান করা, হালকা ও ঢিলেঢালা পোশাক পরা, দুপুরের প্রচণ্ড রোদ এড়িয়ে চলা এবং প্রয়োজন ছাড়া বাইরে না যাওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে। শিশু ও বয়স্কদের প্রতি বিশেষ নজর দিতে হবে। কর্মক্ষেত্রে শ্রমিকদের জন্য বিশ্রাম, ছায়াযুক্ত স্থান এবং বিশুদ্ধ পানির ব্যবস্থা নিশ্চিত করা জরুরি।

রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে তাপপ্রবাহ পূর্বাভাস ও সতর্কতা ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করতে হবে। নগর এলাকায় বৃক্ষরোপণ, উন্মুক্ত সবুজ স্থান বৃদ্ধি এবং পরিবেশবান্ধব নগর পরিকল্পনা গ্রহণ করা প্রয়োজন। হাসপাতাল ও স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানগুলোকে তাপজনিত রোগ মোকাবিলার জন্য প্রস্তুত রাখতে হবে। একই সঙ্গে জলবায়ু পরিবর্তনের মূল কারণ গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণ কমাতে নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়ানো এবং পরিবেশ সংরক্ষণে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে।

চরম তাপপ্রবাহ আর কেবল আবহাওয়ার একটি স্বাভাবিক ঘটনা নয়; এটি মানবস্বাস্থ্য, খাদ্যনিরাপত্তা, অর্থনীতি এবং পরিবেশের জন্য একটি বড় বৈশ্বিক হুমকি। দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার কোটি কোটি মানুষ ইতোমধ্যে এর প্রভাব অনুভব করছে। তাই এখনই সচেতনতা বৃদ্ধি, অভিযোজনমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ এবং জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করা সময়ের দাবি। অন্যথায় ভবিষ্যতে এই সংকট আরও ভয়াবহ রূপ ধারণ করতে পারে।

লেখক: নির্বাহী সম্পাদক. দৈনিক জনতার আদালত

 

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

চরম তাপপ্রবাহ: বৈশ্বিক সংকট, জনস্বাস্থ্যের ঝুঁকি ও করণীয়

প্রকাশের সময় : ০৭:৩২:০৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩১ মে ২০২৬

সৌমিত্র শীল

বর্তমান বিশ্বে জলবায়ু পরিবর্তনের সবচেয়ে দৃশ্যমান ও উদ্বেগজনক প্রভাবগুলোর একটি হলো চরম তাপপ্রবাহ। কয়েক দশক আগেও তাপপ্রবাহকে মৌসুমি একটি স্বাভাবিক ঘটনা হিসেবে বিবেচনা করা হতো। কিন্তু বর্তমানে এর তীব্রতা, স্থায়িত্ব এবং বিস্তৃতি এতটাই বেড়েছে যে এটি বৈশ্বিক সংকটে পরিণত হয়েছে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশ, বিশেষ করে দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলো, ক্রমবর্ধমান তাপমাত্রার কারণে মারাত্মক স্বাস্থ্য ও অর্থনৈতিক ঝুঁকির মুখোমুখি হচ্ছে।

বিজ্ঞানীরা বলছেন, জীবাশ্ম জ্বালানির অতিরিক্ত ব্যবহার, বন উজাড় এবং গ্রিনহাউস গ্যাসের নিঃসরণ বৃদ্ধির ফলে পৃথিবীর গড় তাপমাত্রা ক্রমাগত বাড়ছে। এর ফলে তাপপ্রবাহের ঘটনা আগের তুলনায় অনেক বেশি ঘন ঘন এবং ভয়াবহ হয়ে উঠেছে। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ভারত, বাংলাদেশ, থাইল্যান্ড, ভিয়েতনাম, ইন্দোনেশিয়া ও ফিলিপাইনে রেকর্ড পরিমাণ তাপমাত্রা পরিলক্ষিত হয়েছে, যা জনজীবনে ব্যাপক প্রভাব ফেলেছে।

চরম তাপপ্রবাহের সবচেয়ে বড় প্রভাব পড়ে জনস্বাস্থ্যের ওপর। দীর্ঘ সময় উচ্চ তাপমাত্রার মধ্যে অবস্থান করলে শরীরের স্বাভাবিক তাপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা ব্যাহত হয়। এর ফলে হিট স্ট্রোক, হিট এক্সহসশন, পানিশূন্যতা, মাথা ঘোরা, অজ্ঞান হয়ে যাওয়া এবং গুরুতর ক্ষেত্রে মৃত্যুও ঘটতে পারে। শিশু, বয়স্ক ব্যক্তি, গর্ভবতী নারী, শ্রমজীবী মানুষ এবং দীর্ঘমেয়াদি রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিরা সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে থাকেন। হৃদরোগ, কিডনি রোগ, ডায়াবেটিস এবং শ্বাসকষ্টজনিত রোগীদের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত তাপমাত্রা জীবনহানির কারণ হতে পারে।

দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার মানুষ বিশেষভাবে ঝুঁকির মুখে রয়েছে। এ অঞ্চলের অধিকাংশ দেশ গরম ও আর্দ্র আবহাওয়ার জন্য পরিচিত। তাপমাত্রার সঙ্গে যখন আর্দ্রতা বৃদ্ধি পায়, তখন মানুষের শরীর ঘামের মাধ্যমে পর্যাপ্ত তাপ বের করতে পারে না। ফলে শরীরে অতিরিক্ত তাপ জমা হয় এবং স্বাস্থ্যঝুঁকি বহুগুণ বেড়ে যায়। অনেক গবেষণা বলছে, বিশ্বের সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ অঞ্চলের মধ্যে দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া অন্যতম। কারণ এখানে ঘনবসতি, দারিদ্র্য, সীমিত স্বাস্থ্যসেবা এবং বহিরাঙ্গনে কর্মরত মানুষের সংখ্যা তুলনামূলক বেশি।

স্বাস্থ্যঝুঁকির পাশাপাশি তাপপ্রবাহ কৃষি, অর্থনীতি এবং পরিবেশের ওপরও গুরুতর প্রভাব ফেলছে। অতিরিক্ত তাপের কারণে ধান, গম, ভুট্টাসহ বিভিন্ন ফসলের উৎপাদন কমে যায়। গবাদিপশু ও হাঁস-মুরগির মৃত্যুহার বৃদ্ধি পায়। শ্রমিকদের কর্মঘণ্টা কমে যাওয়ায় উৎপাদনশীলতা হ্রাস পায় এবং অর্থনীতিতে নেতিবাচক প্রভাব পড়ে। বিদ্যুতের চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় বিদ্যুৎ ব্যবস্থার ওপর চাপ সৃষ্টি হয়। একই সঙ্গে খরা, বন আগুন এবং পানির সংকট আরও তীব্র হয়ে ওঠে।

বাংলাদেশের মতো দেশে নগরাঞ্চলের মানুষও বাড়তি ঝুঁকিতে রয়েছে। কংক্রিটের ভবন, অপরিকল্পিত নগরায়ণ এবং সবুজায়নের অভাবে শহরগুলোতে “আরবান হিট আইল্যান্ড” বা তাপদ্বীপ প্রভাব তৈরি হচ্ছে। ফলে শহরের তাপমাত্রা আশপাশের গ্রামীণ এলাকার তুলনায় কয়েক ডিগ্রি বেশি থাকে। এতে নগরবাসীর স্বাস্থ্যঝুঁকি আরও বৃদ্ধি পায়।

এই সংকট মোকাবিলায় ব্যক্তি, সমাজ এবং রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন। ব্যক্তিগতভাবে পর্যাপ্ত পানি পান করা, হালকা ও ঢিলেঢালা পোশাক পরা, দুপুরের প্রচণ্ড রোদ এড়িয়ে চলা এবং প্রয়োজন ছাড়া বাইরে না যাওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে। শিশু ও বয়স্কদের প্রতি বিশেষ নজর দিতে হবে। কর্মক্ষেত্রে শ্রমিকদের জন্য বিশ্রাম, ছায়াযুক্ত স্থান এবং বিশুদ্ধ পানির ব্যবস্থা নিশ্চিত করা জরুরি।

রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে তাপপ্রবাহ পূর্বাভাস ও সতর্কতা ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করতে হবে। নগর এলাকায় বৃক্ষরোপণ, উন্মুক্ত সবুজ স্থান বৃদ্ধি এবং পরিবেশবান্ধব নগর পরিকল্পনা গ্রহণ করা প্রয়োজন। হাসপাতাল ও স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানগুলোকে তাপজনিত রোগ মোকাবিলার জন্য প্রস্তুত রাখতে হবে। একই সঙ্গে জলবায়ু পরিবর্তনের মূল কারণ গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণ কমাতে নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়ানো এবং পরিবেশ সংরক্ষণে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে।

চরম তাপপ্রবাহ আর কেবল আবহাওয়ার একটি স্বাভাবিক ঘটনা নয়; এটি মানবস্বাস্থ্য, খাদ্যনিরাপত্তা, অর্থনীতি এবং পরিবেশের জন্য একটি বড় বৈশ্বিক হুমকি। দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার কোটি কোটি মানুষ ইতোমধ্যে এর প্রভাব অনুভব করছে। তাই এখনই সচেতনতা বৃদ্ধি, অভিযোজনমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ এবং জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করা সময়ের দাবি। অন্যথায় ভবিষ্যতে এই সংকট আরও ভয়াবহ রূপ ধারণ করতে পারে।

লেখক: নির্বাহী সম্পাদক. দৈনিক জনতার আদালত