Dhaka ১২:৩৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৯ মে ২০২৬, ২৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ:
বিএনপিই প্রথম শাপলা চত্বরের হত্যাকাণ্ডকে গণহত্যার স্বীকৃতি দিয়েছিল: তথ্যমন্ত্রী রাষ্ট্রের প্রতি সাংবাদিকদের দায়বদ্ধতা রয়েছে: সড়কমন্ত্রী ভারতের ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষার আলো বাংলাদেশের আকাশে? যা জানা গেল কোটচাঁদপুরে জামায়াতের রুকন সম্মেলন অনুষ্ঠিত হাওর রক্ষায় শুধু ত্রাণ নয়, দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা প্রয়োজন: তিতুমীর রাজধানীতে আরও চার থানা চালুর পরিকল্পনা হাসিনা দিয়েছিল যাবজ্জীবন সাজা, আর আল্লাহ বানালেন মন্ত্রী: ধর্মমন্ত্রী রাজধানীর কদমতলীতে কারখানায় আগুন, নিয়ন্ত্রণে ৫ ইউনিট পতিসরে পালিত হলো বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৬৫তম জন্মবার্ষিকী দূরপাল্লার বাসের অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু

ভারতের ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষার আলো বাংলাদেশের আকাশে? যা জানা গেল

ডেস্ক নিউজ
  • প্রকাশের সময় : ১০:১০:৪৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৮ মে ২০২৬
  • / 8

ভারতের ওড়িশা উপকূল থেকে দূরপাল্লার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষার সময় বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলের আকাশে রহস্যময় আলোর ঝলকানি দেখা যাওয়ার খবর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। কক্সবাজার, চট্টগ্রাম, পটুয়াখালী, সাতক্ষীরা, খুলনা, বাগেরহাট ও বরিশালসহ উপকূলীয় এলাকার অনেকেই আকাশে উজ্জ্বল আলোর রেখা দেখতে পাওয়ার দাবি করেছেন।

জানা গেছে, ভারতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এবং ডিফেন্স রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন (ডিআরডিও) ৭ ও ৮ মে ওড়িশা উপকূল থেকে দূরপাল্লার ব্যালিস্টিক মিসাইল পরীক্ষার জন্য পূর্বঘোষণা দিয়েছিল। ধারণা করা হচ্ছে, পরীক্ষাটি অগ্নি সিরিজের কোনো ক্ষেপণাস্ত্রের ছিল।

তবে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে, ক্ষেপণাস্ত্রটি বাংলাদেশের আকাশসীমায় প্রবেশ করেনি। উৎক্ষেপণের পর এটি মহাকাশের উচ্চস্তরে উঠে নির্ধারিত গতিপথ অনুসরণ করে ভারত মহাসাগরের দিকে যায়। পুনঃপ্রবেশ বা বায়ুমণ্ডলে ফিরে আসার সময় ক্ষেপণাস্ত্রের বিভিন্ন অংশ প্রচণ্ড ঘর্ষণ ও তাপের কারণে জ্বলে ওঠে। এ সময় প্রপালশন সিস্টেমের ধোঁয়া ও আলোক বিচ্ছুরণ দূরবর্তী অঞ্চল থেকেও দৃশ্যমান হতে পারে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, পরিষ্কার আকাশ, উচ্চ বায়ুমণ্ডলে প্রতিফলিত আলো এবং রকেটের এক্সহস্ট ট্রেইলের কারণে বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থান থেকেও এ ধরনের আলোর ঝলকানি দেখা যাওয়া অস্বাভাবিক নয়।

এদিকে পরীক্ষার আগে ভারত মহাসাগরের বিস্তীর্ণ এলাকায় বিমান চলাচল সংক্রান্ত নোটিশ টু এয়ারমেন (NOTAM) জারি করা হয়েছিল বলে জানা গেছে। এতে ক্ষেপণাস্ত্রের সম্ভাব্য গতিপথ ও নিরাপত্তা অঞ্চল নির্ধারণ করা হয়।

তবে এ বিষয়ে ভারত আনুষ্ঠানিকভাবে কোন ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ করা হয়েছে, সে সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করেনি।

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

ভারতের ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষার আলো বাংলাদেশের আকাশে? যা জানা গেল

প্রকাশের সময় : ১০:১০:৪৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৮ মে ২০২৬

ভারতের ওড়িশা উপকূল থেকে দূরপাল্লার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষার সময় বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলের আকাশে রহস্যময় আলোর ঝলকানি দেখা যাওয়ার খবর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। কক্সবাজার, চট্টগ্রাম, পটুয়াখালী, সাতক্ষীরা, খুলনা, বাগেরহাট ও বরিশালসহ উপকূলীয় এলাকার অনেকেই আকাশে উজ্জ্বল আলোর রেখা দেখতে পাওয়ার দাবি করেছেন।

জানা গেছে, ভারতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এবং ডিফেন্স রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন (ডিআরডিও) ৭ ও ৮ মে ওড়িশা উপকূল থেকে দূরপাল্লার ব্যালিস্টিক মিসাইল পরীক্ষার জন্য পূর্বঘোষণা দিয়েছিল। ধারণা করা হচ্ছে, পরীক্ষাটি অগ্নি সিরিজের কোনো ক্ষেপণাস্ত্রের ছিল।

তবে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে, ক্ষেপণাস্ত্রটি বাংলাদেশের আকাশসীমায় প্রবেশ করেনি। উৎক্ষেপণের পর এটি মহাকাশের উচ্চস্তরে উঠে নির্ধারিত গতিপথ অনুসরণ করে ভারত মহাসাগরের দিকে যায়। পুনঃপ্রবেশ বা বায়ুমণ্ডলে ফিরে আসার সময় ক্ষেপণাস্ত্রের বিভিন্ন অংশ প্রচণ্ড ঘর্ষণ ও তাপের কারণে জ্বলে ওঠে। এ সময় প্রপালশন সিস্টেমের ধোঁয়া ও আলোক বিচ্ছুরণ দূরবর্তী অঞ্চল থেকেও দৃশ্যমান হতে পারে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, পরিষ্কার আকাশ, উচ্চ বায়ুমণ্ডলে প্রতিফলিত আলো এবং রকেটের এক্সহস্ট ট্রেইলের কারণে বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থান থেকেও এ ধরনের আলোর ঝলকানি দেখা যাওয়া অস্বাভাবিক নয়।

এদিকে পরীক্ষার আগে ভারত মহাসাগরের বিস্তীর্ণ এলাকায় বিমান চলাচল সংক্রান্ত নোটিশ টু এয়ারমেন (NOTAM) জারি করা হয়েছিল বলে জানা গেছে। এতে ক্ষেপণাস্ত্রের সম্ভাব্য গতিপথ ও নিরাপত্তা অঞ্চল নির্ধারণ করা হয়।

তবে এ বিষয়ে ভারত আনুষ্ঠানিকভাবে কোন ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ করা হয়েছে, সে সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করেনি।