Dhaka ০৮:৪০ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬, ১৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ:
গুণী শিক্ষক হিসেবে সংবর্ধনা পাচ্ছেন আব্দুর রাজ্জাক একমাত্র সন্তানকে হারিয়ে বাবার আহাজারি, ‘আমার বাচ্চা ফেরত দেন, আর কিছু চাই না’ এলপিজির দাম বাড়ল সাতদিন ধরে চলে ‘বরের মেলা’: সেজেগুজে থাকেন পাত্ররা, পছন্দ করে কিনে নেন কনেরা! জান্তা বাহিনী ও আরাকান আর্মির সংঘাতের প্রভাব সরাসরি বাংলাদেশ সীমান্তে পড়ছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আত্রাইয়ে মাদক, বাল্যবিবাহ ও সাইবার অপরাধ প্রতিরোধে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে মতবিনিময় আখতারুজ্জামানকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ ২০৩০ সালের মধ্যে শীর্ষ ৩০ অর্থনীতির একটি হতে পারে বাংলাদেশ: ইইউ রাষ্ট্রদূত কোটালীপাড়ায় শিক্ষিকাকে উত্ত্যক্তের অভিযোগে যুবককে মারধর বাংলাদেশ এখন কৌশলগত গুরুত্বের অংশীদার: ইইউ রাষ্ট্রদূত

বিএনপিই প্রথম শাপলা চত্বরের হত্যাকাণ্ডকে গণহত্যার স্বীকৃতি দিয়েছিল: তথ্যমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
  • প্রকাশের সময় : ১০:৫৮:১১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৮ মে ২০২৬
  • / 128

বিএনপিই প্রথম শাপলা চত্বরের হত্যাকাণ্ডকে গণহত্যা হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছিল বলে মন্তব্য করেছেন তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন।

শুক্রবার (৮ মে) জাতীয় জাদুঘর মিলনায়তনে আয়োজিত শাপলা চত্বরে শহীদদের স্মরণে আলোচনায় এসব কথা বলেন তারা। সেখানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, বিএনপি কখনও ইসলাম অবমাননাকারীদের প্রশ্রয় দেয়নি বরং শাপলা চত্বরের ঘটনার বিচার ও শহীদদের মর্যাদা প্রতিষ্ঠায় রাজনৈতিকভাবে অবস্থান নিয়েছে। হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় দুইদিন হরতালের ডাক দিয়েছিল বিএনপি। তিনি বলেন, সংসদে শাপলা শহীদদের সম্মান দিয়েছে বিএনপি।

শাপলা চত্বর শহীদদের পরবর্তী দায়িত্ব বিএনপি অবশ্যই পালন করবে। একটি রাজনৈতিক দল তখনই সত্যিকার অর্থে সফল হয়, যখন শুধু নিজের দলীয় কর্মীদের কাছেই নয়, বরং সমাজের সব শ্রেণির মানুষের কাছেও গ্রহণযোগ্যতা অর্জন করতে পারে। রাজনৈতিক দলগুলোর উচিত নিজেদের সীমাবদ্ধ গণ্ডির বাইরে গিয়ে বৃহত্তর সমাজের শক্তি ও মানুষের অনুভূতিকে গুরুত্ব দেওয়া।

তিনি বলেন, দেশের গুরুত্বপূর্ণ ও চিরন্তন বিষয়গুলোতে সব মানুষের মধ্যে ঐক্য তৈরি হয়। যেমন- ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের জুলাই গণঅভ্যুত্থান, ধর্মীয় মূল্যবোধ রক্ষা কিংবা দেশের স্বার্থের প্রশ্নে মানুষ দল-মত ভুলে এক হয়ে যায়। অপরাধ ও অন্যায়ের বিরুদ্ধেও জাতির এই ঐক্যই সবচেয়ে বড় শক্তি।

শাপলা চত্বরের শহীদদের স্মরণ করতে গিয়ে তিনি বলেন, দেশের জন্য যারা জীবন দিয়েছেন, তাদের প্রতি প্রকৃত সম্মান দেখানোর উপায় হলো দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব, ধর্মীয় মূল্যবোধ ও উন্নয়নের লক্ষ্যকে ধরে রেখে ঐক্যবদ্ধভাবে এগিয়ে যাওয়া।

তিনি আরও বলেন, ১৯৫২, ১৯৬৯, জুলাই আন্দোলনসহ দেশের সব ঐতিহাসিক সংগ্রামের সম্মিলিত ফলাফলই হলো বাংলাদেশ। এসব আত্মত্যাগের মূল উদ্দেশ্য ছিল দেশের মানুষের অধিকার, মর্যাদা ও সমৃদ্ধি নিশ্চিত করা। তাই কে ক্ষমতায় আছে বা নেই, সেটি বড় বিষয় নয়; বরং দেশের স্বার্থে জাতীয় ঐক্য বজায় রাখাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

আলোচনায় বক্তারা আরও বলেন, শাপলা চত্বরের শহীদদের প্রতি জাতীয় দায়িত্ব এখনো শেষ হয়নি এবং ভবিষ্যতেও তা পালন করা হবে। এ সময় মিয়া গোলাম পরওয়ার অভিযোগ করেন, শেখ হাসিনা সরকার বিচার বিভাগকে প্রভাবিত করে রায় পরিবর্তনের মাধ্যমে বিচারব্যবস্থাকে ধ্বংস করেছিল। তিনি শাপলা চত্বর হত্যাকাণ্ডের দ্রুত, নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু বিচার দাবি করেন।

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

বিএনপিই প্রথম শাপলা চত্বরের হত্যাকাণ্ডকে গণহত্যার স্বীকৃতি দিয়েছিল: তথ্যমন্ত্রী

প্রকাশের সময় : ১০:৫৮:১১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৮ মে ২০২৬

বিএনপিই প্রথম শাপলা চত্বরের হত্যাকাণ্ডকে গণহত্যা হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছিল বলে মন্তব্য করেছেন তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন।

শুক্রবার (৮ মে) জাতীয় জাদুঘর মিলনায়তনে আয়োজিত শাপলা চত্বরে শহীদদের স্মরণে আলোচনায় এসব কথা বলেন তারা। সেখানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, বিএনপি কখনও ইসলাম অবমাননাকারীদের প্রশ্রয় দেয়নি বরং শাপলা চত্বরের ঘটনার বিচার ও শহীদদের মর্যাদা প্রতিষ্ঠায় রাজনৈতিকভাবে অবস্থান নিয়েছে। হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় দুইদিন হরতালের ডাক দিয়েছিল বিএনপি। তিনি বলেন, সংসদে শাপলা শহীদদের সম্মান দিয়েছে বিএনপি।

শাপলা চত্বর শহীদদের পরবর্তী দায়িত্ব বিএনপি অবশ্যই পালন করবে। একটি রাজনৈতিক দল তখনই সত্যিকার অর্থে সফল হয়, যখন শুধু নিজের দলীয় কর্মীদের কাছেই নয়, বরং সমাজের সব শ্রেণির মানুষের কাছেও গ্রহণযোগ্যতা অর্জন করতে পারে। রাজনৈতিক দলগুলোর উচিত নিজেদের সীমাবদ্ধ গণ্ডির বাইরে গিয়ে বৃহত্তর সমাজের শক্তি ও মানুষের অনুভূতিকে গুরুত্ব দেওয়া।

তিনি বলেন, দেশের গুরুত্বপূর্ণ ও চিরন্তন বিষয়গুলোতে সব মানুষের মধ্যে ঐক্য তৈরি হয়। যেমন- ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের জুলাই গণঅভ্যুত্থান, ধর্মীয় মূল্যবোধ রক্ষা কিংবা দেশের স্বার্থের প্রশ্নে মানুষ দল-মত ভুলে এক হয়ে যায়। অপরাধ ও অন্যায়ের বিরুদ্ধেও জাতির এই ঐক্যই সবচেয়ে বড় শক্তি।

শাপলা চত্বরের শহীদদের স্মরণ করতে গিয়ে তিনি বলেন, দেশের জন্য যারা জীবন দিয়েছেন, তাদের প্রতি প্রকৃত সম্মান দেখানোর উপায় হলো দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব, ধর্মীয় মূল্যবোধ ও উন্নয়নের লক্ষ্যকে ধরে রেখে ঐক্যবদ্ধভাবে এগিয়ে যাওয়া।

তিনি আরও বলেন, ১৯৫২, ১৯৬৯, জুলাই আন্দোলনসহ দেশের সব ঐতিহাসিক সংগ্রামের সম্মিলিত ফলাফলই হলো বাংলাদেশ। এসব আত্মত্যাগের মূল উদ্দেশ্য ছিল দেশের মানুষের অধিকার, মর্যাদা ও সমৃদ্ধি নিশ্চিত করা। তাই কে ক্ষমতায় আছে বা নেই, সেটি বড় বিষয় নয়; বরং দেশের স্বার্থে জাতীয় ঐক্য বজায় রাখাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

আলোচনায় বক্তারা আরও বলেন, শাপলা চত্বরের শহীদদের প্রতি জাতীয় দায়িত্ব এখনো শেষ হয়নি এবং ভবিষ্যতেও তা পালন করা হবে। এ সময় মিয়া গোলাম পরওয়ার অভিযোগ করেন, শেখ হাসিনা সরকার বিচার বিভাগকে প্রভাবিত করে রায় পরিবর্তনের মাধ্যমে বিচারব্যবস্থাকে ধ্বংস করেছিল। তিনি শাপলা চত্বর হত্যাকাণ্ডের দ্রুত, নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু বিচার দাবি করেন।