পাংশায় চাঁদা না পেয়ে বসতবাড়ি ভাঙচুর, বৃদ্ধাকে মারধরের অভিযোগ
- প্রকাশের সময় : ১০:১১:৫০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬
- / 572
রাজবাড়ীর পাংশা উপজেলায় চাঁদা না পেয়ে এক বৃদ্ধা গৃহবধূকে মারধর ও তার বসতবাড়ি ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে এক নারী ইউপি সদস্য ও তার পরিবারের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী পরিবার থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে।
বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) সকাল ১০টার দিকে উপজেলার সরিষা ইউনিয়নের বাজেয়াপ্ত বাগলী এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর থেকে ভুক্তভোগী পরিবার নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে বলে দাবি করেছে।
ভুক্তভোগী নাহার বেগম (৭০) সরিষা ইউনিয়নের বাজেয়াপ্ত বাগলী এলাকার আব্দুস সাত্তার শেখের স্ত্রী।
অভিযুক্তরা হলেন সরিষা ইউনিয়নের সংরক্ষিত নারী ইউপি সদস্য নাজমা বেগম (৪৫), তার স্বামী সিহাব শেখ (৫০) এবং ছেলে জিহাদ শেখ (১৮)। তারা একই এলাকার বাসিন্দা।
অভিযোগ ও ভুক্তভোগী পরিবার সূত্রে জানা যায়, নতুন বাড়ি নির্মাণের উদ্দেশ্যে গত বছর থেকে সীমানা প্রাচীরের কাজ শুরু করলে নাজমা বেগম ও তার ছেলে তাদের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে অভিযুক্তরা প্রাণনাশের হুমকি দেয় বলে অভিযোগ করা হয়। এরই ধারাবাহিকতায় বৃহস্পতিবার সকালে নাহার বেগমকে মারধর করে তার বসতবাড়ি ভাঙচুর করা হয়।
ভুক্তভোগী নাহার বেগম বলেন, সকাল ১০টার দিকে নাজমা বেগম, তার স্বামী ও ছেলে আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে তার বাড়িতে এসে তাকে মারধর করে। তিনি দৌড়ে পালিয়ে গেলে তারা বাড়ি ভাঙচুর করে এবং চাঁদা না দিয়ে নতুন বাড়ি করতে দেওয়া হবে না বলে হুমকি দেয়।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করে অভিযুক্ত নাজমা বেগম বলেন, তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে নাহার বেগমের সঙ্গে কথা কাটাকাটি হয়। এ সময় তিনি অকথ্য ভাষায় গালাগালি করলে তার ছেলে রাগের বশে ঘরের জানালার কাচ ভেঙে ফেলে। তিনি বলেন, ভাঙা কাচ মেরামতের খরচ দেওয়ার জন্য তিনি নাহার বেগমের ছেলের সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন। তাদের কাছে কোনো চাঁদা দাবি করা হয়নি বলেও দাবি করেন তিনি।
পাংশা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ মঈনুল ইসলাম বলেন, এ ঘটনায় একটি লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
























