Dhaka ০৭:১১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬, ৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ:
গবেষণা থেকে প্রকাশনা: জাবিতে একাডেমিক পাবলিশিং নিয়ে সেমিনার প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেননি কেউ, বৃহস্পতিবার রাষ্ট্রপতি নির্বাচন মান্দায় ৬ কেজি গাঁজাসহ নারী আটক রোহিঙ্গার সংখ্যা নিয়ে মিয়ানমারের বিভ্রান্তিকর তথ্যে ক্ষুব্ধ ঢাকা সাবেক সেনাপ্রধান আজিজকে গ্রেফতারে ইন্টারপোলের ‘রেড নোটিশ’ জারির জন্য চিঠি সিজদায় ইস্তিগফার পাঠ করার ফজিলত সম্পর্কে জানলে অবাক হবেন মধুখালীতে নারীর প্রতি সহিংসতা বন্ধের দাবিতে মহিলা পরিষদের মানববন্ধন ‘খদরে’ খাসি কাণ্ডে নতুন মোড়, সেই জামাইয়ের ফর্দনামা প্রকাশ ঋণনির্ভর অর্থনীতি থেকে নিজস্ব অর্থায়নে যেতে হবে : অর্থমন্ত্রী ওসি-কমিশনারের কথা শোনার টাইম নাই বলা সেই এসআইকে প্রত্যাহার

আলোচিত সেই জেবুকে ঘিরে কৌতূহল, জাইমা রহমানের আবেগঘন পোস্ট

ডেস্ক নিউজ
  • প্রকাশের সময় : ০৩:০০:২৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ ডিসেম্বর ২০২৫
  • / 188

তারেক রহমানের পরিবারের পোষা বিড়াল জেবুকে নিয়ে একটি আবেগঘন পোস্ট বিএনপির মিডিয়া সেলের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া হয়েছে।

আজ সোমবার সকাল ১০টা ৪০ মিনিটে বিএনপির মিডিয়া সেলের ফেসবুক পেজে পোস্টটি দেওয়া হয়।

বাংলা ও ইংরেজিতে দেওয়া মূল পোস্টটি সকাল ১০টায় জাইমা রহমানের পেজ থেকে শেয়ার করা হয়। জাইমা রহমান তারেক রহমানের মেয়ে। পোস্টে জেবুর একটি ছবি যুক্ত করা হয়েছে।

তারেক রহমান সপরিবারে গত বৃহস্পতিবার যুক্তরাজ্যের লন্ডন থেকে ঢাকায় আসেন। তাদের সঙ্গে আসে জেবুও।

জাইমা রহমান পোস্টে লিখেছেন:
“জেবুকে ঘিরে এত কৌতূহল দেখে আমি কিছুটা অবাক, আবার মজাও পাচ্ছি। ভাবছি, ও যদি বিষয়টা বুঝতে পারত! কোনো প্রাণীকে লালন-পালন করা মানেই একটা বড় দায়িত্ব নেওয়া। কারণ, প্রাণীও একটা জীব, আল্লাহর সৃষ্টি। জেবুকে যখন প্রথম ছোট্ট বিড়ালছানা হিসেবে বাসায় এনেছিলাম, তখন ভাবিনি, সে আমাদের পরিবারের এত গুরুত্বপূর্ণ সদস্য হয়ে যাবে। এমনও হয়েছে, আমার আব্বু-আম্মু বাসায় ফিরে আগে জেবুর খবর নিয়েছেন, তারপর আমার! আব্বু যখন অনলাইন মিটিং করতেন, জেবু তাঁর কোলে গুটিসুটি মেরে বসে থাকত, মাথায় হাত বোলানোর আদর উপভোগ করত। আর আমার ক্ষেত্রে, জেবু যেন সব সময় আমার মনের অবস্থা বুঝে ফেলত; তার ছোট্ট পা আর কোমল ছোঁয়া দিয়ে যেভাবে পারে সেভাবেই সঙ্গ দিত।
যাঁরা প্রাণী পোষেন, তাঁরা জানেন, পোষা প্রাণী নিয়ে বাসা বদলানো কতটা কঠিন। জেবু এখন মহাদেশ পেরিয়ে একেবারে নতুন একটা দুনিয়ায় এসেছে। ওর ছোট্ট প্রাণটার জন্য এই পরিবর্তনটা অনেক বড় আর কষ্টের, যেটা আমরা পুরোপুরি বুঝতেও পারি না।
জেবুর মাধ্যমে আমাদের অনেকেই ধৈর্য শিখেছে, বড়-ছোট সব প্রাণীর প্রতি মমতা শিখেছে, আর ভাষা এক না হলেও একে অন্যকে ভালোবাসা আর যত্ন নেওয়ার সৌন্দর্য বুঝেছে। কারণ, ভালোবাসা তো প্রজাতির সীমা মানে না। আমরা ছোটবেলা থেকেই পশুপাখির সঙ্গে বড় হয়েছি। আমি সত্যিই বিশ্বাস করি, যে মানুষ অন্য কোনো জীবের দায়িত্ব নেওয়ার সৌভাগ্য পায়, সে নিজের সম্পর্কে অনেক বেশি কিছু শিখে ফেলে, যা সে হয়তো কল্পনাও করেনি।

জেবু সম্পর্কে একটা মজার তথ্য: ও কখনো ‘মিউ মিউ’ করে না! একদমই না। বরং খুশি বা অবাক হলে পাখির মতো নরম করে ডাক দেয়। অনুমতি ছাড়া কোলে নিলে হালকা বিরক্তিতে গোঁ গোঁ করে। আর যেসব বিড়াল ওর পছন্দ না, তাদের দিকে কিন্তু বেশ জোরেই চিৎকার করে।”

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

আলোচিত সেই জেবুকে ঘিরে কৌতূহল, জাইমা রহমানের আবেগঘন পোস্ট

প্রকাশের সময় : ০৩:০০:২৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ ডিসেম্বর ২০২৫

তারেক রহমানের পরিবারের পোষা বিড়াল জেবুকে নিয়ে একটি আবেগঘন পোস্ট বিএনপির মিডিয়া সেলের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া হয়েছে।

আজ সোমবার সকাল ১০টা ৪০ মিনিটে বিএনপির মিডিয়া সেলের ফেসবুক পেজে পোস্টটি দেওয়া হয়।

বাংলা ও ইংরেজিতে দেওয়া মূল পোস্টটি সকাল ১০টায় জাইমা রহমানের পেজ থেকে শেয়ার করা হয়। জাইমা রহমান তারেক রহমানের মেয়ে। পোস্টে জেবুর একটি ছবি যুক্ত করা হয়েছে।

তারেক রহমান সপরিবারে গত বৃহস্পতিবার যুক্তরাজ্যের লন্ডন থেকে ঢাকায় আসেন। তাদের সঙ্গে আসে জেবুও।

জাইমা রহমান পোস্টে লিখেছেন:
“জেবুকে ঘিরে এত কৌতূহল দেখে আমি কিছুটা অবাক, আবার মজাও পাচ্ছি। ভাবছি, ও যদি বিষয়টা বুঝতে পারত! কোনো প্রাণীকে লালন-পালন করা মানেই একটা বড় দায়িত্ব নেওয়া। কারণ, প্রাণীও একটা জীব, আল্লাহর সৃষ্টি। জেবুকে যখন প্রথম ছোট্ট বিড়ালছানা হিসেবে বাসায় এনেছিলাম, তখন ভাবিনি, সে আমাদের পরিবারের এত গুরুত্বপূর্ণ সদস্য হয়ে যাবে। এমনও হয়েছে, আমার আব্বু-আম্মু বাসায় ফিরে আগে জেবুর খবর নিয়েছেন, তারপর আমার! আব্বু যখন অনলাইন মিটিং করতেন, জেবু তাঁর কোলে গুটিসুটি মেরে বসে থাকত, মাথায় হাত বোলানোর আদর উপভোগ করত। আর আমার ক্ষেত্রে, জেবু যেন সব সময় আমার মনের অবস্থা বুঝে ফেলত; তার ছোট্ট পা আর কোমল ছোঁয়া দিয়ে যেভাবে পারে সেভাবেই সঙ্গ দিত।
যাঁরা প্রাণী পোষেন, তাঁরা জানেন, পোষা প্রাণী নিয়ে বাসা বদলানো কতটা কঠিন। জেবু এখন মহাদেশ পেরিয়ে একেবারে নতুন একটা দুনিয়ায় এসেছে। ওর ছোট্ট প্রাণটার জন্য এই পরিবর্তনটা অনেক বড় আর কষ্টের, যেটা আমরা পুরোপুরি বুঝতেও পারি না।
জেবুর মাধ্যমে আমাদের অনেকেই ধৈর্য শিখেছে, বড়-ছোট সব প্রাণীর প্রতি মমতা শিখেছে, আর ভাষা এক না হলেও একে অন্যকে ভালোবাসা আর যত্ন নেওয়ার সৌন্দর্য বুঝেছে। কারণ, ভালোবাসা তো প্রজাতির সীমা মানে না। আমরা ছোটবেলা থেকেই পশুপাখির সঙ্গে বড় হয়েছি। আমি সত্যিই বিশ্বাস করি, যে মানুষ অন্য কোনো জীবের দায়িত্ব নেওয়ার সৌভাগ্য পায়, সে নিজের সম্পর্কে অনেক বেশি কিছু শিখে ফেলে, যা সে হয়তো কল্পনাও করেনি।

জেবু সম্পর্কে একটা মজার তথ্য: ও কখনো ‘মিউ মিউ’ করে না! একদমই না। বরং খুশি বা অবাক হলে পাখির মতো নরম করে ডাক দেয়। অনুমতি ছাড়া কোলে নিলে হালকা বিরক্তিতে গোঁ গোঁ করে। আর যেসব বিড়াল ওর পছন্দ না, তাদের দিকে কিন্তু বেশ জোরেই চিৎকার করে।”