Dhaka ০৩:৩৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৬, ২ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ:
শেখ হাসিনাকে ফেরাতে ভারতের সঙ্গে আইনি প্রক্রিয়া চলছে : চিফ প্রসিকিউটর প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্তদের ঢেউটিন ও নগদ অর্থ সহায়তা প্রদান পাংশা উপজেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত সোশ্যাল মিডিয়ার লাইক-ভিউয়ের নেশায় উল্টো পথে গাড়ি, প্রাণ গেল ৫ কিশোরের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে সরকার কাজ করছে : মাহদী আমিন একটি ভগ্নস্তূপের ওপর দাঁড়িয়ে দেশ গড়ছে সরকার: রিজভী তারেক রহমানের ভারত সফর দ্রুত হওয়া উচিত : দীনেশ ত্রিবেদী উপকূলে ঝোড়ো হাওয়ার শঙ্কা, সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত সৌরবিদ্যুতে রিচার্জ না করলে ব্যাটারিচালিত রিকশার রেজিস্ট্রেশন নয় ঢাকায় মৃদু ভূমিকম্প, উৎপত্তিস্থল নরসিংদীর শিবপুর

আলোচিত সেই জেবুকে ঘিরে কৌতূহল, জাইমা রহমানের আবেগঘন পোস্ট

ডেস্ক নিউজ
  • প্রকাশের সময় : ০৩:০০:২৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ ডিসেম্বর ২০২৫
  • / 187

তারেক রহমানের পরিবারের পোষা বিড়াল জেবুকে নিয়ে একটি আবেগঘন পোস্ট বিএনপির মিডিয়া সেলের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া হয়েছে।

আজ সোমবার সকাল ১০টা ৪০ মিনিটে বিএনপির মিডিয়া সেলের ফেসবুক পেজে পোস্টটি দেওয়া হয়।

বাংলা ও ইংরেজিতে দেওয়া মূল পোস্টটি সকাল ১০টায় জাইমা রহমানের পেজ থেকে শেয়ার করা হয়। জাইমা রহমান তারেক রহমানের মেয়ে। পোস্টে জেবুর একটি ছবি যুক্ত করা হয়েছে।

তারেক রহমান সপরিবারে গত বৃহস্পতিবার যুক্তরাজ্যের লন্ডন থেকে ঢাকায় আসেন। তাদের সঙ্গে আসে জেবুও।

জাইমা রহমান পোস্টে লিখেছেন:
“জেবুকে ঘিরে এত কৌতূহল দেখে আমি কিছুটা অবাক, আবার মজাও পাচ্ছি। ভাবছি, ও যদি বিষয়টা বুঝতে পারত! কোনো প্রাণীকে লালন-পালন করা মানেই একটা বড় দায়িত্ব নেওয়া। কারণ, প্রাণীও একটা জীব, আল্লাহর সৃষ্টি। জেবুকে যখন প্রথম ছোট্ট বিড়ালছানা হিসেবে বাসায় এনেছিলাম, তখন ভাবিনি, সে আমাদের পরিবারের এত গুরুত্বপূর্ণ সদস্য হয়ে যাবে। এমনও হয়েছে, আমার আব্বু-আম্মু বাসায় ফিরে আগে জেবুর খবর নিয়েছেন, তারপর আমার! আব্বু যখন অনলাইন মিটিং করতেন, জেবু তাঁর কোলে গুটিসুটি মেরে বসে থাকত, মাথায় হাত বোলানোর আদর উপভোগ করত। আর আমার ক্ষেত্রে, জেবু যেন সব সময় আমার মনের অবস্থা বুঝে ফেলত; তার ছোট্ট পা আর কোমল ছোঁয়া দিয়ে যেভাবে পারে সেভাবেই সঙ্গ দিত।
যাঁরা প্রাণী পোষেন, তাঁরা জানেন, পোষা প্রাণী নিয়ে বাসা বদলানো কতটা কঠিন। জেবু এখন মহাদেশ পেরিয়ে একেবারে নতুন একটা দুনিয়ায় এসেছে। ওর ছোট্ট প্রাণটার জন্য এই পরিবর্তনটা অনেক বড় আর কষ্টের, যেটা আমরা পুরোপুরি বুঝতেও পারি না।
জেবুর মাধ্যমে আমাদের অনেকেই ধৈর্য শিখেছে, বড়-ছোট সব প্রাণীর প্রতি মমতা শিখেছে, আর ভাষা এক না হলেও একে অন্যকে ভালোবাসা আর যত্ন নেওয়ার সৌন্দর্য বুঝেছে। কারণ, ভালোবাসা তো প্রজাতির সীমা মানে না। আমরা ছোটবেলা থেকেই পশুপাখির সঙ্গে বড় হয়েছি। আমি সত্যিই বিশ্বাস করি, যে মানুষ অন্য কোনো জীবের দায়িত্ব নেওয়ার সৌভাগ্য পায়, সে নিজের সম্পর্কে অনেক বেশি কিছু শিখে ফেলে, যা সে হয়তো কল্পনাও করেনি।

জেবু সম্পর্কে একটা মজার তথ্য: ও কখনো ‘মিউ মিউ’ করে না! একদমই না। বরং খুশি বা অবাক হলে পাখির মতো নরম করে ডাক দেয়। অনুমতি ছাড়া কোলে নিলে হালকা বিরক্তিতে গোঁ গোঁ করে। আর যেসব বিড়াল ওর পছন্দ না, তাদের দিকে কিন্তু বেশ জোরেই চিৎকার করে।”

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

আলোচিত সেই জেবুকে ঘিরে কৌতূহল, জাইমা রহমানের আবেগঘন পোস্ট

প্রকাশের সময় : ০৩:০০:২৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ ডিসেম্বর ২০২৫

তারেক রহমানের পরিবারের পোষা বিড়াল জেবুকে নিয়ে একটি আবেগঘন পোস্ট বিএনপির মিডিয়া সেলের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া হয়েছে।

আজ সোমবার সকাল ১০টা ৪০ মিনিটে বিএনপির মিডিয়া সেলের ফেসবুক পেজে পোস্টটি দেওয়া হয়।

বাংলা ও ইংরেজিতে দেওয়া মূল পোস্টটি সকাল ১০টায় জাইমা রহমানের পেজ থেকে শেয়ার করা হয়। জাইমা রহমান তারেক রহমানের মেয়ে। পোস্টে জেবুর একটি ছবি যুক্ত করা হয়েছে।

তারেক রহমান সপরিবারে গত বৃহস্পতিবার যুক্তরাজ্যের লন্ডন থেকে ঢাকায় আসেন। তাদের সঙ্গে আসে জেবুও।

জাইমা রহমান পোস্টে লিখেছেন:
“জেবুকে ঘিরে এত কৌতূহল দেখে আমি কিছুটা অবাক, আবার মজাও পাচ্ছি। ভাবছি, ও যদি বিষয়টা বুঝতে পারত! কোনো প্রাণীকে লালন-পালন করা মানেই একটা বড় দায়িত্ব নেওয়া। কারণ, প্রাণীও একটা জীব, আল্লাহর সৃষ্টি। জেবুকে যখন প্রথম ছোট্ট বিড়ালছানা হিসেবে বাসায় এনেছিলাম, তখন ভাবিনি, সে আমাদের পরিবারের এত গুরুত্বপূর্ণ সদস্য হয়ে যাবে। এমনও হয়েছে, আমার আব্বু-আম্মু বাসায় ফিরে আগে জেবুর খবর নিয়েছেন, তারপর আমার! আব্বু যখন অনলাইন মিটিং করতেন, জেবু তাঁর কোলে গুটিসুটি মেরে বসে থাকত, মাথায় হাত বোলানোর আদর উপভোগ করত। আর আমার ক্ষেত্রে, জেবু যেন সব সময় আমার মনের অবস্থা বুঝে ফেলত; তার ছোট্ট পা আর কোমল ছোঁয়া দিয়ে যেভাবে পারে সেভাবেই সঙ্গ দিত।
যাঁরা প্রাণী পোষেন, তাঁরা জানেন, পোষা প্রাণী নিয়ে বাসা বদলানো কতটা কঠিন। জেবু এখন মহাদেশ পেরিয়ে একেবারে নতুন একটা দুনিয়ায় এসেছে। ওর ছোট্ট প্রাণটার জন্য এই পরিবর্তনটা অনেক বড় আর কষ্টের, যেটা আমরা পুরোপুরি বুঝতেও পারি না।
জেবুর মাধ্যমে আমাদের অনেকেই ধৈর্য শিখেছে, বড়-ছোট সব প্রাণীর প্রতি মমতা শিখেছে, আর ভাষা এক না হলেও একে অন্যকে ভালোবাসা আর যত্ন নেওয়ার সৌন্দর্য বুঝেছে। কারণ, ভালোবাসা তো প্রজাতির সীমা মানে না। আমরা ছোটবেলা থেকেই পশুপাখির সঙ্গে বড় হয়েছি। আমি সত্যিই বিশ্বাস করি, যে মানুষ অন্য কোনো জীবের দায়িত্ব নেওয়ার সৌভাগ্য পায়, সে নিজের সম্পর্কে অনেক বেশি কিছু শিখে ফেলে, যা সে হয়তো কল্পনাও করেনি।

জেবু সম্পর্কে একটা মজার তথ্য: ও কখনো ‘মিউ মিউ’ করে না! একদমই না। বরং খুশি বা অবাক হলে পাখির মতো নরম করে ডাক দেয়। অনুমতি ছাড়া কোলে নিলে হালকা বিরক্তিতে গোঁ গোঁ করে। আর যেসব বিড়াল ওর পছন্দ না, তাদের দিকে কিন্তু বেশ জোরেই চিৎকার করে।”