Dhaka ১১:৫৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২৬, ১২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

গ্রামের বাড়ি কালুখালীতে সুদানে নিহত সৈনিক শামীম রেজার দাফন সম্পন্ন

রাজবাড়ী প্রতিনিধি
  • প্রকাশের সময় : ০৭:১২:০৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ ডিসেম্বর ২০২৫
  • / 130

গত ১৩ ডিসেম্বর সুদানে শান্তিরক্ষা মিশনে সন্ত্রসীদের ড্রোন হামলায় ৬ জন বাংলাদেশী সৈনিক নিহত হয়। এর মধ্যে রাজবাড়ী কালুখালী উপজেলার মৃগী ইউনিয়নের হোগলাডাঙ্গি গ্রামের মো. আলমগীর ফকিরের ছেলে সৈনিক মো. শামীম রেজা (২৮) রয়েছে।

আজ রবিবার বেলা দুইটার দিকে সেনাবাহিনীর মরদেহবাহী হেলিকপ্টারে কালুখালী উপজেলা মিনি ষ্টেডিয়ামে নিয়ে আসে।
সেখান থেকে তার মরদেহ গ্রামের বাড়িতে নিয়ে আসলে বাড়িতে শোকের মাতম লক্ষ করা যায়। কিছু সময় সেখানে মরদেহ রাখার পর পার্শ্ববর্তী পারিবারিক কবরস্থানে নিয়ে যাওয়া হয়।সেখানে শামীম রেজার মরদেহে সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে এবং উপজেলা প্রশাসনের পখ থেকে প্ষ্পুমাল্য অর্পনের পাশাপাশি রাষ্ট্রিয় মর্যাদা প্রদান শেষ করে দাফন করা হয়। শামীম রেজা তিন ভাই ও এক বোনের মধ্যে তিনি ছিলেন সকলের বড়। বাবা মো. আলমগীর ফকির স্থানীয় সমজিদের একজন খাদেম। শামীম গত দের বছর আগে বিয়ে করেন।কিন্তু তার কোন সন্ত্রান ছিলনা।

এলাকাবাসি ও তার আত্মীয় স্বজনেরা বলেন, শামীম রেজা এলাকার একজন ভালে মানুষ ছিলেন।এলাকার মানুষের সাথে তার নিবির সখ্যতা ছিলো।সততা ও নিষ্ঠার সাথে সে সেনাবাহিনীতে চাকরি করে আসছিলিন। সরকারের পক্ষ থেকে সার্বিক সহযোগীতা কামনা করেন এলাকাবাসি।

নিহত শামীম রেজার ভাই- সোহেল ফকির বলেন,তাদের পরিবারে প্রধান উপার্যক্ষন ব্যাক্তি ছিলেন শামীম রেজা।তার মৃত্যুতে পারিবারিক ভাবে ভেঙ্গে পরেছেন। সরকারের কাছে তাদের সব ধরনের সহযোগীতা করেছেন।
সেখানে দায়িত্ব পালনকালে ১৩ ডিসেম্বর সুদানের আবেই শহরে একটি ড্রোন হামলায় তিনি নিহত হন।

 

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

গ্রামের বাড়ি কালুখালীতে সুদানে নিহত সৈনিক শামীম রেজার দাফন সম্পন্ন

প্রকাশের সময় : ০৭:১২:০৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ ডিসেম্বর ২০২৫

গত ১৩ ডিসেম্বর সুদানে শান্তিরক্ষা মিশনে সন্ত্রসীদের ড্রোন হামলায় ৬ জন বাংলাদেশী সৈনিক নিহত হয়। এর মধ্যে রাজবাড়ী কালুখালী উপজেলার মৃগী ইউনিয়নের হোগলাডাঙ্গি গ্রামের মো. আলমগীর ফকিরের ছেলে সৈনিক মো. শামীম রেজা (২৮) রয়েছে।

আজ রবিবার বেলা দুইটার দিকে সেনাবাহিনীর মরদেহবাহী হেলিকপ্টারে কালুখালী উপজেলা মিনি ষ্টেডিয়ামে নিয়ে আসে।
সেখান থেকে তার মরদেহ গ্রামের বাড়িতে নিয়ে আসলে বাড়িতে শোকের মাতম লক্ষ করা যায়। কিছু সময় সেখানে মরদেহ রাখার পর পার্শ্ববর্তী পারিবারিক কবরস্থানে নিয়ে যাওয়া হয়।সেখানে শামীম রেজার মরদেহে সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে এবং উপজেলা প্রশাসনের পখ থেকে প্ষ্পুমাল্য অর্পনের পাশাপাশি রাষ্ট্রিয় মর্যাদা প্রদান শেষ করে দাফন করা হয়। শামীম রেজা তিন ভাই ও এক বোনের মধ্যে তিনি ছিলেন সকলের বড়। বাবা মো. আলমগীর ফকির স্থানীয় সমজিদের একজন খাদেম। শামীম গত দের বছর আগে বিয়ে করেন।কিন্তু তার কোন সন্ত্রান ছিলনা।

এলাকাবাসি ও তার আত্মীয় স্বজনেরা বলেন, শামীম রেজা এলাকার একজন ভালে মানুষ ছিলেন।এলাকার মানুষের সাথে তার নিবির সখ্যতা ছিলো।সততা ও নিষ্ঠার সাথে সে সেনাবাহিনীতে চাকরি করে আসছিলিন। সরকারের পক্ষ থেকে সার্বিক সহযোগীতা কামনা করেন এলাকাবাসি।

নিহত শামীম রেজার ভাই- সোহেল ফকির বলেন,তাদের পরিবারে প্রধান উপার্যক্ষন ব্যাক্তি ছিলেন শামীম রেজা।তার মৃত্যুতে পারিবারিক ভাবে ভেঙ্গে পরেছেন। সরকারের কাছে তাদের সব ধরনের সহযোগীতা করেছেন।
সেখানে দায়িত্ব পালনকালে ১৩ ডিসেম্বর সুদানের আবেই শহরে একটি ড্রোন হামলায় তিনি নিহত হন।