Dhaka ০১:৪৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬, ১১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ:
আজও জন্মদিন আসে রাজবাড়ীতে কবি আবু হাসান শাহরিয়ারের জন্মদিন পালিত রাশেদ খানকে নিয়ে কুরুচিপূর্ণ গান, প্রতিবাদ করায় যুবনেতাকে হত্যার হুমকির অভিযোগ স্বাক্ষর জাল করে স্কুল পালানো, ব্যতিক্রমী শাস্তি দিলেন ইউএনও জিগাতলায় দুই ভবনে মশার লার্ভা, লাখ টাকা জরিমানা বেসরকারি মেডিকেলে এমবিবিএসে মেধাবীদের জন্য ৫ শতাংশ কোটা রয়েছে : স্বাস্থ্যমন্ত্রী রাশিয়ার বুকে ডাইনোসরের পদচিহ্ন, রহস্য খুঁজছে বিজ্ঞানীরা কালুখালীতে অবৈধ জাল তৈরির কারখানায় অভিযান, সাড়ে ৬ লাখ টাকার জাল জব্দ ভেনেজুয়েলার পাশে বিশ্বনেতারা, সহায়তার ঘোষণা বিভিন্ন দেশের বিদায় নিশ্চিত তিউনিসিয়ার, গ্রুপ সেরা মিশনে নেদারল্যান্ডস

বিয়েতে বন্ধু না আসায় কবুল বলেনি বর

ডেস্ক নিউজ
  • প্রকাশের সময় : ১০:৫১:২৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৫
  • / 115

বিয়ের সাজে সেজেছে পুরো বাড়ি। কনের বাড়িতে চলছে রান্নাবান্না আর অতিথি আপ্যায়ন, আর বরযাত্রীরাও গাড়িবহর নিয়ে হাজির হয়েছেন। সবাই অধীর আগ্রহে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হওয়ার অপেক্ষায়। কিন্তু দুই ঘণ্টা পার হয়ে গেলেও অনুষ্ঠান শুরু হয়নি। পরে জানা যায়, বর স্পষ্টভাবে বলেছে, বন্ধু না এলে তিনি ‘কবুল’ বলবেন না।

আজ মঙ্গলবার (১৪ অক্টোবর) দুপুরে নোয়াখালীর হাতিয়া উপজেলার তমরদ্দি ইউনিয়নের ক্ষিরোদিয়া গ্রামে এমন চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটেছে। ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সোনাদিয়া ইউনিয়নের মাইজচরা গ্রামের করিম বেপারির ছেলে আরমানের বিয়ে ঠিক হয় তমরদ্দি ইউনিয়নের ক্ষিরোদিয়া গ্রামের এক পরিবারের মেয়ের সঙ্গে। বরযাত্রী রওনা হওয়ার আগে আরমানের এক ঘনিষ্ঠ বন্ধুর সঙ্গে গাড়িতে বসা নিয়ে মনোমালিন্য হয়। ক্ষুব্ধ হয়ে ওই বন্ধু বিয়েতে না যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন।

বরযাত্রী কনের বাড়িতে পৌঁছালে আরমান তার বন্ধুকে না দেখে গাড়ি থেকে নামতেই বিয়েতে অস্বীকৃতি জানান। পরিবারের সদস্য, আত্মীয়স্বজন ও গ্রামবাসীর অনেক অনুরোধে বিয়ার আসরে যাওয়া সত্ত্বেও বর রাজি হননি। স্পষ্টভাবে তিনি জানিয়ে দেন, বন্ধু না এলে তিনি কবুল বলবেন না।

প্রায় দুই ঘণ্টা পর বরপক্ষের লোকজন বন্ধুকে এনে পৌঁছে। এরপরই আরমান হাসিমুখে ‘কবুল’ বলেন এবং বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়।

বর আরমান হোসেন বলেন, “রিয়াজ আমার ছোটবেলার বন্ধু। আমার এক আত্মীয়ের সঙ্গে গাড়িতে বসা নিয়ে সে রেগে বিয়েতে আসেনি। আমার শুভ কাজে সে থাকবে না, এটা আমি মানতে পারিনি। তাই সে আসার পরই বিয়ে করেছি।”

কনেপক্ষের আত্মীয় আলতাফ হোসেন বলেন, “দুপুর ১২টা থেকে আমরা এলাকার লোকজনকে খাওয়ানো শুরু করি। বর দেড়টার দিকে এসেছে। বরের এক বন্ধুর জন্য প্রায় দুই ঘণ্টা আমরা অপেক্ষা করেছি। অনেক গ্রামবাসী রাগ করে চলে গেছেন। পরে বন্ধুকে আনার পর বিয়ের কাজ সম্পন্ন হয়।”

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

বিয়েতে বন্ধু না আসায় কবুল বলেনি বর

প্রকাশের সময় : ১০:৫১:২৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৫

বিয়ের সাজে সেজেছে পুরো বাড়ি। কনের বাড়িতে চলছে রান্নাবান্না আর অতিথি আপ্যায়ন, আর বরযাত্রীরাও গাড়িবহর নিয়ে হাজির হয়েছেন। সবাই অধীর আগ্রহে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হওয়ার অপেক্ষায়। কিন্তু দুই ঘণ্টা পার হয়ে গেলেও অনুষ্ঠান শুরু হয়নি। পরে জানা যায়, বর স্পষ্টভাবে বলেছে, বন্ধু না এলে তিনি ‘কবুল’ বলবেন না।

আজ মঙ্গলবার (১৪ অক্টোবর) দুপুরে নোয়াখালীর হাতিয়া উপজেলার তমরদ্দি ইউনিয়নের ক্ষিরোদিয়া গ্রামে এমন চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটেছে। ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সোনাদিয়া ইউনিয়নের মাইজচরা গ্রামের করিম বেপারির ছেলে আরমানের বিয়ে ঠিক হয় তমরদ্দি ইউনিয়নের ক্ষিরোদিয়া গ্রামের এক পরিবারের মেয়ের সঙ্গে। বরযাত্রী রওনা হওয়ার আগে আরমানের এক ঘনিষ্ঠ বন্ধুর সঙ্গে গাড়িতে বসা নিয়ে মনোমালিন্য হয়। ক্ষুব্ধ হয়ে ওই বন্ধু বিয়েতে না যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন।

বরযাত্রী কনের বাড়িতে পৌঁছালে আরমান তার বন্ধুকে না দেখে গাড়ি থেকে নামতেই বিয়েতে অস্বীকৃতি জানান। পরিবারের সদস্য, আত্মীয়স্বজন ও গ্রামবাসীর অনেক অনুরোধে বিয়ার আসরে যাওয়া সত্ত্বেও বর রাজি হননি। স্পষ্টভাবে তিনি জানিয়ে দেন, বন্ধু না এলে তিনি কবুল বলবেন না।

প্রায় দুই ঘণ্টা পর বরপক্ষের লোকজন বন্ধুকে এনে পৌঁছে। এরপরই আরমান হাসিমুখে ‘কবুল’ বলেন এবং বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়।

বর আরমান হোসেন বলেন, “রিয়াজ আমার ছোটবেলার বন্ধু। আমার এক আত্মীয়ের সঙ্গে গাড়িতে বসা নিয়ে সে রেগে বিয়েতে আসেনি। আমার শুভ কাজে সে থাকবে না, এটা আমি মানতে পারিনি। তাই সে আসার পরই বিয়ে করেছি।”

কনেপক্ষের আত্মীয় আলতাফ হোসেন বলেন, “দুপুর ১২টা থেকে আমরা এলাকার লোকজনকে খাওয়ানো শুরু করি। বর দেড়টার দিকে এসেছে। বরের এক বন্ধুর জন্য প্রায় দুই ঘণ্টা আমরা অপেক্ষা করেছি। অনেক গ্রামবাসী রাগ করে চলে গেছেন। পরে বন্ধুকে আনার পর বিয়ের কাজ সম্পন্ন হয়।”