Dhaka ০১:৪৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬, ১২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ:
সংবিধান অনুযায়ী যথাসময়ে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন হবে : মির্জা ফখরুল বীর মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ পরিবারের সম্মানি ভাতা বাড়ালো সরকার এক বছর পর ফের চালু হলো বিমানের ঢাকা-নারিতা সরাসরি ফ্লাইট সোনার দাম ভরিতে বাড়ল ২ হাজার ২১৬ টাকা মাধ্যমিক শিক্ষা ও নারী উন্নয়নে সরকারি উপবৃত্তির ভূমিকা শাপলা চত্বরে হত্যাযজ্ঞ : শেখ হাসিনাসহ ৪১ জনের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ কোটালীপাড়ায় ১৭০ কেজি নিষিদ্ধ পিরানহা মাছ জব্দ, আড়তদারকে জরিমানা যুক্তরাষ্ট্র হামলা বন্ধ রাখলে পাল্টা হামলাও বন্ধ রাখবে ইরান কালীগঞ্জে র‍্যাবের অভিযানে ৫০ বোতল ফেয়ারডিলসহ নারী আটক কালীগঞ্জে জেলা প্রশাসক গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টে মালিয়াট ইউনিয়নের জয়

বহরপুর প্রাক্তন খেলোয়াড়দের অংশগ্রহণে প্রীতি ফুটবল

বালিয়াকান্দি প্রতিনিধি
  • প্রকাশের সময় : ০৬:৫১:০১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ জুন ২০২৫
  • / 287

উপজেলার ঐতিহ্যবাহী বহরপুর রেলওয়ে ফুটবল মাঠ পরিণত হয়েছিল মিলনমেলায়। ঈদউত্তর প্রীতির আবহে আয়োজিত হলো প্রীতি ফুটবল ম্যাচপ্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন দুই ইউনিয়নের ৪০ ঊর্ধ্ব সাবেক ফুটবলাররাবহরপুর ইউনিয়ন ফুটবল একাদশ বনাম ইসলামপুর ইউনিয়ন ফুটবল একাদশ।
আয়োজনে ছিলো বিএনবিএস ক্লাব, দীর্ঘদিন ধরেই অঞ্চলের ক্রীড়া সংস্কৃতি টিকিয়ে রাখতে নিরলস পরিশ্রম করে যাচ্ছেন। তাঁদের প্রচেষ্টায় ফুটবলপ্রেমীরা ফিরে পেলেন তাদের সেই পুরনো স্মৃতি জড়ানো দিনগুলোর রোমাঞ্চ।
এক সময়ের মাঠ কাঁপানো তারকা খেলোয়াড়, যারা জীবন জীবিকার কারনে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে বিভিন্ন  পেশায় নিয়োজিত, আবারও বলের জাদুতে মাতিয়ে তুললেন দর্শকপ্লাবিত মাঠ। বয়স তাদের গায়ে বাড়লেও, পায়ের ছন্দে ছিল না কোনো ক্লান্তি। গতি, পাস, ড্রিবল, শটসব কিছুতেই ফুটে উঠছিল অভিজ্ঞতার দীপ্তি।
মাঠজুড়ে ছিল উত্তেজনার ঢেউ, আর গ্যালারিতে ছিল বাঁধভাঙা উচ্ছ্বাস।খেলাধুলা শুধু তারুণ্যের সম্পদ নয়, এটি চিরন্তন এক চেতনা”—এই বাণী যেন জাগ্রত হলো প্রতিটি দর্শকের মনে, বহরপুর রেলওয়ে ফুটবল মাঠ রূপ নিয়েছিল এক উৎসবমুখর মিলনস্থলে। এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, বিশিষ্ট সমাজসেবক, সাংবাদিকবৃন্দসহ হাজারো সাধারণ মানুষ উপভোগ করেন এই ব্যতিক্রমী আয়োজন। করতালির শব্দ আর  গোল গোল ধ্বনিতে বারবার মুখরিত হচ্ছিল চারপাশ।
বিএনবিএস ক্লাবএর অন্যতম লক্ষ্য ছিলফুটবলকে শুধু প্রতিযোগিতার ভেতর সীমাবদ্ধ না রেখে, এটিকে এক বন্ধনের মাধ্যম হিসেবে উপস্থাপন করা; যেখানে স্মৃতিচারণ, ভ্রাতৃত্ববোধ, এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য অনুপ্রেরণা তৈরি হবে। সাবেক তারকাদের মাঠে ফিরে আসা যেন তরুণ ফুটবলপ্রেমীদের সামনে এক জীবন্ত উদাহরণ হয়ে উঠল।
ম্যাচ শেষে গোলে বিজয়ী হয় বহরপুর ইউনিয়ন একাদশ। তবে হারজিত এই দিনের মূল বিষয়  নয়মূল বিষয় ছিল ভালোবাসা, স্মৃতি আর ঐক্যের বিজয়।
এই অসাধারণ আয়োজন  তৈরি করল এক নতুন অধ্যায়যেখানে বয়স নয়, মনের বয়স হয়ে উঠল খেলার প্রধান চালিকা শক্তি। 

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

বহরপুর প্রাক্তন খেলোয়াড়দের অংশগ্রহণে প্রীতি ফুটবল

প্রকাশের সময় : ০৬:৫১:০১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ জুন ২০২৫

উপজেলার ঐতিহ্যবাহী বহরপুর রেলওয়ে ফুটবল মাঠ পরিণত হয়েছিল মিলনমেলায়। ঈদউত্তর প্রীতির আবহে আয়োজিত হলো প্রীতি ফুটবল ম্যাচপ্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন দুই ইউনিয়নের ৪০ ঊর্ধ্ব সাবেক ফুটবলাররাবহরপুর ইউনিয়ন ফুটবল একাদশ বনাম ইসলামপুর ইউনিয়ন ফুটবল একাদশ।
আয়োজনে ছিলো বিএনবিএস ক্লাব, দীর্ঘদিন ধরেই অঞ্চলের ক্রীড়া সংস্কৃতি টিকিয়ে রাখতে নিরলস পরিশ্রম করে যাচ্ছেন। তাঁদের প্রচেষ্টায় ফুটবলপ্রেমীরা ফিরে পেলেন তাদের সেই পুরনো স্মৃতি জড়ানো দিনগুলোর রোমাঞ্চ।
এক সময়ের মাঠ কাঁপানো তারকা খেলোয়াড়, যারা জীবন জীবিকার কারনে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে বিভিন্ন  পেশায় নিয়োজিত, আবারও বলের জাদুতে মাতিয়ে তুললেন দর্শকপ্লাবিত মাঠ। বয়স তাদের গায়ে বাড়লেও, পায়ের ছন্দে ছিল না কোনো ক্লান্তি। গতি, পাস, ড্রিবল, শটসব কিছুতেই ফুটে উঠছিল অভিজ্ঞতার দীপ্তি।
মাঠজুড়ে ছিল উত্তেজনার ঢেউ, আর গ্যালারিতে ছিল বাঁধভাঙা উচ্ছ্বাস।খেলাধুলা শুধু তারুণ্যের সম্পদ নয়, এটি চিরন্তন এক চেতনা”—এই বাণী যেন জাগ্রত হলো প্রতিটি দর্শকের মনে, বহরপুর রেলওয়ে ফুটবল মাঠ রূপ নিয়েছিল এক উৎসবমুখর মিলনস্থলে। এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, বিশিষ্ট সমাজসেবক, সাংবাদিকবৃন্দসহ হাজারো সাধারণ মানুষ উপভোগ করেন এই ব্যতিক্রমী আয়োজন। করতালির শব্দ আর  গোল গোল ধ্বনিতে বারবার মুখরিত হচ্ছিল চারপাশ।
বিএনবিএস ক্লাবএর অন্যতম লক্ষ্য ছিলফুটবলকে শুধু প্রতিযোগিতার ভেতর সীমাবদ্ধ না রেখে, এটিকে এক বন্ধনের মাধ্যম হিসেবে উপস্থাপন করা; যেখানে স্মৃতিচারণ, ভ্রাতৃত্ববোধ, এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য অনুপ্রেরণা তৈরি হবে। সাবেক তারকাদের মাঠে ফিরে আসা যেন তরুণ ফুটবলপ্রেমীদের সামনে এক জীবন্ত উদাহরণ হয়ে উঠল।
ম্যাচ শেষে গোলে বিজয়ী হয় বহরপুর ইউনিয়ন একাদশ। তবে হারজিত এই দিনের মূল বিষয়  নয়মূল বিষয় ছিল ভালোবাসা, স্মৃতি আর ঐক্যের বিজয়।
এই অসাধারণ আয়োজন  তৈরি করল এক নতুন অধ্যায়যেখানে বয়স নয়, মনের বয়স হয়ে উঠল খেলার প্রধান চালিকা শক্তি।