Dhaka ০১:৫০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ:
থাইল্যান্ডের দক্ষিণাঞ্চলে নতুন ইসলামী রাষ্ট্র গঠনের ঘোষণা, বিশ্বজুড়ে ব্যাপক আলোচনা হাইকোর্টের বিচারপতি হিসেবে দেবাশীষ রায় চৌধুরীর শপথ এশিয়ান গেমসে শ্রীলঙ্কাকে উড়িয়ে দিল বাংলাদেশ টেকসই শান্তি প্রতিষ্ঠায় নারীর নেতৃত্ব নি‌শ্চি‌তে জোর বাংলা‌দে‌শের কুমিল্লায় কিশোর গ্যাং সন্দেহে এক রাতে আটক ৬২৪ উত্তরপ্রদেশে পর্যটকবাহী বাসে আগুন, নিহত ৯ প্রবাসী বাংলাদেশিদের নিরাপত্তা শঙ্কার কথা জানালেন তারেক রহমান যুক্তরাষ্ট্রে পৌঁছালেন শি জিনপিং, স্বাগত জানালেন ট্রাম্প বোয়িংয়ের আরও ১১ উড়োজাহাজ কেনার চুক্তি বাংলাদেশের নিরাপদ ও টেকসই ভবিষ্যৎ গড়তে বিশ্বনেতাদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান

বহরপুর প্রাক্তন খেলোয়াড়দের অংশগ্রহণে প্রীতি ফুটবল

বালিয়াকান্দি প্রতিনিধি
  • প্রকাশের সময় : ০৬:৫১:০১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ জুন ২০২৫
  • / 322

উপজেলার ঐতিহ্যবাহী বহরপুর রেলওয়ে ফুটবল মাঠ পরিণত হয়েছিল মিলনমেলায়। ঈদউত্তর প্রীতির আবহে আয়োজিত হলো প্রীতি ফুটবল ম্যাচপ্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন দুই ইউনিয়নের ৪০ ঊর্ধ্ব সাবেক ফুটবলাররাবহরপুর ইউনিয়ন ফুটবল একাদশ বনাম ইসলামপুর ইউনিয়ন ফুটবল একাদশ।
আয়োজনে ছিলো বিএনবিএস ক্লাব, দীর্ঘদিন ধরেই অঞ্চলের ক্রীড়া সংস্কৃতি টিকিয়ে রাখতে নিরলস পরিশ্রম করে যাচ্ছেন। তাঁদের প্রচেষ্টায় ফুটবলপ্রেমীরা ফিরে পেলেন তাদের সেই পুরনো স্মৃতি জড়ানো দিনগুলোর রোমাঞ্চ।
এক সময়ের মাঠ কাঁপানো তারকা খেলোয়াড়, যারা জীবন জীবিকার কারনে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে বিভিন্ন  পেশায় নিয়োজিত, আবারও বলের জাদুতে মাতিয়ে তুললেন দর্শকপ্লাবিত মাঠ। বয়স তাদের গায়ে বাড়লেও, পায়ের ছন্দে ছিল না কোনো ক্লান্তি। গতি, পাস, ড্রিবল, শটসব কিছুতেই ফুটে উঠছিল অভিজ্ঞতার দীপ্তি।
মাঠজুড়ে ছিল উত্তেজনার ঢেউ, আর গ্যালারিতে ছিল বাঁধভাঙা উচ্ছ্বাস।খেলাধুলা শুধু তারুণ্যের সম্পদ নয়, এটি চিরন্তন এক চেতনা”—এই বাণী যেন জাগ্রত হলো প্রতিটি দর্শকের মনে, বহরপুর রেলওয়ে ফুটবল মাঠ রূপ নিয়েছিল এক উৎসবমুখর মিলনস্থলে। এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, বিশিষ্ট সমাজসেবক, সাংবাদিকবৃন্দসহ হাজারো সাধারণ মানুষ উপভোগ করেন এই ব্যতিক্রমী আয়োজন। করতালির শব্দ আর  গোল গোল ধ্বনিতে বারবার মুখরিত হচ্ছিল চারপাশ।
বিএনবিএস ক্লাবএর অন্যতম লক্ষ্য ছিলফুটবলকে শুধু প্রতিযোগিতার ভেতর সীমাবদ্ধ না রেখে, এটিকে এক বন্ধনের মাধ্যম হিসেবে উপস্থাপন করা; যেখানে স্মৃতিচারণ, ভ্রাতৃত্ববোধ, এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য অনুপ্রেরণা তৈরি হবে। সাবেক তারকাদের মাঠে ফিরে আসা যেন তরুণ ফুটবলপ্রেমীদের সামনে এক জীবন্ত উদাহরণ হয়ে উঠল।
ম্যাচ শেষে গোলে বিজয়ী হয় বহরপুর ইউনিয়ন একাদশ। তবে হারজিত এই দিনের মূল বিষয়  নয়মূল বিষয় ছিল ভালোবাসা, স্মৃতি আর ঐক্যের বিজয়।
এই অসাধারণ আয়োজন  তৈরি করল এক নতুন অধ্যায়যেখানে বয়স নয়, মনের বয়স হয়ে উঠল খেলার প্রধান চালিকা শক্তি। 

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

বহরপুর প্রাক্তন খেলোয়াড়দের অংশগ্রহণে প্রীতি ফুটবল

প্রকাশের সময় : ০৬:৫১:০১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ জুন ২০২৫

উপজেলার ঐতিহ্যবাহী বহরপুর রেলওয়ে ফুটবল মাঠ পরিণত হয়েছিল মিলনমেলায়। ঈদউত্তর প্রীতির আবহে আয়োজিত হলো প্রীতি ফুটবল ম্যাচপ্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন দুই ইউনিয়নের ৪০ ঊর্ধ্ব সাবেক ফুটবলাররাবহরপুর ইউনিয়ন ফুটবল একাদশ বনাম ইসলামপুর ইউনিয়ন ফুটবল একাদশ।
আয়োজনে ছিলো বিএনবিএস ক্লাব, দীর্ঘদিন ধরেই অঞ্চলের ক্রীড়া সংস্কৃতি টিকিয়ে রাখতে নিরলস পরিশ্রম করে যাচ্ছেন। তাঁদের প্রচেষ্টায় ফুটবলপ্রেমীরা ফিরে পেলেন তাদের সেই পুরনো স্মৃতি জড়ানো দিনগুলোর রোমাঞ্চ।
এক সময়ের মাঠ কাঁপানো তারকা খেলোয়াড়, যারা জীবন জীবিকার কারনে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে বিভিন্ন  পেশায় নিয়োজিত, আবারও বলের জাদুতে মাতিয়ে তুললেন দর্শকপ্লাবিত মাঠ। বয়স তাদের গায়ে বাড়লেও, পায়ের ছন্দে ছিল না কোনো ক্লান্তি। গতি, পাস, ড্রিবল, শটসব কিছুতেই ফুটে উঠছিল অভিজ্ঞতার দীপ্তি।
মাঠজুড়ে ছিল উত্তেজনার ঢেউ, আর গ্যালারিতে ছিল বাঁধভাঙা উচ্ছ্বাস।খেলাধুলা শুধু তারুণ্যের সম্পদ নয়, এটি চিরন্তন এক চেতনা”—এই বাণী যেন জাগ্রত হলো প্রতিটি দর্শকের মনে, বহরপুর রেলওয়ে ফুটবল মাঠ রূপ নিয়েছিল এক উৎসবমুখর মিলনস্থলে। এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, বিশিষ্ট সমাজসেবক, সাংবাদিকবৃন্দসহ হাজারো সাধারণ মানুষ উপভোগ করেন এই ব্যতিক্রমী আয়োজন। করতালির শব্দ আর  গোল গোল ধ্বনিতে বারবার মুখরিত হচ্ছিল চারপাশ।
বিএনবিএস ক্লাবএর অন্যতম লক্ষ্য ছিলফুটবলকে শুধু প্রতিযোগিতার ভেতর সীমাবদ্ধ না রেখে, এটিকে এক বন্ধনের মাধ্যম হিসেবে উপস্থাপন করা; যেখানে স্মৃতিচারণ, ভ্রাতৃত্ববোধ, এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য অনুপ্রেরণা তৈরি হবে। সাবেক তারকাদের মাঠে ফিরে আসা যেন তরুণ ফুটবলপ্রেমীদের সামনে এক জীবন্ত উদাহরণ হয়ে উঠল।
ম্যাচ শেষে গোলে বিজয়ী হয় বহরপুর ইউনিয়ন একাদশ। তবে হারজিত এই দিনের মূল বিষয়  নয়মূল বিষয় ছিল ভালোবাসা, স্মৃতি আর ঐক্যের বিজয়।
এই অসাধারণ আয়োজন  তৈরি করল এক নতুন অধ্যায়যেখানে বয়স নয়, মনের বয়স হয়ে উঠল খেলার প্রধান চালিকা শক্তি।