কনটেন্ট ক্রিয়েটর রিপন মিয়ার বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা
- প্রকাশের সময় : ০২:২০:৫৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ৫ অগাস্ট ২০২৬
- / 31
এক শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের অভিযোগে কনটেন্ট ক্রিয়েটর রিপন মিয়ার বিরুদ্ধে নেত্রকোনা সদর থানায় মামলা হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) রাতে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর বাবা বাদী হয়ে মামলাটি করেন।
মামলার এজাহারে রিপন মিয়াকে ধর্ষণের অভিযোগে অভিযুক্ত করা হয়েছে। ভুক্তভোগী (১৩) স্থানীয় একটি বিদ্যালয়ের ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থী।
অভিযুক্ত রিপন মিয়া (৩০) নেত্রকোনা সদর উপজেলার দক্ষিণ বিশিউড়া ইউনিয়নের নন্দুরা গ্রামের মঞ্জিল মিয়ার ছেলে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তিনি ‘রিপন ভিডিও’ নামে পরিচিত।
স্থানীয় সূত্র জানায়, শনিবার রাতে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর সঙ্গে রিপন মিয়াকে মেয়েটির বাড়ির পেছনে দেখা যায় বলে অভিযোগ ওঠে। ঘটনাটি জানাজানি হলে স্থানীয়ভাবে একটি সালিশ বসে। স্থানীয়দের দাবি, ওই সালিশে রিপন মিয়াকে পাঁচ লাখ টাকা জরিমানা এবং গ্রাম ছাড়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। সালিশের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী জরিমানার অর্থ পরিশোধ ও গ্রাম ছাড়তে তাকে এক সপ্তাহ সময় দেওয়া হয়।
গত সোমবার (৩ আগস্ট) দিবাগত রাত ১২টার দিকে সালিশের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি ব্যাপক আলোচনায় আসে। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ভিডিওটি নজরে আসার পর পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে প্রাথমিক তদন্ত শুরু করে। পরে ভুক্তভোগীর বাবা বাদী হয়ে থানায় মামলাটি করেন।
গতকাল দুপুরে সরেজমিনে রিপন মিয়ার বাড়িতে গিয়ে তাকে পাওয়া যায়নি। ঘটনার পর থেকে তিনি এলাকায় নেই বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
রিপন মিয়ার স্ত্রী চম্পা আক্তার বলেন, ঘটনার বিষয়ে তিনি বিস্তারিত জানেন না। মানুষের মুখে বিষয়টি শুনেছেন। তার স্বামী নিজেকে নির্দোষ দাবি করেছেন। তার ভাষ্য, ঘটনাটি অন্যায়ভাবে রিপন মিয়ার ওপর চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে। ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর আগে থেকেই তাদের পরিবারে যাতায়াত ছিল।
ভুক্তভোগীর মা বলেন, তিনি বাড়িতে না থাকায় প্রথমে বিষয়টি জানতে পারেননি। পরে স্থানীয়দের কাছ থেকে ঘটনার কথা শোনেন। এরপর মেয়ের কাছ থেকে অভিযোগের বিষয়টি জানতে পারেন।
নেত্রকোনা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল খায়ের জানান, এ ঘটনায় মামলা হয়েছে। অভিযুক্তকে গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।

















