Dhaka ১২:৩৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬, ২ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শিশু রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা : পেপারবুক প্রস্তুত, যেকোনো দিন হাইকোর্টে শুনানি শুরু

ডেস্ক নিউজ
  • প্রকাশের সময় : ১২:১৪:২৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
  • / 9

রাজধানীর পল্লবীতে ৮ বছরের শিশু রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত দুই আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তারের মৃত্যুদণ্ড অনুমোদন (ডেথ রেফারেন্স) এবং জেল আপিল শুনানির জন্য পেপারবুক প্রস্তুত করা হয়েছে। বিজি প্রেস থেকে পেপারবুক সুপ্রিম কোর্টে আসার পর এখন যাচাই-বাছাইয়ের কাজ চলছে। যেকোনো দিন হাইকোর্টের বিশেষ বেঞ্চে চাঞ্চল্যকর এই মামলার শুনানি শুরু হতে পারে বলে সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসন নিশ্চিত করেছে।

​এর আগে, গত ৯ জুন দুই আসামির ফাঁসির রায়ে ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন স্বাক্ষরের পর ডেথ রেফারেন্সের নথি হাইকোর্টে পাঠানো হয়।

ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী, নিম্ন আদালতে কোনো আসামির মৃত্যুদণ্ড হলে তা কার্যকরে হাইকোর্টের অনুমোদনের (ডেথ রেফারেন্স) প্রয়োজন হয়।

​উল্লেখ্য, গত ৭ জুন আসামিদের উপস্থিতিতে ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনাল এই রায় ঘোষণা করেন। রায়ে মৃত্যুদণ্ডের পাশাপাশি প্রধান আসামি সোহেলকে ৫ লাখ টাকা এবং তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে ২ লাখ টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়। এই ক্ষতিপূরণের টাকা ভিকটিম রামিসার আইনগত উত্তরাধিকারীরা পাবেন।

​আদালত তার পর্যবেক্ষণে জানান, হত্যার আগে শিশুটিকে ধর্ষণ ও বিভিন্ন স্থানে জখম করার প্রমাণ পাওয়া গেছে। প্রধান আসামি সোহেল স্বেচ্ছায় দোষ স্বীকার করেছে এবং তার স্ত্রী স্বপ্না অপরাধ প্রতিরোধে কোনো ভূমিকা না রেখে উল্টো স্বামীকে পালাতে সহযোগিতা করেছেন।

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

শিশু রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা : পেপারবুক প্রস্তুত, যেকোনো দিন হাইকোর্টে শুনানি শুরু

প্রকাশের সময় : ১২:১৪:২৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬

রাজধানীর পল্লবীতে ৮ বছরের শিশু রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত দুই আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তারের মৃত্যুদণ্ড অনুমোদন (ডেথ রেফারেন্স) এবং জেল আপিল শুনানির জন্য পেপারবুক প্রস্তুত করা হয়েছে। বিজি প্রেস থেকে পেপারবুক সুপ্রিম কোর্টে আসার পর এখন যাচাই-বাছাইয়ের কাজ চলছে। যেকোনো দিন হাইকোর্টের বিশেষ বেঞ্চে চাঞ্চল্যকর এই মামলার শুনানি শুরু হতে পারে বলে সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসন নিশ্চিত করেছে।

​এর আগে, গত ৯ জুন দুই আসামির ফাঁসির রায়ে ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন স্বাক্ষরের পর ডেথ রেফারেন্সের নথি হাইকোর্টে পাঠানো হয়।

ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী, নিম্ন আদালতে কোনো আসামির মৃত্যুদণ্ড হলে তা কার্যকরে হাইকোর্টের অনুমোদনের (ডেথ রেফারেন্স) প্রয়োজন হয়।

​উল্লেখ্য, গত ৭ জুন আসামিদের উপস্থিতিতে ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনাল এই রায় ঘোষণা করেন। রায়ে মৃত্যুদণ্ডের পাশাপাশি প্রধান আসামি সোহেলকে ৫ লাখ টাকা এবং তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে ২ লাখ টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়। এই ক্ষতিপূরণের টাকা ভিকটিম রামিসার আইনগত উত্তরাধিকারীরা পাবেন।

​আদালত তার পর্যবেক্ষণে জানান, হত্যার আগে শিশুটিকে ধর্ষণ ও বিভিন্ন স্থানে জখম করার প্রমাণ পাওয়া গেছে। প্রধান আসামি সোহেল স্বেচ্ছায় দোষ স্বীকার করেছে এবং তার স্ত্রী স্বপ্না অপরাধ প্রতিরোধে কোনো ভূমিকা না রেখে উল্টো স্বামীকে পালাতে সহযোগিতা করেছেন।