Dhaka ১০:৫০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬, ১১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ:
স্বাক্ষর জাল করে স্কুল পালানো, ব্যতিক্রমী শাস্তি দিলেন ইউএনও জিগাতলায় দুই ভবনে মশার লার্ভা, লাখ টাকা জরিমানা বেসরকারি মেডিকেলে এমবিবিএসে মেধাবীদের জন্য ৫ শতাংশ কোটা রয়েছে : স্বাস্থ্যমন্ত্রী রাশিয়ার বুকে ডাইনোসরের পদচিহ্ন, রহস্য খুঁজছে বিজ্ঞানীরা কালুখালীতে অবৈধ জাল তৈরির কারখানায় অভিযান, সাড়ে ৬ লাখ টাকার জাল জব্দ ভেনেজুয়েলার পাশে বিশ্বনেতারা, সহায়তার ঘোষণা বিভিন্ন দেশের বিদায় নিশ্চিত তিউনিসিয়ার, গ্রুপ সেরা মিশনে নেদারল্যান্ডস চীনের সঙ্গে অর্থনৈতিক ও কৌশলগত সম্পর্ক আরও জোরদার হবে: রিজভী যশোরের শার্শায় বজ্রপাতে বিজিবি সদস্য আহত ১৯০০ সালের পর সবচেয়ে শক্তিশালী ভূমিকম্প ভেনেজুয়েলায়

১০ বছরে ৩৩ শিশুকে যৌন নির্যাতন, ভারতীয় দম্পতির মৃত্যুদণ্ড

ডেস্ক নিউজ
  • প্রকাশের সময় : ০৫:২৫:২৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • / 116

দশ বছর ধরে ৩৩ শিশুকে যৌন নির্যাতনের দায়ে উত্তরপ্রদেশের বান্দা জেলার এক দম্পতিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন পকসো আদালত। রামভবন, দুর্গাবতীকে শিশু নির্যাতন সংক্রান্ত একাধিক ধারায় দোষী সাব্যস্ত করে আদালত এই রায় ঘোষণা করেন।

আদালত জানান, পকসো আইনের আওতায় অস্বাভাবিক যৌনাচার, গুরুতর যৌন নির্যাতন, শিশু পর্নোগ্রাফি, অপরাধমূলক ষড়যন্ত্রসহ একাধিক অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে। নির্যাতিত শিশুদের কারও কারও বয়স ছিল মাত্র তিন বছর। প্রত্যেক ভুক্তভোগী শিশুকে ১০ লাখ রুপি করে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। অভিযুক্তদের বাড়ি থেকে উদ্ধার অর্থ সমানভাবে বণ্টনের নির্দেশও দেওয়া হয়।

২০২০ সালের অক্টোবরে কেন্দ্রীয় তদন্ত ব্যুরো সিবিআই শিশুদের যৌন নির্যাতনের অভিযোগে মামলা দায়ের করে। তদন্তে উঠে আসে, ২০১০ থেকে ২০২০ সালের মধ্যে উত্তরপ্রদেশের বান্দা, চিত্রকূট জেলায় এ অপরাধ সংঘটিত হয়েছে। কয়েকজন শিশুর গোপনাঙ্গে গুরুতর আঘাত ছিল, যার কারণে দীর্ঘ সময় হাসপাতালে থাকতে হয়েছে। কারও চোখে আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে, অনেকে মানসিক ট্রমায় ভুগছে।

পেশায় সেচ দপ্তরের জুনিয়র ইঞ্জিনিয়ার রামভবন শিশুদের প্রলুব্ধ করতে অনলাইন ভিডিও গেম খেলার সুযোগ, টাকা, উপহার দেওয়ার প্রলোভন দেখাতেন। সিবিআই তদন্তে ফরেনসিক বিশেষজ্ঞ, শিশু সুরক্ষা কর্তৃপক্ষ, চিকিৎসকদের সমন্বয়ে ডিজিটাল তথ্য প্রমাণ সংগ্রহ ও সংরক্ষণ করা হয়। ২০২১ সালের ফেব্রুয়ারিতে রামভবন, দুর্গাবতীর বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করা হয়।

রায়ে আদালত এই মামলাকে রেয়ারেস্ট অব রেয়ার হিসেবে উল্লেখ করেন। বিচারক বলেন, অপরাধের ভয়াবহতা, পদ্ধতিগত নৃশংসতা নজিরবিহীন। একাধিক জেলায় সংঘটিত অপরাধ ও অভিযুক্তদের চারিত্রিক চরম অধঃপতন প্রমাণ করে তাদের সংশোধনের সুযোগ নেই। ন্যায়বিচারের স্বার্থে এবং সমাজকে কঠোর বার্তা দিতেই এই দণ্ডাদেশ দেওয়া হয়েছে।

সোর্সঃ এনডিটিভি

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

১০ বছরে ৩৩ শিশুকে যৌন নির্যাতন, ভারতীয় দম্পতির মৃত্যুদণ্ড

প্রকাশের সময় : ০৫:২৫:২৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

দশ বছর ধরে ৩৩ শিশুকে যৌন নির্যাতনের দায়ে উত্তরপ্রদেশের বান্দা জেলার এক দম্পতিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন পকসো আদালত। রামভবন, দুর্গাবতীকে শিশু নির্যাতন সংক্রান্ত একাধিক ধারায় দোষী সাব্যস্ত করে আদালত এই রায় ঘোষণা করেন।

আদালত জানান, পকসো আইনের আওতায় অস্বাভাবিক যৌনাচার, গুরুতর যৌন নির্যাতন, শিশু পর্নোগ্রাফি, অপরাধমূলক ষড়যন্ত্রসহ একাধিক অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে। নির্যাতিত শিশুদের কারও কারও বয়স ছিল মাত্র তিন বছর। প্রত্যেক ভুক্তভোগী শিশুকে ১০ লাখ রুপি করে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। অভিযুক্তদের বাড়ি থেকে উদ্ধার অর্থ সমানভাবে বণ্টনের নির্দেশও দেওয়া হয়।

২০২০ সালের অক্টোবরে কেন্দ্রীয় তদন্ত ব্যুরো সিবিআই শিশুদের যৌন নির্যাতনের অভিযোগে মামলা দায়ের করে। তদন্তে উঠে আসে, ২০১০ থেকে ২০২০ সালের মধ্যে উত্তরপ্রদেশের বান্দা, চিত্রকূট জেলায় এ অপরাধ সংঘটিত হয়েছে। কয়েকজন শিশুর গোপনাঙ্গে গুরুতর আঘাত ছিল, যার কারণে দীর্ঘ সময় হাসপাতালে থাকতে হয়েছে। কারও চোখে আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে, অনেকে মানসিক ট্রমায় ভুগছে।

পেশায় সেচ দপ্তরের জুনিয়র ইঞ্জিনিয়ার রামভবন শিশুদের প্রলুব্ধ করতে অনলাইন ভিডিও গেম খেলার সুযোগ, টাকা, উপহার দেওয়ার প্রলোভন দেখাতেন। সিবিআই তদন্তে ফরেনসিক বিশেষজ্ঞ, শিশু সুরক্ষা কর্তৃপক্ষ, চিকিৎসকদের সমন্বয়ে ডিজিটাল তথ্য প্রমাণ সংগ্রহ ও সংরক্ষণ করা হয়। ২০২১ সালের ফেব্রুয়ারিতে রামভবন, দুর্গাবতীর বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করা হয়।

রায়ে আদালত এই মামলাকে রেয়ারেস্ট অব রেয়ার হিসেবে উল্লেখ করেন। বিচারক বলেন, অপরাধের ভয়াবহতা, পদ্ধতিগত নৃশংসতা নজিরবিহীন। একাধিক জেলায় সংঘটিত অপরাধ ও অভিযুক্তদের চারিত্রিক চরম অধঃপতন প্রমাণ করে তাদের সংশোধনের সুযোগ নেই। ন্যায়বিচারের স্বার্থে এবং সমাজকে কঠোর বার্তা দিতেই এই দণ্ডাদেশ দেওয়া হয়েছে।

সোর্সঃ এনডিটিভি