Dhaka ০৭:২৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৭ জুন ২০২৬, ২৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
৫০ রকমের বাহারী পিঠার প্রদর্শনী

রাজবাড়ী কালেক্টরেট স্কুলে পিঠা উৎসব

স্টাফ রিপোর্টার
  • প্রকাশের সময় : ০৫:০০:০৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • / 155

ভাপা পিঠা, চিতই পিঠা, মেরা বা মুঠি পিঠাসহ হরেক রকম পিঠা দিয়ে বাহারীভাবে সাজানো রাজবাড়ী কালেক্টরেট স্কুলের কক্ষ। পিঠা দেখলেই জিহ্বে যেন জল আসে। দেখতে যেমন খেতেও তেমন সুস্বাদু। রাজবাড়ী কালেক্টরেট স্কুলের উদ্যোগে বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত হয় পিঠা উৎসব।

চালের গুড়া, দুধ, চিনিসহ বিভিন্ন উপকরণ দিয়ে বিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীদের অভিভাবকরাই বানিয়ে এনেছেন এসব পিঠা। যার মধ্যে ছিল পাটি সাপটা, পুলি, মালপোয়া, চুঙ্গাপুড়া, নকশি, ইলিশ, দুধ পুলি, বিবিখানা, চন্দ্রপুলি, ঝিনুক পিঠা, গোকুল পিঠা, লবঙ্গ লতিকাসহ ৫০ রকমের পিঠা।

পিঠা উৎসব উপলক্ষে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হয় মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। বিদ্যালয়ের শিশুরা নাচ, গান ও আবৃত্তি পরিবেশন করে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন রাজবাড়ীর অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) তারিফ-উল-হাসান।

পিঠা উৎসব পরিদর্শনে গিয়ে তিনি বলেন, পিঠা-পুলি বাঙালির চিরায়ত ঐতিহ্য। ছাত্র-ছাত্রীদের পিঠা উৎসবের মাধ্যমে এসব পিঠা পুলির সাথে পরিচয় করিয়ে দেবে।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সৈয়দ সিদ্দিকুর রহমান বলেন, আমরা প্রতি বছরই পিঠা উৎসবের আয়োজন করে থাকি। বিদ্যালয়ে যেসব ছাত্র-ছাত্রী পড়াশোনা করে তাদের অভিভাবকরা স্বতস্ফূর্তভাবে পিঠা তৈরি করে আনে এ উৎসবে। তাদের কারণেই এ উৎসব সফল হয়। এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা উজ্জীবীত হয়।

রাজবাড়ী সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নিরুপমা রায় বলেন, রাজবাড়ীর কালেক্টরেট স্কুল আমার জীবনের একটা অংশ হয়ে থাকবে। চমৎকার সব পিঠার আয়োজন দেখে সত্যিই ভালো লাগছে।

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

৫০ রকমের বাহারী পিঠার প্রদর্শনী

রাজবাড়ী কালেক্টরেট স্কুলে পিঠা উৎসব

প্রকাশের সময় : ০৫:০০:০৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ভাপা পিঠা, চিতই পিঠা, মেরা বা মুঠি পিঠাসহ হরেক রকম পিঠা দিয়ে বাহারীভাবে সাজানো রাজবাড়ী কালেক্টরেট স্কুলের কক্ষ। পিঠা দেখলেই জিহ্বে যেন জল আসে। দেখতে যেমন খেতেও তেমন সুস্বাদু। রাজবাড়ী কালেক্টরেট স্কুলের উদ্যোগে বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত হয় পিঠা উৎসব।

চালের গুড়া, দুধ, চিনিসহ বিভিন্ন উপকরণ দিয়ে বিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীদের অভিভাবকরাই বানিয়ে এনেছেন এসব পিঠা। যার মধ্যে ছিল পাটি সাপটা, পুলি, মালপোয়া, চুঙ্গাপুড়া, নকশি, ইলিশ, দুধ পুলি, বিবিখানা, চন্দ্রপুলি, ঝিনুক পিঠা, গোকুল পিঠা, লবঙ্গ লতিকাসহ ৫০ রকমের পিঠা।

পিঠা উৎসব উপলক্ষে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হয় মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। বিদ্যালয়ের শিশুরা নাচ, গান ও আবৃত্তি পরিবেশন করে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন রাজবাড়ীর অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) তারিফ-উল-হাসান।

পিঠা উৎসব পরিদর্শনে গিয়ে তিনি বলেন, পিঠা-পুলি বাঙালির চিরায়ত ঐতিহ্য। ছাত্র-ছাত্রীদের পিঠা উৎসবের মাধ্যমে এসব পিঠা পুলির সাথে পরিচয় করিয়ে দেবে।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সৈয়দ সিদ্দিকুর রহমান বলেন, আমরা প্রতি বছরই পিঠা উৎসবের আয়োজন করে থাকি। বিদ্যালয়ে যেসব ছাত্র-ছাত্রী পড়াশোনা করে তাদের অভিভাবকরা স্বতস্ফূর্তভাবে পিঠা তৈরি করে আনে এ উৎসবে। তাদের কারণেই এ উৎসব সফল হয়। এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা উজ্জীবীত হয়।

রাজবাড়ী সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নিরুপমা রায় বলেন, রাজবাড়ীর কালেক্টরেট স্কুল আমার জীবনের একটা অংশ হয়ে থাকবে। চমৎকার সব পিঠার আয়োজন দেখে সত্যিই ভালো লাগছে।