Dhaka ০৩:১৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ অগাস্ট ২০২৬, ৪ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ:
মান্দায় ৪৬০ লিটার চোলাই মদ তৈরির উপকরণসহ নারী আটক জাবিতে সায়েন্স ক্লাবের ‘ফ্রেশার মাইন্ড হান্টার্স ২০২৬’ অনুষ্ঠিত ‘লাশ বিলের পানিতে ভাসিয়ে দেব’—ভূমি কর্মকর্তাকে সেবাগ্রহীতার হুমকি কালুখালীতে নবাগত ইউএনওর সঙ্গে উপজেলা বিএনপি নেতৃবৃন্দের সৌজন্য সাক্ষাৎ ইছামতীর পানিতে প্লাবিত বেনাপোলে ১০০ পরিবার পেল বিজিবির ত্রাণ কোস্ট গার্ডের নতুন মহাপরিচালক রিয়ার অ্যাডমিরাল মঈনুল হাসান কারা মহাপরিদর্শক মোতাহের হোসেনকে সেনাবাহিনীতে প্রত্যাবাসন শার্শায় ১১ বছরের শিশুকে ধর্ষণ, আটক ১ রাজবাড়ী উদীচীতে কমরেড কমল কৃষ্ণ গুহকে স্মরণ পরিবেশ কর্মসূচির ব্যানারে জাকসুর নাম বাদ, প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন

খুনে জড়িত পাঁচজনই শীর্ষ সন্ত্রাসী মামুনের অনুসারী

ডেস্ক নিউজ
  • প্রকাশের সময় : ১০:১২:০১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৯ নভেম্বর ২০২৫
  • / 99

রাজধানীর পল্লবী থানা যুবদলের সদস্য সচিব গোলাম কিবরিয়াকে হত্যার ঘটনায় মামলা করেছে পরিবার। এতে ৫ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। যারা সবাই বিদেশে পলাতক শীর্ষ সন্ত্রাসী মামুনের অনুসারী। সূত্র জানায়, মামুনের সঙ্গে গার্মেন্ট এবং যুবদলের কমিটি নিয়ে বিরোধ ছিল নিহত যুবদল নেতার। ১০-১২ দিন আগে ওই সন্ত্রাসী পল্লবী থানা যুবদলের কমিটিতে তার লোকজনকে অন্তর্ভুক্তি এবং মিরপুর ৭ নম্বরের ডেকো গার্মেন্টের নিয়ন্ত্রণ ছেড়ে দেওয়ার জন্য চাপ দিতে থাকেন কিবরিয়াকে। তবে তার এসব প্রস্তাবে রাজি ছিলেন না কিবরিয়া। এ কারণেই এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটতে পারে। এছাড়া কিবরিয়া বেশ কিছু দিন ধরে এলাকায় মাদক নির্মূলে কাজ করছিলেন। হত্যাকারীরা মাদক ব্যবসায় জড়িত।

মঙ্গলবার পল্লবী থানায় ৫ জনের নামে হত্যা মামলা করেছেন কিবরিয়ার স্ত্রী সাবিহা আক্তার দিনা। আসামিরা হলেন-মো. জনি ভূইয়া, সোহেল ওরফে পাতা সোহেল ওরফে মনির সোহেল, সোহাগ ওরফে কাল্লু, মাসুম ওরফে ভাগিনা মাসুম এবং রোকন ও অজ্ঞাতপরিচয় আরও ৭ থেকে ৮ জন। মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ডিএমপি মিরপুর বিভাগের উপকমিশনার মোহাম্মদ মাকছুদের রহমান। তিনি বলেন, আমরা বিষয়টি গুরুত্বসহকারে তদন্ত করছি। এখনই হত্যাকাণ্ডটি নিয়ে স্পষ্ট করে কিছু বলা যাচ্ছে না।

জানা যায়, সোমবার পল্লবীতে এই কিলিং মিশনে সরাসরি অংশ নেয় মোট ছয়জন। তাদের হাতে ছিল স্বয়ংক্রিয় নাইন-এমএম পিস্তল। গুলি চালায় চারজন। সব মিলিয়ে ১৮ রাউন্ড গুলি খরচ করে শুটাররা। এরপর ঘটনাস্থল থেকে মোটরবাইকে পালিয়ে যায় তারা। কিলিং মিশনে অংশ নেওয়া ছয়জনের মধ্যে একজনকে আটক করে স্থানীয় জনতা। তার দেওয়া স্বীকারোক্তিতে বাকি পাঁচজনের নাম জানতে পেরেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

সন্ধ্যা ৬টা ৪০ মিনিটে পল্লবী ১২ নম্বর সেকশনের বিক্রমপুর হার্ডওয়্যার অ্যান্ড স্যানিটারি দোকানে বসে থাকা অবস্থায় থানা যুবদলের সদস্য সচিব গোলাম কিবরিয়ার বুকে, পিঠে, মুখে ও ঘাড়ে পিস্তল ঠেকিয়ে গুলি করে তিনজন মুখোশধারী। গুলির পর রক্তাক্ত অবস্থায় সেই দোকানের মেঝেতেই তিনি লুটিয়ে পড়েন। এরপর তাকে হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

মঙ্গলবার সরেজমিন দেখা যায়, সেই দোকানটি বন্ধ রয়েছে। এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে এবং স্থানীয়রা বেশ আতঙ্কিত। ঘটনার সময়কার ছয়জন প্রত্যক্ষদর্শী, স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, মো. জনি ভূইয়া, সোহাগ ওরফে কাল্লু এবং রোকন সেই দোকানে ঢুকে গুলি চালায়। এই তিনজন দোকানে ঢোকার আগে থেকেই সেখানে ওয়াচারের ভূমিকায় ছিলেন পাতা সোহেল ওরফে মনির এবং মাসুম ওরফে ভাগিনা মাসুমসহ আরও একজন।

প্রত্যক্ষদর্শীরা বলছেন, একদম কাছে থেকে গুলি করায় কিবরিয়ার গালের চোয়ালে, গলার ডান পাশে, বাম কানের পেছনে, ঘাড়ের পেছনে, বুকের ডান পাশে, বুকের বাম পাশে, ডান হাতের বাহু, বাম হাতের কনুই, বাম হাতের কবজি ঝাঁজরা হয়ে যায়। পুরোপুরি মৃত্যু নিশ্চিত করে শুটাররা স্থান ত্যাগ করে।

মঙ্গলবার পল্লবীতে কিবরিয়ার বাড়ির সামনে কথা হয় আমান নামে তার এক রাজনৈতিক সহচরের সঙ্গে। তিনি বলেন, ‘যারা হত্যা করেছে, তারা এলাকার চিহ্নিত মাদক কারবারি। কিবরিয়া ভাই বেশ কিছু দিন ধরে এলাকায় মাদক নির্মূল করতে কাজ করছিলেন। এটাই তার জীবনের কাল হলো।’ সেখানেই কথা হয় কিবরিয়ার ছোট ভাই গোলাম কবিরের সঙ্গে। তিনি বলেন, ‘আমার ভাই এলাকার সবার সঙ্গে ভালো ব্যবহার করতেন। এলাকায় তার বেশ পরিচিতি। এ পরিচিতি তার রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ ভালোভাবে নেয়নি। এটাও হত্যার পেছনে কারণ হতে পারে। তদন্তে বিষয়গুলো দ্রুতই বেরিয়ে আসবে।’

জানাজায় মানুষের ঢল : মিরপুর (ঢাকা) প্রতিনিধি জানান, মঙ্গলবার বাদ আসর পল্লবীর ২ নম্বর ওয়ার্ড ঈদগাহ মাঠে গোলাম কিবরিয়ার জানাজায় হাজারো মানুষ অংশ নেন। শোকাহত জনতা কান্নায় ভেঙে পড়েন এবং প্রিয় নেতাকে শেষবারের মতো বিদায় জানান। জানাজায় অংশ নেন ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির আহ্বায়ক আমিনুল হকসহ মহানগর উত্তর বিএনপির শীর্ষ নেতারা, যুবদলের কেন্দ্রীয় ও মহানগর উত্তর ইউনিটের নেতারা। পুরো এলাকায় নেমে এসেছে শোকের ছায়া।

হত্যাকারীদের দ্রুত গ্রেফতারের দাবি আমিনুলের : যুবদল নেতা গোলাম কিবরিয়া হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের দ্রুত গ্রেফতারের দাবি জানিয়েছেন ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির আহ্বায়ক আমিনুল হক। মঙ্গলবার কিবরিয়ার পরিবারকে সমবেদনা জানাতে গিয়ে তিনি এ দাবি জানান। আমিনুল হক বলেন, আমি দৃঢ়ভাবে আশা করি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে বাকি জড়িতদেরও গ্রেফতার করবে। আমরা চাই এই নির্মম হত্যাকাণ্ডের দ্রুত বিচার হোক। এমন ঘটনা আমরা আর দেখতে চাই না।

গ্রামের বাড়ি মতলব উত্তরে শোকের ছায়া : মতলব (চাঁদপুর) প্রতিনিধি জানান, সন্ত্রাসীদের গুলিতে নিহত গোলাম কিবরিয়ার গ্রামের বাড়ি চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলার দুর্গাপুর ইউনিয়নে। তিনি অলিপুর তালুকদারবাড়ির মোহাম্মদ আলীর ছেলে। তার গ্রামের বাড়িতে চলছে শোকের মাতম। পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন, ছোটবেলা থেকে পরিবারের সবাই ঢাকায় বসবাস করেন। তবে গ্রামের বাড়িতে আসা-যাওয়া ছিল নিয়মিত। পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার বিকালে মিরপুরে জানাজা শেষে সেখানেই দাফন করা হবে। তারা ৪ ভাই ও ১ বোন। দুই ভাই ইউরোপে বসবাস করেন। কিবরিয়া দুই কন্যাসন্তানের বাবা ছিলেন।

সূত্র: যুগান্তর

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

খুনে জড়িত পাঁচজনই শীর্ষ সন্ত্রাসী মামুনের অনুসারী

প্রকাশের সময় : ১০:১২:০১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৯ নভেম্বর ২০২৫

রাজধানীর পল্লবী থানা যুবদলের সদস্য সচিব গোলাম কিবরিয়াকে হত্যার ঘটনায় মামলা করেছে পরিবার। এতে ৫ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। যারা সবাই বিদেশে পলাতক শীর্ষ সন্ত্রাসী মামুনের অনুসারী। সূত্র জানায়, মামুনের সঙ্গে গার্মেন্ট এবং যুবদলের কমিটি নিয়ে বিরোধ ছিল নিহত যুবদল নেতার। ১০-১২ দিন আগে ওই সন্ত্রাসী পল্লবী থানা যুবদলের কমিটিতে তার লোকজনকে অন্তর্ভুক্তি এবং মিরপুর ৭ নম্বরের ডেকো গার্মেন্টের নিয়ন্ত্রণ ছেড়ে দেওয়ার জন্য চাপ দিতে থাকেন কিবরিয়াকে। তবে তার এসব প্রস্তাবে রাজি ছিলেন না কিবরিয়া। এ কারণেই এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটতে পারে। এছাড়া কিবরিয়া বেশ কিছু দিন ধরে এলাকায় মাদক নির্মূলে কাজ করছিলেন। হত্যাকারীরা মাদক ব্যবসায় জড়িত।

মঙ্গলবার পল্লবী থানায় ৫ জনের নামে হত্যা মামলা করেছেন কিবরিয়ার স্ত্রী সাবিহা আক্তার দিনা। আসামিরা হলেন-মো. জনি ভূইয়া, সোহেল ওরফে পাতা সোহেল ওরফে মনির সোহেল, সোহাগ ওরফে কাল্লু, মাসুম ওরফে ভাগিনা মাসুম এবং রোকন ও অজ্ঞাতপরিচয় আরও ৭ থেকে ৮ জন। মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ডিএমপি মিরপুর বিভাগের উপকমিশনার মোহাম্মদ মাকছুদের রহমান। তিনি বলেন, আমরা বিষয়টি গুরুত্বসহকারে তদন্ত করছি। এখনই হত্যাকাণ্ডটি নিয়ে স্পষ্ট করে কিছু বলা যাচ্ছে না।

জানা যায়, সোমবার পল্লবীতে এই কিলিং মিশনে সরাসরি অংশ নেয় মোট ছয়জন। তাদের হাতে ছিল স্বয়ংক্রিয় নাইন-এমএম পিস্তল। গুলি চালায় চারজন। সব মিলিয়ে ১৮ রাউন্ড গুলি খরচ করে শুটাররা। এরপর ঘটনাস্থল থেকে মোটরবাইকে পালিয়ে যায় তারা। কিলিং মিশনে অংশ নেওয়া ছয়জনের মধ্যে একজনকে আটক করে স্থানীয় জনতা। তার দেওয়া স্বীকারোক্তিতে বাকি পাঁচজনের নাম জানতে পেরেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

সন্ধ্যা ৬টা ৪০ মিনিটে পল্লবী ১২ নম্বর সেকশনের বিক্রমপুর হার্ডওয়্যার অ্যান্ড স্যানিটারি দোকানে বসে থাকা অবস্থায় থানা যুবদলের সদস্য সচিব গোলাম কিবরিয়ার বুকে, পিঠে, মুখে ও ঘাড়ে পিস্তল ঠেকিয়ে গুলি করে তিনজন মুখোশধারী। গুলির পর রক্তাক্ত অবস্থায় সেই দোকানের মেঝেতেই তিনি লুটিয়ে পড়েন। এরপর তাকে হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

মঙ্গলবার সরেজমিন দেখা যায়, সেই দোকানটি বন্ধ রয়েছে। এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে এবং স্থানীয়রা বেশ আতঙ্কিত। ঘটনার সময়কার ছয়জন প্রত্যক্ষদর্শী, স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, মো. জনি ভূইয়া, সোহাগ ওরফে কাল্লু এবং রোকন সেই দোকানে ঢুকে গুলি চালায়। এই তিনজন দোকানে ঢোকার আগে থেকেই সেখানে ওয়াচারের ভূমিকায় ছিলেন পাতা সোহেল ওরফে মনির এবং মাসুম ওরফে ভাগিনা মাসুমসহ আরও একজন।

প্রত্যক্ষদর্শীরা বলছেন, একদম কাছে থেকে গুলি করায় কিবরিয়ার গালের চোয়ালে, গলার ডান পাশে, বাম কানের পেছনে, ঘাড়ের পেছনে, বুকের ডান পাশে, বুকের বাম পাশে, ডান হাতের বাহু, বাম হাতের কনুই, বাম হাতের কবজি ঝাঁজরা হয়ে যায়। পুরোপুরি মৃত্যু নিশ্চিত করে শুটাররা স্থান ত্যাগ করে।

মঙ্গলবার পল্লবীতে কিবরিয়ার বাড়ির সামনে কথা হয় আমান নামে তার এক রাজনৈতিক সহচরের সঙ্গে। তিনি বলেন, ‘যারা হত্যা করেছে, তারা এলাকার চিহ্নিত মাদক কারবারি। কিবরিয়া ভাই বেশ কিছু দিন ধরে এলাকায় মাদক নির্মূল করতে কাজ করছিলেন। এটাই তার জীবনের কাল হলো।’ সেখানেই কথা হয় কিবরিয়ার ছোট ভাই গোলাম কবিরের সঙ্গে। তিনি বলেন, ‘আমার ভাই এলাকার সবার সঙ্গে ভালো ব্যবহার করতেন। এলাকায় তার বেশ পরিচিতি। এ পরিচিতি তার রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ ভালোভাবে নেয়নি। এটাও হত্যার পেছনে কারণ হতে পারে। তদন্তে বিষয়গুলো দ্রুতই বেরিয়ে আসবে।’

জানাজায় মানুষের ঢল : মিরপুর (ঢাকা) প্রতিনিধি জানান, মঙ্গলবার বাদ আসর পল্লবীর ২ নম্বর ওয়ার্ড ঈদগাহ মাঠে গোলাম কিবরিয়ার জানাজায় হাজারো মানুষ অংশ নেন। শোকাহত জনতা কান্নায় ভেঙে পড়েন এবং প্রিয় নেতাকে শেষবারের মতো বিদায় জানান। জানাজায় অংশ নেন ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির আহ্বায়ক আমিনুল হকসহ মহানগর উত্তর বিএনপির শীর্ষ নেতারা, যুবদলের কেন্দ্রীয় ও মহানগর উত্তর ইউনিটের নেতারা। পুরো এলাকায় নেমে এসেছে শোকের ছায়া।

হত্যাকারীদের দ্রুত গ্রেফতারের দাবি আমিনুলের : যুবদল নেতা গোলাম কিবরিয়া হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের দ্রুত গ্রেফতারের দাবি জানিয়েছেন ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির আহ্বায়ক আমিনুল হক। মঙ্গলবার কিবরিয়ার পরিবারকে সমবেদনা জানাতে গিয়ে তিনি এ দাবি জানান। আমিনুল হক বলেন, আমি দৃঢ়ভাবে আশা করি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে বাকি জড়িতদেরও গ্রেফতার করবে। আমরা চাই এই নির্মম হত্যাকাণ্ডের দ্রুত বিচার হোক। এমন ঘটনা আমরা আর দেখতে চাই না।

গ্রামের বাড়ি মতলব উত্তরে শোকের ছায়া : মতলব (চাঁদপুর) প্রতিনিধি জানান, সন্ত্রাসীদের গুলিতে নিহত গোলাম কিবরিয়ার গ্রামের বাড়ি চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলার দুর্গাপুর ইউনিয়নে। তিনি অলিপুর তালুকদারবাড়ির মোহাম্মদ আলীর ছেলে। তার গ্রামের বাড়িতে চলছে শোকের মাতম। পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন, ছোটবেলা থেকে পরিবারের সবাই ঢাকায় বসবাস করেন। তবে গ্রামের বাড়িতে আসা-যাওয়া ছিল নিয়মিত। পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার বিকালে মিরপুরে জানাজা শেষে সেখানেই দাফন করা হবে। তারা ৪ ভাই ও ১ বোন। দুই ভাই ইউরোপে বসবাস করেন। কিবরিয়া দুই কন্যাসন্তানের বাবা ছিলেন।

সূত্র: যুগান্তর