৩ জনকে সাপের ছোবল, সকলেই সাপ নিয়ে হাসপাতালে

- প্রকাশের সময় : ০২:৫৫:৩৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ জুলাই ২০২৫
- / 93
তিনজনকে সাপে কেটেছে। পৃথক তিনটি গ্রামের বাসিন্দা তিনজনই সাপ নিয়ে চিকিৎসা নিতে আসেন পাংশা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স হাসপাতালে। কাকতালীয় এ ঘটনা ঘটেছে রাজবাড়ীর পাংশায়। সাপের ছোবলে আক্রান্তরা হলেন পাংশা উপজেলার কসবামাজাইল ইউনিয়নের সুবর্ণখোলা গ্রামের মৃত হাতেম মন্ডলের ছেলে কৃষক আজিজ মন্ডল(৬৫), একই ইউনিয়নের নাদুরিয়া গ্রামের মো. শহিদুল ইসলামের স্ত্রী হাসিনা খাতুন(৫৫) ও উপজেলার যশাই ইউনিয়নের চর লক্ষীপুর গ্রামের তারেক শেখের ছেলে আসিফ শেখ(১৮)। গতকাল সোমবার সকালে দুজন ও গত রোববার রাতে একজন সাপের ছোবলে আক্রান্ত হন। বর্তমানে তারা পাংশা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন।
কৃষক আজিজ মন্ডল জানান, সোমবার সকালে ক্ষেতে পাট কাটার সময় একটি বাচ্চা সাপ তার হাতে ছোবল দেয়। সঙ্গে সঙ্গে সাপটি মেরে সেটি সাথে করে হাসপাতালে আসেন।
গৃহবধূ হাসিনা খাতুন জানান, সোমবার সকালে ভাত রান্না করার সময় হঠাৎ একটি সাপ তাকে কামড় দেয়। তিনি চিৎকার দিলে বাড়ির সদস্যরা এগিয়ে এসে সাপটি পিটিয়ে মেরে ফেলে। ওই সাপটি নিয়ে তিনি হাসপাতালে আসেন। তিনি আরও জানান, কয়েকদিন আগে তাদের প্রতিবেশির বাড়ি থেকে সাপের ৩৬টি ডিমের খোশা ও ১৭টি সাপের বাচ্চা উদ্ধার করা হয়েছিল।
আসিফ শেখ জানান, রোববার রাতে তিনি বাড়ির পাশে একটি ব্রীজের উপর দাড়িয়েছিলেন। ওই সময় তার পায়ে কিছু একটা কামড় দেয়। টর্চ জ¦লিয়ে দেখেন সাপ। পরে সাপটি মেরে হাসপাতালে নিয়ে আসেন। এখন তিনি সুস্থ আছেন।
পাংশা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. এবাদত হোসেন জানান, গত ২৪ ঘন্টায় সাপে কাটা তিনজন রোগী হাসপাতালে এসেছেন। তারা সবাই সাপ মেরে সাথে করে নিয়ে এসেছেন। তিনটিই বিষধর গোখরা। আক্রান্ত রোগীদের পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। তবে এখনও রোগীদের মধ্যে বিষক্রিয়ার উপসর্গ দেখা দেয়নি। তাই অ্যান্টিভেনম প্রয়োগ করা হয়নি। হাসপাতালে বর্তমানে পর্যাপ্ত পরিমাণে অ্যান্টিভেনম মজুদ রয়েছে। যদি প্রয়োজন হয় তবে তাদের প্রয়োগ করা হবে।

























