Dhaka ০১:৩৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬, ১২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ:
সংবিধান অনুযায়ী যথাসময়ে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন হবে : মির্জা ফখরুল বীর মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ পরিবারের সম্মানি ভাতা বাড়ালো সরকার এক বছর পর ফের চালু হলো বিমানের ঢাকা-নারিতা সরাসরি ফ্লাইট সোনার দাম ভরিতে বাড়ল ২ হাজার ২১৬ টাকা মাধ্যমিক শিক্ষা ও নারী উন্নয়নে সরকারি উপবৃত্তির ভূমিকা শাপলা চত্বরে হত্যাযজ্ঞ : শেখ হাসিনাসহ ৪১ জনের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ কোটালীপাড়ায় ১৭০ কেজি নিষিদ্ধ পিরানহা মাছ জব্দ, আড়তদারকে জরিমানা যুক্তরাষ্ট্র হামলা বন্ধ রাখলে পাল্টা হামলাও বন্ধ রাখবে ইরান কালীগঞ্জে র‍্যাবের অভিযানে ৫০ বোতল ফেয়ারডিলসহ নারী আটক কালীগঞ্জে জেলা প্রশাসক গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টে মালিয়াট ইউনিয়নের জয়

ক্লুলেস হত্যার রহস্য উদ্ঘাটন ॥ গ্রেপ্তার ২

সংবাদদাতা-
  • প্রকাশের সময় : ০৭:০২:৩০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২১
  • / 511

জনতার আদালত অনলাইন ॥ রাজবাড়ী সদর উপজেলার বরাট ইউনিয়নের সাভার এলাকায় রাস্তার পাশ থেকে গত ৭ আগস্ট তারিখে অজ্ঞাত একটি লাশ উদ্ধার করেছিল পুলিশ। তার নাম পরিচয় কিছুই জানা ছিলনা কারো। মাত্র ২০ দিনেই ওই ব্যক্তির নাম পরিচয়  এবং হত্যা রহস্য উদ্ঘাটন করতে সক্ষম হয়েছে রাজবাড়ী সদর থানার পুলিশ। এঘটনায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে দুজনকে। নিহত ব্যক্তির নাম মেহেদী। তার স্থায়ী কোনো ঠিকানা নেই। রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া এলাকায় সে বিভিন্ন বোর্ডিংয়ে রাত যাপন করতো বলে জানিয়েছে পুলিশ। গ্রেপ্তার দুজন হলো রাজবাড়ী সদর উপজেলার বরাট ইউনিয়নের সাভার গ্রামের আফতাব শেখের ছেলে শাহীন শেখ ও একই গ্রামের হাফিজুল মিয়ার ছেলে কাকন মিয়া। এদের মধ্যে কাকন মিয়া হত্যায় জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দী দিয়েছে। অপরজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আদালতের কাছে ১০ দিনের রিমান্ড চেয়েছে পুলিশ।

 রাজবাড়ী সদর থানার এসআই হিরন কুমার বিশ^াস জানান, গত ৭ আগস্ট তারিখে অজ্ঞাতনামা ওই ব্যক্তির লাশ উদ্ধারের পর বিভিন্ন তথ্য উপাত্ত সংগ্রহ করে তার পরিচয়  শনাক্ত করা হয়। তার নাম মেহেদী। সে কখনও দৌলতদিয়া পতিতাপল্লীতে আবার কখনও দৌলতদিয়ার বিভিন্ন বোর্ডিংয়ে রাত কাটাতো। বোর্ডিংয়ে  তার ঠিকানায় যশোর জেলার বিভিন্ন গ্রামের নাম ব্যবহার করেছে। দৌলতদিয়া পতিতাপল্লীতে চায়ের দোকান ছিল শাহীনের। সেই সূত্রে মেহেদীর সাথে শাহীনের আর্থিক লেনদেন ছিল। আর্থিক লেনদেন নিয়ে তাদের মধ্যে তীব্র দ্বন্দ্ব শুরু হয়। এক পর্যায়ে  শাহীন মেহেদীকে হত্যার পরিকল্পনা করে। সে মোতাবেক  তার ভাগ্নে কাকনকে সাথে নেয়। কাকন পেশায় ভ্যানচালক। ৬ আগস্ট রাতে শাহীন ও কাকন ভ্যানে করে মেহেদীকে গোয়ালন্দের জামতলা থেকে সদর উপজেলার সাভার এলাকায় নিয়ে যায়। এররপর মোটা ধাতব বস্তু দিয়ে মাথায় আঘাত করে হত্যার পর লাশ রাস্তার পাশে ফেলে রেখে যায়। এঘটনায় গ্রেপ্তার কাকন রাজবাড়ীর আদালতে ১৬৪ ধারা জবানবন্দীতে হত্যার কথা স্বীকার করেছে। তার দেওয়া তথ্যমতে শনিবার দিবাগত রাত দেড়টার দিকে রাজবাড়ী সদর উপজেলার খানখানাপুর বাজার এলাকা থেকে শাহীনকে গ্রেপ্তার করা হয়। গত ৩ আগস্ট তারিখে তারা দুজনে পাঁচুরিয়া বাজারে বসে হত্যার পরিকল্পনা করে। গ্রেপ্তার শাহীনকে আরও জিজ্ঞাসাবাদের জন্য  আদালতের কাছে ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করা হয়েছে। তাদেরকে রাজবাড়ীর কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

 পুলিশ সুপার এমএম শাকিলুজ্জামান ও সদর থানার ওসি শাহাদত হোসেনর পরামর্শ ও নির্দেশক্রমে তদন্ত কাজ ত্বরান্বিত হয়েছে বলে জানান তিনি।

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

ক্লুলেস হত্যার রহস্য উদ্ঘাটন ॥ গ্রেপ্তার ২

প্রকাশের সময় : ০৭:০২:৩০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২১

জনতার আদালত অনলাইন ॥ রাজবাড়ী সদর উপজেলার বরাট ইউনিয়নের সাভার এলাকায় রাস্তার পাশ থেকে গত ৭ আগস্ট তারিখে অজ্ঞাত একটি লাশ উদ্ধার করেছিল পুলিশ। তার নাম পরিচয় কিছুই জানা ছিলনা কারো। মাত্র ২০ দিনেই ওই ব্যক্তির নাম পরিচয়  এবং হত্যা রহস্য উদ্ঘাটন করতে সক্ষম হয়েছে রাজবাড়ী সদর থানার পুলিশ। এঘটনায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে দুজনকে। নিহত ব্যক্তির নাম মেহেদী। তার স্থায়ী কোনো ঠিকানা নেই। রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া এলাকায় সে বিভিন্ন বোর্ডিংয়ে রাত যাপন করতো বলে জানিয়েছে পুলিশ। গ্রেপ্তার দুজন হলো রাজবাড়ী সদর উপজেলার বরাট ইউনিয়নের সাভার গ্রামের আফতাব শেখের ছেলে শাহীন শেখ ও একই গ্রামের হাফিজুল মিয়ার ছেলে কাকন মিয়া। এদের মধ্যে কাকন মিয়া হত্যায় জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দী দিয়েছে। অপরজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আদালতের কাছে ১০ দিনের রিমান্ড চেয়েছে পুলিশ।

 রাজবাড়ী সদর থানার এসআই হিরন কুমার বিশ^াস জানান, গত ৭ আগস্ট তারিখে অজ্ঞাতনামা ওই ব্যক্তির লাশ উদ্ধারের পর বিভিন্ন তথ্য উপাত্ত সংগ্রহ করে তার পরিচয়  শনাক্ত করা হয়। তার নাম মেহেদী। সে কখনও দৌলতদিয়া পতিতাপল্লীতে আবার কখনও দৌলতদিয়ার বিভিন্ন বোর্ডিংয়ে রাত কাটাতো। বোর্ডিংয়ে  তার ঠিকানায় যশোর জেলার বিভিন্ন গ্রামের নাম ব্যবহার করেছে। দৌলতদিয়া পতিতাপল্লীতে চায়ের দোকান ছিল শাহীনের। সেই সূত্রে মেহেদীর সাথে শাহীনের আর্থিক লেনদেন ছিল। আর্থিক লেনদেন নিয়ে তাদের মধ্যে তীব্র দ্বন্দ্ব শুরু হয়। এক পর্যায়ে  শাহীন মেহেদীকে হত্যার পরিকল্পনা করে। সে মোতাবেক  তার ভাগ্নে কাকনকে সাথে নেয়। কাকন পেশায় ভ্যানচালক। ৬ আগস্ট রাতে শাহীন ও কাকন ভ্যানে করে মেহেদীকে গোয়ালন্দের জামতলা থেকে সদর উপজেলার সাভার এলাকায় নিয়ে যায়। এররপর মোটা ধাতব বস্তু দিয়ে মাথায় আঘাত করে হত্যার পর লাশ রাস্তার পাশে ফেলে রেখে যায়। এঘটনায় গ্রেপ্তার কাকন রাজবাড়ীর আদালতে ১৬৪ ধারা জবানবন্দীতে হত্যার কথা স্বীকার করেছে। তার দেওয়া তথ্যমতে শনিবার দিবাগত রাত দেড়টার দিকে রাজবাড়ী সদর উপজেলার খানখানাপুর বাজার এলাকা থেকে শাহীনকে গ্রেপ্তার করা হয়। গত ৩ আগস্ট তারিখে তারা দুজনে পাঁচুরিয়া বাজারে বসে হত্যার পরিকল্পনা করে। গ্রেপ্তার শাহীনকে আরও জিজ্ঞাসাবাদের জন্য  আদালতের কাছে ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করা হয়েছে। তাদেরকে রাজবাড়ীর কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

 পুলিশ সুপার এমএম শাকিলুজ্জামান ও সদর থানার ওসি শাহাদত হোসেনর পরামর্শ ও নির্দেশক্রমে তদন্ত কাজ ত্বরান্বিত হয়েছে বলে জানান তিনি।