Dhaka 12:22 pm, Friday, 2 December 2022

রাজবাড়ীর পদ্মার পাড়ে ভ্রমণ পিপাসুদের ভীড়

সংবাদদাতা-
  • প্রকাশের সময় : 07:22:11 pm, Monday, 4 September 2017
  • / 1512 জন সংবাদটি পড়েছেন

স্টাফ রিপোর্টার॥ ঈদের দিন বৃষ্টির বাগড়ায় মানুষের ঈদ আনন্দে কিছুটা ছন্দ পতন হয়েছিল। তবে পরদিন মানুষের পদচারণায় মুখর ছিল রাজবাড়ীর পদ্মার পাড়।
ঈদের দিন দুই দফা বৃষ্টি নামে রাজবাড়ীতে। সকালে ঈদের নামাজের পর প্রথম দফা বৃষ্টি হয়। বিকেলে একটু ঘুরে ফিরে একে অন্যের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময় করে আনন্দে কাটানোর জন্য ঘর থেকে বেরিয়েছে। জমে উঠতে শুরু করেছিল রাজবাড়ী শহরতলীর গোদাবাজারের পদ্মার পাড়। বিকেল পাঁচটার দিকে শুরু হয় মুঝলধারে বৃষ্টি। ফিরে যেতে শুরু করে মানুষ। এতে আনন্দপ্রেমিদের সাথে হতাশ হয়েছেন নদীর মাঝিরাও। ঘণ্টা খানেকের বৃষ্টির পর নৌকায় হতাশ হয়ে বসে থাকতে দেখা যায় নৌকার মাঝি আজিজুলকে। তিনি জানান, কিছুটা আফসোস তো লাগছেই। বৃষ্টি না হলে গত ঈদের মত ভালো রোজগার হতো।
ঈদের পরদিন চমৎকার রোদ্রোজ্জ্বল আবহাওয়ায় ভ্রমণপিপাসুরা বিকেলটা নদীর পাড়ে কাটিয়েছে বেশ। সেখানে বসে মেলাও। বিক্রি হয় শিশুদের খেলনা, বেলুনসহ অনেক কিছু। বর্ষার এই টইটুম্বুর পদ্মা নদীতে নৌকা নিয়ে ঘোরাঘুরি আনন্দের মাত্রাটা আরও বাড়িয়ে দেয় তাদের। আর এ কারণেই ঘুরতে আসা মানুষদের দাবি এই এলাকাটিকে স্থায়ী পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার।
কবি খোকন মাহমুদ বলেন, এতো মানুষের ভীড় দেখে সত্যিই খুব ভালো লাগছে। তবে এখানে বসার তেমন কোনো জায়গা নেই। সন্ধ্যার পরে আলোর ব্যবস্থা রাখা হয়নি। কর্তৃপক্ষ একটু উদ্যোগ নিলে এই জায়গাটিকে একটি পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলা যেতে পারে।

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

রাজবাড়ীর পদ্মার পাড়ে ভ্রমণ পিপাসুদের ভীড়

প্রকাশের সময় : 07:22:11 pm, Monday, 4 September 2017

স্টাফ রিপোর্টার॥ ঈদের দিন বৃষ্টির বাগড়ায় মানুষের ঈদ আনন্দে কিছুটা ছন্দ পতন হয়েছিল। তবে পরদিন মানুষের পদচারণায় মুখর ছিল রাজবাড়ীর পদ্মার পাড়।
ঈদের দিন দুই দফা বৃষ্টি নামে রাজবাড়ীতে। সকালে ঈদের নামাজের পর প্রথম দফা বৃষ্টি হয়। বিকেলে একটু ঘুরে ফিরে একে অন্যের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময় করে আনন্দে কাটানোর জন্য ঘর থেকে বেরিয়েছে। জমে উঠতে শুরু করেছিল রাজবাড়ী শহরতলীর গোদাবাজারের পদ্মার পাড়। বিকেল পাঁচটার দিকে শুরু হয় মুঝলধারে বৃষ্টি। ফিরে যেতে শুরু করে মানুষ। এতে আনন্দপ্রেমিদের সাথে হতাশ হয়েছেন নদীর মাঝিরাও। ঘণ্টা খানেকের বৃষ্টির পর নৌকায় হতাশ হয়ে বসে থাকতে দেখা যায় নৌকার মাঝি আজিজুলকে। তিনি জানান, কিছুটা আফসোস তো লাগছেই। বৃষ্টি না হলে গত ঈদের মত ভালো রোজগার হতো।
ঈদের পরদিন চমৎকার রোদ্রোজ্জ্বল আবহাওয়ায় ভ্রমণপিপাসুরা বিকেলটা নদীর পাড়ে কাটিয়েছে বেশ। সেখানে বসে মেলাও। বিক্রি হয় শিশুদের খেলনা, বেলুনসহ অনেক কিছু। বর্ষার এই টইটুম্বুর পদ্মা নদীতে নৌকা নিয়ে ঘোরাঘুরি আনন্দের মাত্রাটা আরও বাড়িয়ে দেয় তাদের। আর এ কারণেই ঘুরতে আসা মানুষদের দাবি এই এলাকাটিকে স্থায়ী পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার।
কবি খোকন মাহমুদ বলেন, এতো মানুষের ভীড় দেখে সত্যিই খুব ভালো লাগছে। তবে এখানে বসার তেমন কোনো জায়গা নেই। সন্ধ্যার পরে আলোর ব্যবস্থা রাখা হয়নি। কর্তৃপক্ষ একটু উদ্যোগ নিলে এই জায়গাটিকে একটি পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলা যেতে পারে।