জেআইসিতে আটকে তারেক রহমানকেও নির্যাতন করা হয়েছিল : চিফ প্রসিকিউটর
- প্রকাশের সময় : ০২:১৮:৪৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ৮ অগাস্ট ২০২৬
- / 7
জয়েন্ট ইন্টারোগেশন সেন্টারে (জেআইসি) আটকে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকেও নির্যাতন করা হয়েছিল বলে দাবি করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম।
শনিবার (৮ আগস্ট) দুপুরে ডিজিএফআই সদর দপ্তরে থাকা জেআইসি পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বে বিচারক, প্রসিকিউশনসহ একটি প্রতিনিধিদল এ পরিদর্শনে অংশ নেয়।
চিফ প্রসিকিউটর বলেন, এক-এগারোর সময় তারেক রহমানকে জেআইসির একটি কক্ষে নিয়ে নির্যাতন করা হয়েছিল। ট্রাইব্যুনালে দেওয়া সাক্ষীদের বর্ণনা এবং প্রসিকিউশনের তদন্তেও এ-সংক্রান্ত তথ্য পাওয়া গেছে বলে জানান তিনি।
তিনি বলেন, বিচারপ্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে আয়নাঘর হিসেবে পরিচিত জেআইসি পরিদর্শন করা হয়েছে। সেখানে মানুষকে ধরে এনে বছরের পর বছর বন্দি রেখে অত্যাচার ও নির্যাতন চালানো হতো। পরিদর্শনের মাধ্যমে সেই নির্মম বাস্তবতার কিছুটা অনুভব করা গেছে।
আমিনুল ইসলাম আরও বলেন, অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবদুল্লাহিল আমান আযমীসহ বহু মানুষকে এই গোপন বন্দিশালায় বছরের পর বছর আটকে রাখা হয়েছিল। ভবিষ্যতে দেশে যেন কোনো টিএফআই, জেআইসি বা এ ধরনের গোপন বন্দিশালা প্রতিষ্ঠিত না হয়, সে বিষয়ে সরকারকে অনুরোধ জানানো হবে।
তিনি বলেন, কোনো নাগরিক অপরাধ করলে তাকে অবশ্যই আইনের আওতায় এনে বিচারের মুখোমুখি করতে হবে। তবে বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড বা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর মাধ্যমে অহেতুক হয়রানি কোনোভাবেই কাম্য নয়।
চিফ প্রসিকিউটর অভিযোগ করেন, আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে বিরোধী রাজনৈতিক দলের নেতা ও ভিন্নমতের ব্যক্তিদের গুম করে এসব বন্দিশালায় রাখা হতো। অনেক গুমের ঘটনায় ভুক্তভোগীদের এখনো কোনো হদিস পাওয়া যায়নি।
তিনি জানান, টিএফআই ও জেআইসিতে সংঘটিত গুম ও নির্যাতনের ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার বিচার চলছে। এ ঘটনায় জড়িত অনেক কর্মকর্তাকে বিচারের আওতায় আনা হয়েছে এবং তদন্তে সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেলে ভবিষ্যতে অন্যদেরও বিচারের মুখোমুখি করা হবে।





















