Dhaka ০৯:১৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬, ৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ:
কালীগঞ্জে চোরাই মোটরসাইকেল সিন্ডিকেটের সন্ধান, গ্রেপ্তার ৩ কালীগঞ্জ থানায় ওসির মতবিনিময় সভা নিয়ে বিতর্ক, সাংবাদিকদের ক্ষোভ পোরসায় আমের আড়তে জমজমাট বেচাকেনা সূচকের ঊর্ধ্বগতি, ডিএসইতে লেনদেন ১ হাজার ২১১ কোটি টাকা জেলা-উপজেলা হাসপাতালে পর্যায়ক্রমে ডায়ালাইসিসের ব্যবস্থা করা হবে : স্বাস্থ্যমন্ত্রী এইচএসসি পরীক্ষার্থীরা সকাল সাড়ে ৮টায় কেন্দ্রে ঢুকতে পারবে জ্বালানি সরবরাহ জোরদারে ৩ কার্গো এলএনজি আমদানির অনুমোদন সংসদ গ্রন্থাগারকে ই-পার্লামেন্টের আওতাভুক্ত করার উদ্যোগ সীমান্তে হত্যা মানবাধিকারের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এক বছরের মধ্যে জবির আবাসিক হল নির্মাণের চেষ্টা করা হবে: শিক্ষামন্ত্রী

আমাদের প্রান্তিক কৃষক হবেন ক্ষমতায়িত উদ্যোক্তা : প্রধানমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
  • প্রকাশের সময় : ০৪:৫৩:২২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬
  • / 14

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, দেশের প্রান্তিক কৃষকদের ক্ষমতায়িত উদ্যোক্তায় পরিণত করা হবে এবং কৃষিখাতকে জাতীয় সমৃদ্ধির প্রধান চালিকা শক্তি হিসেবে গড়ে তোলা হবে।

বুধবার জাতীয় সংসদের বাজেট অধিবেশনে প্রশ্নোত্তর পর্বে লিখিত প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, সরকারের লক্ষ্য হলো আত্মনির্ভর, জলবায়ু-সহিষ্ণু, প্রযুক্তিনির্ভর ও কৃষক-কেন্দ্রিক আধুনিক কৃষি ব্যবস্থা গড়ে তোলা। এ ব্যবস্থায় উৎপাদন ও বিপণন হবে তথ্যভিত্তিক এবং কৃষকরা উদ্যোক্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবেন।

তিনি জানান, কৃষকদের ইউনিক পরিচয় নিশ্চিত করা, ভর্তুকি ও প্রণোদনা প্রদান, সেচ সুবিধা বৃদ্ধি এবং কৃষিযন্ত্র সহজলভ্য করতে কৃষক কার্ড কর্মসূচি চালু করা হয়েছে। প্রি-পাইলটিং পর্যায়ে দেশের ১০ জেলায় এ কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে এবং এ পর্যন্ত ২০ হাজার ৮৩২টি কৃষক কার্ড বিতরণ করা হয়েছে।

তারেক রহমান বলেন, সরকার শস্য, ফসল, পশুপালন ও মৎস্যখাতে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ সম্পূর্ণ মওকুফ করেছে। এ জন্য চলতি অর্থবছরে এক হাজার ৫৬৭ কোটি ৯৬ লাখ টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে, যার ফলে প্রায় ১৩ লাখ ১৭ হাজার ৫০০ কৃষক উপকৃত হবেন।

তিনি আরও বলেন, দেশব্যাপী ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খনন ও পুনঃখননের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এতে ভূগর্ভস্থ পানির ওপর চাপ কমবে, সেচ সুবিধা বাড়বে, জলাবদ্ধতা দূর হবে এবং খাদ্য নিরাপত্তা আরও শক্তিশালী হবে।

প্রধানমন্ত্রী জানান, ইউরিয়া, ডিএপি, টিএসপি ও এমওপি সার সুলভ মূল্যে কৃষকদের কাছে পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি উচ্চফলনশীল ও জলবায়ু-সহিষ্ণু বীজ সরবরাহ, স্মার্ট কৃষি এবং প্রিসিশন অ্যাগ্রিকালচারের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

তিনি বলেন, কৃষকের উৎপাদিত পণ্যের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে সরাসরি কৃষকের কাছ থেকে ধান ও গম সংগ্রহ করা হচ্ছে এবং দেশব্যাপী ‘কৃষকবাজার’ স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এছাড়া কৃষিখাতে সেন্সর, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), ইন্টারনেট অব থিংস (আইওটি) এবং ড্রোন প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়াতে স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন করা হচ্ছে।

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

আমাদের প্রান্তিক কৃষক হবেন ক্ষমতায়িত উদ্যোক্তা : প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশের সময় : ০৪:৫৩:২২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, দেশের প্রান্তিক কৃষকদের ক্ষমতায়িত উদ্যোক্তায় পরিণত করা হবে এবং কৃষিখাতকে জাতীয় সমৃদ্ধির প্রধান চালিকা শক্তি হিসেবে গড়ে তোলা হবে।

বুধবার জাতীয় সংসদের বাজেট অধিবেশনে প্রশ্নোত্তর পর্বে লিখিত প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, সরকারের লক্ষ্য হলো আত্মনির্ভর, জলবায়ু-সহিষ্ণু, প্রযুক্তিনির্ভর ও কৃষক-কেন্দ্রিক আধুনিক কৃষি ব্যবস্থা গড়ে তোলা। এ ব্যবস্থায় উৎপাদন ও বিপণন হবে তথ্যভিত্তিক এবং কৃষকরা উদ্যোক্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবেন।

তিনি জানান, কৃষকদের ইউনিক পরিচয় নিশ্চিত করা, ভর্তুকি ও প্রণোদনা প্রদান, সেচ সুবিধা বৃদ্ধি এবং কৃষিযন্ত্র সহজলভ্য করতে কৃষক কার্ড কর্মসূচি চালু করা হয়েছে। প্রি-পাইলটিং পর্যায়ে দেশের ১০ জেলায় এ কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে এবং এ পর্যন্ত ২০ হাজার ৮৩২টি কৃষক কার্ড বিতরণ করা হয়েছে।

তারেক রহমান বলেন, সরকার শস্য, ফসল, পশুপালন ও মৎস্যখাতে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ সম্পূর্ণ মওকুফ করেছে। এ জন্য চলতি অর্থবছরে এক হাজার ৫৬৭ কোটি ৯৬ লাখ টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে, যার ফলে প্রায় ১৩ লাখ ১৭ হাজার ৫০০ কৃষক উপকৃত হবেন।

তিনি আরও বলেন, দেশব্যাপী ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খনন ও পুনঃখননের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এতে ভূগর্ভস্থ পানির ওপর চাপ কমবে, সেচ সুবিধা বাড়বে, জলাবদ্ধতা দূর হবে এবং খাদ্য নিরাপত্তা আরও শক্তিশালী হবে।

প্রধানমন্ত্রী জানান, ইউরিয়া, ডিএপি, টিএসপি ও এমওপি সার সুলভ মূল্যে কৃষকদের কাছে পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি উচ্চফলনশীল ও জলবায়ু-সহিষ্ণু বীজ সরবরাহ, স্মার্ট কৃষি এবং প্রিসিশন অ্যাগ্রিকালচারের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

তিনি বলেন, কৃষকের উৎপাদিত পণ্যের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে সরাসরি কৃষকের কাছ থেকে ধান ও গম সংগ্রহ করা হচ্ছে এবং দেশব্যাপী ‘কৃষকবাজার’ স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এছাড়া কৃষিখাতে সেন্সর, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), ইন্টারনেট অব থিংস (আইওটি) এবং ড্রোন প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়াতে স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন করা হচ্ছে।