সোমবার, ০২ নভেম্বর, ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সত্যানুসন্ধান মোদের অঙ্গীকার Jonotar Adalot
গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ:
জাবির তুলনামূলক সাহিত্য ও সংস্কৃতি ইনস্টিটিউটের নতুন পরিচালক অধ্যাপক মানছুর নওগাঁয় আন্ত:জেলা মোটরসাইকেল চোর চক্রের দুই সদস্য গ্রেপ্তার মিরপুরে সংঘর্ষ-আগুন, চার মামলায় আসামি সাড়ে ১০ হাজার বর্ণাঢ্য আয়োজনে উদযাপিত হচ্ছে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ২১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী বাণিজ্য মেলার প্রধান ফটক ভেঙে ক্যাম্পাসে ফিরলেন শেকৃবি শিক্ষার্থীরা আগামী গ্রীষ্মের মধ্যে ৩-৪ হাজার মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্য : প্রতিমন্ত্রী মোটরসাইকেলের সামনে নম্বরপ্লেট বসানোর বাধা দূর হলো, সংশোধিত নীতিমালা প্রকাশ দেবাহুতি চক্রবর্তী: একজন মানুষ, বহুমাত্রিক সত্তা শ্রমিক আন্দোলনের নামে অস্থিরতা সৃষ্টির চেষ্টা কঠোর হস্তে দমন করা হবে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নওগাঁ সীমান্তে ১৩৩ বোতল ভারতীয় নেশাজাতীয় সিরাপ উদ্ধার

নওগাঁয় আন্ত:জেলা মোটরসাইকেল চোর চক্রের দুই সদস্য গ্রেপ্তার

খোরশেদ আলম, নওগাঁ
  • প্রকাশের সময় : ০৩:০২:১৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২ নভেম্বর ২০২৬
  • / 1

নওগাঁর সাপাহার ও পোরশা থানা পুলিশের যৌথ অভিযানে আন্ত:জেলা মোটরসাইকেল চোর চক্রের দুই সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ সময় চুরি হওয়া একটি মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়।

নওগাঁর পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলামের সরাসরি নির্দেশনায় সাপাহার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. মিজানুর রহমান ও পোরশা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে বিশেষ অভিযান চালিয়ে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ৩০ অক্টোবর সাপাহার জিরো পয়েন্টসংলগ্ন লাবনী সুপার মার্কেটের শরিফুল গিফট কর্নারের সামনে থেকে একটি হোন্ডা ড্রিম মোটরসাইকেল চুরি হয়। মোটরসাইকেলটির মালিক মো. খলিলুর রহমানের জামাতা মো. শাহীন (৩০) ওই দিন দুপুর ১টা ৫ মিনিটের দিকে মোটরসাইকেলটি রেখে জুমার নামাজ আদায় করতে মসজিদে যান। নামাজ শেষে দুপুর আনুমানিক ১টা ৩৫ মিনিটে ফিরে এসে দেখেন, মোটরসাইকেলটি সেখানে নেই। পরে বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও সেটির সন্ধান না পেয়ে তিনি অভিযোগ করেন।

অভিযোগের ভিত্তিতে সাপাহার সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার অরূপের নেতৃত্বে পুলিশ ঘটনাস্থলের তথ্যপ্রযুক্তিগত বিশ্লেষণ ও উপাত্ত পর্যালোচনা করে। এর ধারাবাহিকতায় গত রাতে সাপাহার ও পোরশা উপজেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে সন্দেহভাজন মোটরসাইকেল চোর মো. মাসুদ রানাকে (৩২) গ্রেপ্তার করা হয়।

পুলিশ জানায়, জিজ্ঞাসাবাদে মাসুদ রানা চুরির সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেন। তাঁর দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে চোরাই মোটরসাইকেল কেনাবেচার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে মো. শহিদুল ইসলামকে (৩৫) গ্রেপ্তার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনিও মোটরসাইকেল কেনাবেচার সঙ্গে সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করেন। পরে তাঁদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী চুরি হওয়া মোটরসাইকেলটি উদ্ধার করা হয়।

পুলিশের তথ্যমতে, গ্রেপ্তার মাসুদ রানার বাড়ি বগুড়া জেলায়। তিনি পেশাদার চোর হিসেবে পরিচিত এবং বিভিন্ন থানা এলাকায় একাধিক বিয়ে করে ভাসমানভাবে বসবাস করতেন বলে জানিয়েছে পুলিশ। তাঁর বিরুদ্ধে চুরির অভিযোগে সাতটি মামলা রয়েছে।

গ্রেপ্তার দুই আসামির বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

নওগাঁয় আন্ত:জেলা মোটরসাইকেল চোর চক্রের দুই সদস্য গ্রেপ্তার

প্রকাশের সময় : ০৩:০২:১৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২ নভেম্বর ২০২৬

নওগাঁর সাপাহার ও পোরশা থানা পুলিশের যৌথ অভিযানে আন্ত:জেলা মোটরসাইকেল চোর চক্রের দুই সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ সময় চুরি হওয়া একটি মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়।

নওগাঁর পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলামের সরাসরি নির্দেশনায় সাপাহার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. মিজানুর রহমান ও পোরশা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে বিশেষ অভিযান চালিয়ে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ৩০ অক্টোবর সাপাহার জিরো পয়েন্টসংলগ্ন লাবনী সুপার মার্কেটের শরিফুল গিফট কর্নারের সামনে থেকে একটি হোন্ডা ড্রিম মোটরসাইকেল চুরি হয়। মোটরসাইকেলটির মালিক মো. খলিলুর রহমানের জামাতা মো. শাহীন (৩০) ওই দিন দুপুর ১টা ৫ মিনিটের দিকে মোটরসাইকেলটি রেখে জুমার নামাজ আদায় করতে মসজিদে যান। নামাজ শেষে দুপুর আনুমানিক ১টা ৩৫ মিনিটে ফিরে এসে দেখেন, মোটরসাইকেলটি সেখানে নেই। পরে বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও সেটির সন্ধান না পেয়ে তিনি অভিযোগ করেন।

অভিযোগের ভিত্তিতে সাপাহার সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার অরূপের নেতৃত্বে পুলিশ ঘটনাস্থলের তথ্যপ্রযুক্তিগত বিশ্লেষণ ও উপাত্ত পর্যালোচনা করে। এর ধারাবাহিকতায় গত রাতে সাপাহার ও পোরশা উপজেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে সন্দেহভাজন মোটরসাইকেল চোর মো. মাসুদ রানাকে (৩২) গ্রেপ্তার করা হয়।

পুলিশ জানায়, জিজ্ঞাসাবাদে মাসুদ রানা চুরির সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেন। তাঁর দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে চোরাই মোটরসাইকেল কেনাবেচার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে মো. শহিদুল ইসলামকে (৩৫) গ্রেপ্তার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনিও মোটরসাইকেল কেনাবেচার সঙ্গে সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করেন। পরে তাঁদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী চুরি হওয়া মোটরসাইকেলটি উদ্ধার করা হয়।

পুলিশের তথ্যমতে, গ্রেপ্তার মাসুদ রানার বাড়ি বগুড়া জেলায়। তিনি পেশাদার চোর হিসেবে পরিচিত এবং বিভিন্ন থানা এলাকায় একাধিক বিয়ে করে ভাসমানভাবে বসবাস করতেন বলে জানিয়েছে পুলিশ। তাঁর বিরুদ্ধে চুরির অভিযোগে সাতটি মামলা রয়েছে।

গ্রেপ্তার দুই আসামির বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।