রবিবার, ০১ নভেম্বর, ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সত্যানুসন্ধান মোদের অঙ্গীকার Jonotar Adalot
গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ:
মিরপুরে শ্রমিক আন্দোলনে মিশে নাশকতার চেষ্টা, আ.লীগ ও অঙ্গসংগঠনের ১১ নেতাকর্মী গ্রেপ্তার শ্রমিক বিক্ষোভের মধ্যে গাজীপুরে কারখানার গুদামে আগুন, ফায়ার সার্ভিসকে বাধা জাবির পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের সভাপতি হলেন অধ্যাপক ফরিদ আহমদ নওগাঁ সীমান্তে ৩০ বোতল ভারতীয় ফেনসিডিল জব্দ রবিবার রাজধানীর যেসব মার্কেট বন্ধ বড় দরপতনের পর ভরিতে ৫ হাজার ৪৮১ টাকা কমল সোনার দাম প্রাইজ বন্ডের ১২৫তম ড্র আজ, প্রথম পুরস্কার ৬ লাখ টাকা ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক অবরোধ, কোনাবাড়ীতে পুলিশ বক্সে আগুন সীমিত হামলাও বড় সংঘাত ডেকে আনতে পারে, খামেনির হুঙ্কার শরিফুল রাজকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে আইনি নোটিশের জবাব দেওয়ার নির্দেশ

সীমিত হামলাও বড় সংঘাত ডেকে আনতে পারে, খামেনির হুঙ্কার

স্টাফ রিপোর্টার
  • প্রকাশের সময় : ১২:৩০:৩১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ নভেম্বর ২০২৬
  • / 14

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির নতুন নির্দেশ দেশটির সামরিক কৌশলে আরও আক্রমণাত্মক অবস্থানের ইঙ্গিত দিচ্ছে।

যেকোনও হুমকির জবাব তাৎক্ষণিকভাবে এবং ‘ভৌগোলিক সীমারেখা ছাড়াই’ দেওয়ার নির্দেশের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রকে সতর্ক করতে চেয়েছে তেহরান। বার্তাটি হলো, ইরানে সীমিত আকারের হামলাও বৃহত্তর সংঘাতের সূত্রপাত ঘটাতে পারে।

ইন্টারন্যাশনাল ক্রাইসিস গ্রুপের ইরানবিষয়ক জ্যেষ্ঠ বিশ্লেষক হামিদরেজা আজিজি এ মূল্যায়ন করেছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে তিনি খামেনির নির্দেশকে দিনের ‘সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা’ বলে উল্লেখ করেন।

আজিজি লেখেন, এ ধরনের ভাষা ইরানের সামরিক কৌশলে আরও একটি পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিচ্ছে। এত দিন ইরান মূলত প্রতিপক্ষের হামলার সমানুপাতিক জবাব ও পাল্টা আঘাতের ওপর গুরুত্ব দিয়ে আসছিল। তবে সাম্প্রতিক সময়ে দেশটি সেই অবস্থান থেকে সরে এসে প্রতিপক্ষের ওপর সরাসরি ক্ষয়ক্ষতি চাপিয়ে দেওয়ার মতো আক্রমণাত্মক কৌশলের দিকে এগোচ্ছে।

তার মতে, খামেনির নতুন নির্দেশ সেই কৌশলকে আরও এক ধাপ এগিয়ে নিয়েছে।

আজিজি বলেন, নতুন করে কোনও সংঘাত শুরু হলে কখন এবং কীভাবে তার অবসান হবে, তা ইরানই নির্ধারণ করবে- খামেনির এ অবস্থান ওয়াশিংটনের একটি ধারণাকে চ্যালেঞ্জ করছে। সেই ধারণা হলো, যুক্তরাষ্ট্র সীমিত আকারে হামলা চালিয়ে সংঘাতের বিস্তার নিজেদের নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারবে।

বিশ্লেষকের ভাষ্য, তেহরান মূলত এই বার্তা দিতে চাইছে যে ইরানে তুলনামূলক সীমিত হামলাও ভৌগোলিক পরিসর ও লক্ষ্যবস্তুর দিক থেকে অনেক বড় সংঘাতে রূপ নিতে পারে।

আজিজির মতে, ইরানের লক্ষ্য হলো নতুন করে হামলা চালানোর সম্ভাব্য খরচ ও পরিণতি এতটাই অনিশ্চিত ও গুরুতর করে তোলা, যাতে যুক্তরাষ্ট্র সামরিক পদক্ষেপের সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে তা পুনর্বিবেচনা করতে বাধ্য হয়।

সূত্র: আল-জাজিরা

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

সীমিত হামলাও বড় সংঘাত ডেকে আনতে পারে, খামেনির হুঙ্কার

প্রকাশের সময় : ১২:৩০:৩১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ নভেম্বর ২০২৬

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির নতুন নির্দেশ দেশটির সামরিক কৌশলে আরও আক্রমণাত্মক অবস্থানের ইঙ্গিত দিচ্ছে।

যেকোনও হুমকির জবাব তাৎক্ষণিকভাবে এবং ‘ভৌগোলিক সীমারেখা ছাড়াই’ দেওয়ার নির্দেশের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রকে সতর্ক করতে চেয়েছে তেহরান। বার্তাটি হলো, ইরানে সীমিত আকারের হামলাও বৃহত্তর সংঘাতের সূত্রপাত ঘটাতে পারে।

ইন্টারন্যাশনাল ক্রাইসিস গ্রুপের ইরানবিষয়ক জ্যেষ্ঠ বিশ্লেষক হামিদরেজা আজিজি এ মূল্যায়ন করেছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে তিনি খামেনির নির্দেশকে দিনের ‘সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা’ বলে উল্লেখ করেন।

আজিজি লেখেন, এ ধরনের ভাষা ইরানের সামরিক কৌশলে আরও একটি পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিচ্ছে। এত দিন ইরান মূলত প্রতিপক্ষের হামলার সমানুপাতিক জবাব ও পাল্টা আঘাতের ওপর গুরুত্ব দিয়ে আসছিল। তবে সাম্প্রতিক সময়ে দেশটি সেই অবস্থান থেকে সরে এসে প্রতিপক্ষের ওপর সরাসরি ক্ষয়ক্ষতি চাপিয়ে দেওয়ার মতো আক্রমণাত্মক কৌশলের দিকে এগোচ্ছে।

তার মতে, খামেনির নতুন নির্দেশ সেই কৌশলকে আরও এক ধাপ এগিয়ে নিয়েছে।

আজিজি বলেন, নতুন করে কোনও সংঘাত শুরু হলে কখন এবং কীভাবে তার অবসান হবে, তা ইরানই নির্ধারণ করবে- খামেনির এ অবস্থান ওয়াশিংটনের একটি ধারণাকে চ্যালেঞ্জ করছে। সেই ধারণা হলো, যুক্তরাষ্ট্র সীমিত আকারে হামলা চালিয়ে সংঘাতের বিস্তার নিজেদের নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারবে।

বিশ্লেষকের ভাষ্য, তেহরান মূলত এই বার্তা দিতে চাইছে যে ইরানে তুলনামূলক সীমিত হামলাও ভৌগোলিক পরিসর ও লক্ষ্যবস্তুর দিক থেকে অনেক বড় সংঘাতে রূপ নিতে পারে।

আজিজির মতে, ইরানের লক্ষ্য হলো নতুন করে হামলা চালানোর সম্ভাব্য খরচ ও পরিণতি এতটাই অনিশ্চিত ও গুরুতর করে তোলা, যাতে যুক্তরাষ্ট্র সামরিক পদক্ষেপের সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে তা পুনর্বিবেচনা করতে বাধ্য হয়।

সূত্র: আল-জাজিরা