ফ্যামিলি কার্ড বিতরণে ত্রুটি মাত্র ১.২ শতাংশ : অর্থমন্ত্রী
- প্রকাশের সময় : ০১:৩৯:৪৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬
- / 5
ফ্যামিলি কার্ড বিতরণে পাইলট প্রকল্পে মাত্র ১ দশমিক ২ শতাংশ ত্রুটি হয়েছে বলে জানিয়েছেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে এ ত্রুটির হার অত্যন্ত নগণ্য উল্লেখ করে তিনি বলেন, প্রকল্পটি সফলভাবে বাস্তবায়িত হয়েছে। রাজনৈতিক বিবেচনা বা দলীয় পক্ষপাতিত্বের ভিত্তিতে কোনো ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ করা হয়নি এবং ভবিষ্যতেও হবে না।
রোববার (৩০ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজে ‘বাংলাদেশে বন্যা-পরবর্তী পুনরুদ্ধার ও পুনর্বাসন সহায়তা’ প্রকল্পের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
অর্থমন্ত্রী বলেন, কোনো পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে হলে সঠিক ও দক্ষ উপায়ে ত্রাণ এবং সহায়তা বিতরণ নিশ্চিত করতে হবে। দেশে ত্রাণ বিতরণের ক্ষেত্রে দুর্নীতি, অপচয় ও সঠিক ব্যবস্থাপনার অভাবে অনেক ক্ষতি হয়।
তিনি বলেন, সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমে সরকার, বেসরকারি খাত এবং বেসরকারি সংস্থাগুলোর মধ্যে অংশীদারত্ব গড়ে তোলা হচ্ছে। এটি শুধু বন্যা-পরবর্তী পুনর্বাসনের ক্ষেত্রে নয়, নতুন অর্থনৈতিক মডেল বাস্তবায়নেও এ ধরনের অংশীদারত্ব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, সরকার প্রাথমিকভাবে জরুরি সহায়তা দিয়ে থাকে। পরবর্তী সময়ে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন, প্রতিবন্ধীদের সহায়তা এবং অন্যান্য পুনর্বাসন কার্যক্রমে এনজিও ও বেসরকারি খাতকে সম্পৃক্ত করা হচ্ছে। সরকারি সম্পদের সঙ্গে বেসরকারি ও সামাজিক সংগঠনগুলোর সম্পদ যুক্ত করে সার্বিক পুনর্বাসন কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, সরকারের পক্ষে একা সবকিছু দক্ষতার সঙ্গে বিতরণ করা কঠিন। এর ফলে দুর্নীতি ও অপচয়ের সুযোগ তৈরি হয়। কিন্তু বিতরণ ব্যবস্থায় বেসরকারি খাত ও এনজিওকে সম্পৃক্ত করলে কাজের দক্ষতা বাড়ার পাশাপাশি অপচয় ও দুর্নীতি কমে আসে।
বন্যা-পরবর্তী পুনর্বাসন কার্যক্রমের বিষয়ে অর্থমন্ত্রী বলেন, এখন পর্যন্ত এ কার্যক্রমে কোনো দুর্নীতির অভিযোগ পাওয়া যায়নি। ফ্যামিলি কার্ডসহ বিভিন্ন ব্যবস্থার মাধ্যমে দক্ষতার সঙ্গে সহায়তা পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে। এসব ব্যবস্থা সরকারের অপচয় ও দুর্নীতি নিয়ন্ত্রণে সহায়ক ভূমিকা রাখছে।
তিনি বলেন, আজকের উদ্যোগে ব্র্যাকসহ বিভিন্ন সংস্থা কাজ করছে। সরকারের সঙ্গে বেসরকারি খাত ও এনজিওগুলোর এ সম্মিলিত অংশীদারত্ব অব্যাহত রাখা হবে। সাধারণ মানুষের সঠিক পুনর্বাসন নিশ্চিত না হলে প্রকৃত অর্থে সহায়তা দেওয়া সম্ভব নয়।
অনুষ্ঠানে চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার ড. মো. জিয়াউদ্দীন, জেলা প্রশাসক মো. জাহিদুল ইসলাম মিঞা, চট্টগ্রাম চেম্বার অব কমার্সের সভাপতি আমিরুল হক চৌধুরী, সিডিএ চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার বেলায়েত হোসেনসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।






















