মার্কিন হামলায় ইরানের ২০ গ্রামের ১০ হাজার মানুষের পানি সরবরাহ বন্ধ
- প্রকাশের সময় : ০২:২৫:০৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬
- / 13
ইরানে টানা সাত দিনের সামরিক অভিযানের মধ্যে একটি পানি শোধনাগারে হামলার পর দেশটির হরমোজগান প্রদেশের জাস্ক কাউন্টির অন্তত ২০টি গ্রামের প্রায় ১০ হাজার বাসিন্দা সুপেয় পানির সংকটে পড়েছেন। হামলায় পানি পরিশোধন কেন্দ্রের গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় এ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।
আল জাজিরার বরাতে শনিবার (১৮ জুলাই) এ তথ্য জানিয়েছে ইরানের আধা সরকারি সংবাদমাধ্যম তাসনিম নিউজ।
হরমোজগান ওয়াটার অ্যান্ড ওয়েস্টওয়াটার কোম্পানির প্রধান নির্বাহী হামজেহ পুর জানান, উপকূলীয় বুঞ্জি গ্রামের একটি পানি পরিশোধন পাম্পে মার্কিন বাহিনীর হামলায় সমুদ্র থেকে পানি উত্তোলনের পাম্পিং স্টেশন এবং পানি পরিশোধন কেন্দ্রের একটি বিদ্যুৎ ট্রান্সফরমার সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে যায়। ফলে আশপাশের ২০টি গ্রামের সুপেয় পানির সরবরাহ পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গেছে।
তিনি এ হামলাকে ‘ধারাবাহিক অপরাধ ও সন্ত্রাসী হামলা’ হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার বাসিন্দারা তীব্র পানি সংকটের মুখে পড়েছেন।
এদিকে মার্কিন হামলার জবাবে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন স্থানে পাল্টা হামলা চালিয়েছে ইরান। কুয়েতের বিদ্যুৎ, পানি ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, সাম্প্রতিক হামলার পর একটি বিদ্যুৎ ও পানি পরিশোধন কেন্দ্রের অংশবিশেষে আগুন লাগে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে কয়েকটি বিদ্যুৎ উৎপাদন ইউনিট সাময়িকভাবে বন্ধ করা হলেও বিদ্যুৎ ও পানির সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে জরুরি পরিকল্পনা কার্যকর করা হয়েছে।
এর আগে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানায়, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্দেশনায় ইরানে টানা সাত রাত ধরে অভিযান চালানো হচ্ছে এবং দেশটির সামরিক সক্ষমতা দুর্বল করার অভিযান অব্যাহত থাকবে।
অন্যদিকে ইরান যুক্তরাষ্ট্রকে অবিলম্বে বিমান হামলা বন্ধের আহ্বান জানিয়েছে। দেশটির সর্বোচ্চ নেতার সামরিক উপদেষ্টা মেজর জেনারেল মোহসেন রেজায়ি সতর্ক করে বলেছেন, মার্কিন হামলা অব্যাহত থাকলে ইরান পূর্ণমাত্রার যুদ্ধে যেতে বাধ্য হবে এবং সে ক্ষেত্রে মধ্যপ্রাচ্যের কোনো রাজনৈতিক সীমান্তই নিরাপদ থাকবে না।























