মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান পাল্টাপাল্টি হামলা অব্যাহত, উত্তেজনা আরও তীব্র
- প্রকাশের সময় : ১০:৪০:৪৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬
- / 14
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সামরিক সংঘাত আরও তীব্র হয়েছে। টানা সপ্তম রাতেও উভয় পক্ষের মধ্যে হামলা-পাল্টা হামলা চলেছে। যুক্তরাষ্ট্র ইরানের একাধিক সামরিক স্থাপনায় বিমান ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানোর কথা জানিয়েছে। অন্যদিকে, ইরান কুয়েত ও জর্ডানে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে ড্রোন হামলার দাবি করেছে।
শনিবার (১৮ জুলাই) যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানায়, ইরানের নজরদারি কেন্দ্র, সামরিক লজিস্টিক স্থাপনা, ভূগর্ভস্থ অস্ত্রভান্ডার এবং সামুদ্রিক সামরিক সক্ষমতার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট লক্ষ্যবস্তুতে নতুন করে হামলা চালানো হয়েছে। এ অভিযানে যুদ্ধবিমান, ড্রোন ও নৌবাহিনীর যুদ্ধজাহাজ ব্যবহার করা হয়।
মার্কিন কর্মকর্তাদের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্যে ৫০ হাজারের বেশি মার্কিন সেনা মোতায়েন রয়েছে এবং তারা সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় রয়েছে।
এদিকে ইরানের আধা-সরকারি তাসনিম নিউজ এজেন্সি জানিয়েছে, হরমোজগান প্রদেশে নতুন হামলার আশঙ্কায় স্থানীয় প্রশাসন জনগণকে অপ্রয়োজনীয় চলাচল এড়িয়ে চলার আহ্বান জানিয়েছে। সাম্প্রতিক হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত অবকাঠামোর পরিস্থিতি মূল্যায়ন এবং বিকল্প যোগাযোগব্যবস্থা চালুর কাজ চলছে। স্থানীয় প্রশাসনের বরাতে তাসনিম জানায়, সর্বশেষ হামলায় তিনজন নিহত হয়েছেন। তবে রয়টার্স এ তথ্য স্বাধীনভাবে যাচাই করতে পারেনি।
উপসাগরীয় দেশ বাহরাইনেও আবার বিমান হামলার সতর্কসংকেত জারি করা হয়েছে। দেশটির কর্তৃপক্ষ বাসিন্দাদের নিরাপদ আশ্রয়ে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছে।
অন্যদিকে, ইরানের সামরিক বাহিনী দাবি করেছে, তারা কুয়েতের ক্যাম্প উদাইরি, আলী আল সালেম ঘাঁটি এবং জর্ডানের মুওয়াফফাক সালতি (আল আজরাক) বিমানঘাঁটিসহ কয়েকটি মার্কিন সামরিক স্থাপনায় ড্রোন হামলা চালিয়েছে। তবে এসব হামলায় ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের বিষয়ে স্বাধীনভাবে কোনো নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি।
ইরান জানিয়েছে, দেশের বিরুদ্ধে যেকোনো সামরিক পদক্ষেপের জবাব দেওয়া হবে। তবে ইরানের এসব দাবির বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।
























