Dhaka ০২:৫৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬, ৩১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ:
মেসিকে আটকাতে বিশেষ পরিকল্পনা টুখেলের ‘ইউনিভার্সাল কার্ড’ চালুর ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর পত্নীতলায় হানিট্র্যাপে জিম্মি করে মুক্তিপণ আদায়কারী চক্রের ২ তরুণীসহ গ্রেফতার ৪ পাংশা বণিক সমিতির সাধারণ সম্পাদকের বিরুদ্ধে ‘উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’ মামলার অভিযোগ জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে টি-২০ সিরিজও হার দিয়ে শুরু বাংলাদেশের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা নিয়ে সরকারের ৫ উদ্যোগ ইঞ্জিন বিকল হয়ে সমুদ্রে ভাসতে থাকা ফিশিং বোটসহ ১৯ জেলে উদ্ধার কাতারের আমিরের কাছে প্রধানমন্ত্রীর শোকবার্তা হস্তান্তর করলেন স্পিকার আত্মসমর্পণ করে জামিন পেলেন অভিনেত্রী ববি প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় কালুখালীর সকল প্রাথমিক বিদ্যালয়ে একযোগে বৃক্ষরোপণ

জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে টি-২০ সিরিজও হার দিয়ে শুরু বাংলাদেশের

ডেস্ক নিউজ
  • প্রকাশের সময় : ০৮:৪২:০৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬
  • / 22

 

টি-টোয়েন্টিতেও বেহাল বাংলাদেশ। ফরম্যাট আর ভেন্যু বদলালেও বদলায়নি ভাগ্য। হার দিয়ে শুরু হলো সিরিজ। ব্যাটিং ব্যর্থতায় স্বাগতিকদের সাথে পেরে ওঠেনি টাইগাররা।

বুধবার বুলাওয়েতে ১ ওভার হাতে রেখেই ৩২ রানে হেরে গেছে বাংলাদেশ। স্বাগতিকদের করা ৬ উইকেটে ১৭০ রান তাড়ায় ১৯ ওভারে ১৩৮ রানে থেমেছে তাওহীদ হৃদয়ের দল।

ব্যাট হাতে ইয়াসির আলী ছাড়া আর কেউ বলার মতো কিছুই করতে পারেননি, যেতে পারেননি বিশ রানেও৷ ধ্বংসস্তূপে দাঁড়িয়ে ইয়াসির তুলে নেন জাতীয় দলে নিজের প্রথম ফিফটি।

তার ব্যাটেই অনেক্ষণ আশা বেঁচে ছিল। শেষ ৩ ওভারে ৫ উইকেট হাতে রেখে দরকার ছিল ৪১ রান। কিন্তু মাত্র ৮ রানে শেষ ৫ উইকেট হারিয়ে ম্যাচটা হেরে যায় তারা।

রান তাড়ায় প্রথম ওভারে ১৩ রান তুলে দারুণ কিছুর বার্তা দিয়েছিলেন সাইফ হাসান ও তানজিদ তামিম। তবে দুজনের কেউ থিতু হতে পারেননি। একই ওভারে দুজনকে ফেরান রিচার্ড এনগারাবা।

সাইফ ১৫ বলে ১২ ও তামিম ৮ বলে ১৬ রানে আউট হন। ৪ ওভারে ৩০ রানে ২ উইকেট হারায় দল। এরপর আর ৪ রান যোগ হতেই ফেরেন পারভেজ ইমন (৫)। চাপে পড়ে যায় টাইগাররা।

সেখান থেকে তাওহীদ হৃদয়কে নিয়ে ৩৯ রানের জুটি গড়েন ইয়াসির। হৃদয় পারেননি ইনিংস বড় করতে, বাংলাদেশ অধিনায়ক আউট হন ১৩ বলে ১৪ করে। দ্রুত ফেরেন নুরুল হাসান সোহানও (৩)।

১০.৩ ওভারে ৭৮ রানে ৬ উইকেট হারানোর পর শেখ মেহেদীর সাথে মিলে দলকে টানেন ইয়াসির। জুটিতে আসে ৩৭ বলে ৫২ রান। ১৮ বলে ১৯ করে মেহেদী বিদায় নিলে ভাঙে জুটি, লড়াইয়ের শক্তিও শেষ হয়ে যায়।

অবশ্য এর মাঝেই ৩৩ বলে জাতীয় দলের জার্সিতে প্রথম ফিফটি তুলে নেন ইয়াসির। ২০২২ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের পর প্রথমবার দলে ফিরে নিজের সক্ষমতার জানান দিলেন এই ব্যাটার।

১৬.৪ ওভারে মেহেদী ফিরলে পরের ওভারের শুরুতেই ফেরেন ইয়াসির। ২ চার ৩ ছক্কায় ৩৮ বলে ৫৪ রানে শেষ হয় তার ইনিংস। তিনি ফেরার পর ৮ রান তুলতেই শেষ হয় ইনিংস।

জিম্বাবুয়ের হয়ে এনগারাবা ২৬ রানে ৪ ও ব্লেসিং মুজারাবানি ১৭ রানে নেন ৪ উইকেট।

এর আগে অবশ্য নাহিদ রানাও বাংলাদেশের হয়ে ২৬ রানে ৪ উইকেট নেন। তবে তার এমন বোলিংয়ের পরও ১৭০ রানে পৌঁছে যায় জিম্বাবুয়ে।

টসে হেরে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা ভালোই পায় জিম্বাবুয়ে। চতুর্থ ওভারে উদ্বোধনী জুটি ভাঙার আগে আসে ৩৭ রান। ৯ বলে ১৪ রান করা মারুভানিকে ফেরান নাহিদ রানা। তবে ততক্ষণে থিতু হয়ে গেছেন ব্রেনেট।

এরপর ডিওন মায়ার্সকে সাথে নিয়ে ৯ ওভারে দলকে ৭৫ রানে পৌঁছে দেন তিনি। মায়ার্স ২০ বলে ২০ করে সাইফুদ্দিনের শিকার হন। তবে ব্রেনেট ছুটছিলেন ফিফটির দিকে। তবে সেই আশা পূরণ হয়নি।

১০.৫ ওভারে নাহিদ রানার দ্বিতীয় শিকার হয়ে ফেরেন ৩০ বলে ৪৪ রান করে। ৩ উইকেটে ৯১ রান নিয়ে ওভার শেষ করে জিম্বাবুয়ে। এরপর দলকে ১৩.৪ ওভারে ১১৬ পর্যন্ত নিয়ে যান সিকান্দার রাজা।

তবে ১৩ বলে ২০ রান করে সাইফুদ্দিনের দ্বিতীয় শিকার হয়ে থামেন জিম্বাবুয়ে অধিনায়ক। এরপর জোড়া আঘাত আনেন রানা। ৩ ওভার শেষে তার স্পেল দাঁড়ায় ৮ রানে ৪ উইকেট।

জিম্বাবুয়ের রান তখন ১৮ ওভারে ৬ ওভারে ১৩৯। পরের ওভারে সাইফুদ্দিনের থেকে ৮ রান নেন ব্রাড ইভান্স ও রায়ান বার্ল মিলে। তবে শেষ ওভারে রানাকে ৪টি চার মারেন ইভান্স। তাতে বেড়ে যায় জিম্বাবুয়ের রান।

ইভান্স ১০ বলে ১৯ ও বার্ল ২৫ বলে ৩০ রানে অপরাজিত থাকেন। ২৬ রানে ৪ উইকেট নেন নাহিদ রানা। ৩৫ রানে ২ উইকেট নেন সাইফুদ্দিন।

 

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে টি-২০ সিরিজও হার দিয়ে শুরু বাংলাদেশের

প্রকাশের সময় : ০৮:৪২:০৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬

 

টি-টোয়েন্টিতেও বেহাল বাংলাদেশ। ফরম্যাট আর ভেন্যু বদলালেও বদলায়নি ভাগ্য। হার দিয়ে শুরু হলো সিরিজ। ব্যাটিং ব্যর্থতায় স্বাগতিকদের সাথে পেরে ওঠেনি টাইগাররা।

বুধবার বুলাওয়েতে ১ ওভার হাতে রেখেই ৩২ রানে হেরে গেছে বাংলাদেশ। স্বাগতিকদের করা ৬ উইকেটে ১৭০ রান তাড়ায় ১৯ ওভারে ১৩৮ রানে থেমেছে তাওহীদ হৃদয়ের দল।

ব্যাট হাতে ইয়াসির আলী ছাড়া আর কেউ বলার মতো কিছুই করতে পারেননি, যেতে পারেননি বিশ রানেও৷ ধ্বংসস্তূপে দাঁড়িয়ে ইয়াসির তুলে নেন জাতীয় দলে নিজের প্রথম ফিফটি।

তার ব্যাটেই অনেক্ষণ আশা বেঁচে ছিল। শেষ ৩ ওভারে ৫ উইকেট হাতে রেখে দরকার ছিল ৪১ রান। কিন্তু মাত্র ৮ রানে শেষ ৫ উইকেট হারিয়ে ম্যাচটা হেরে যায় তারা।

রান তাড়ায় প্রথম ওভারে ১৩ রান তুলে দারুণ কিছুর বার্তা দিয়েছিলেন সাইফ হাসান ও তানজিদ তামিম। তবে দুজনের কেউ থিতু হতে পারেননি। একই ওভারে দুজনকে ফেরান রিচার্ড এনগারাবা।

সাইফ ১৫ বলে ১২ ও তামিম ৮ বলে ১৬ রানে আউট হন। ৪ ওভারে ৩০ রানে ২ উইকেট হারায় দল। এরপর আর ৪ রান যোগ হতেই ফেরেন পারভেজ ইমন (৫)। চাপে পড়ে যায় টাইগাররা।

সেখান থেকে তাওহীদ হৃদয়কে নিয়ে ৩৯ রানের জুটি গড়েন ইয়াসির। হৃদয় পারেননি ইনিংস বড় করতে, বাংলাদেশ অধিনায়ক আউট হন ১৩ বলে ১৪ করে। দ্রুত ফেরেন নুরুল হাসান সোহানও (৩)।

১০.৩ ওভারে ৭৮ রানে ৬ উইকেট হারানোর পর শেখ মেহেদীর সাথে মিলে দলকে টানেন ইয়াসির। জুটিতে আসে ৩৭ বলে ৫২ রান। ১৮ বলে ১৯ করে মেহেদী বিদায় নিলে ভাঙে জুটি, লড়াইয়ের শক্তিও শেষ হয়ে যায়।

অবশ্য এর মাঝেই ৩৩ বলে জাতীয় দলের জার্সিতে প্রথম ফিফটি তুলে নেন ইয়াসির। ২০২২ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের পর প্রথমবার দলে ফিরে নিজের সক্ষমতার জানান দিলেন এই ব্যাটার।

১৬.৪ ওভারে মেহেদী ফিরলে পরের ওভারের শুরুতেই ফেরেন ইয়াসির। ২ চার ৩ ছক্কায় ৩৮ বলে ৫৪ রানে শেষ হয় তার ইনিংস। তিনি ফেরার পর ৮ রান তুলতেই শেষ হয় ইনিংস।

জিম্বাবুয়ের হয়ে এনগারাবা ২৬ রানে ৪ ও ব্লেসিং মুজারাবানি ১৭ রানে নেন ৪ উইকেট।

এর আগে অবশ্য নাহিদ রানাও বাংলাদেশের হয়ে ২৬ রানে ৪ উইকেট নেন। তবে তার এমন বোলিংয়ের পরও ১৭০ রানে পৌঁছে যায় জিম্বাবুয়ে।

টসে হেরে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা ভালোই পায় জিম্বাবুয়ে। চতুর্থ ওভারে উদ্বোধনী জুটি ভাঙার আগে আসে ৩৭ রান। ৯ বলে ১৪ রান করা মারুভানিকে ফেরান নাহিদ রানা। তবে ততক্ষণে থিতু হয়ে গেছেন ব্রেনেট।

এরপর ডিওন মায়ার্সকে সাথে নিয়ে ৯ ওভারে দলকে ৭৫ রানে পৌঁছে দেন তিনি। মায়ার্স ২০ বলে ২০ করে সাইফুদ্দিনের শিকার হন। তবে ব্রেনেট ছুটছিলেন ফিফটির দিকে। তবে সেই আশা পূরণ হয়নি।

১০.৫ ওভারে নাহিদ রানার দ্বিতীয় শিকার হয়ে ফেরেন ৩০ বলে ৪৪ রান করে। ৩ উইকেটে ৯১ রান নিয়ে ওভার শেষ করে জিম্বাবুয়ে। এরপর দলকে ১৩.৪ ওভারে ১১৬ পর্যন্ত নিয়ে যান সিকান্দার রাজা।

তবে ১৩ বলে ২০ রান করে সাইফুদ্দিনের দ্বিতীয় শিকার হয়ে থামেন জিম্বাবুয়ে অধিনায়ক। এরপর জোড়া আঘাত আনেন রানা। ৩ ওভার শেষে তার স্পেল দাঁড়ায় ৮ রানে ৪ উইকেট।

জিম্বাবুয়ের রান তখন ১৮ ওভারে ৬ ওভারে ১৩৯। পরের ওভারে সাইফুদ্দিনের থেকে ৮ রান নেন ব্রাড ইভান্স ও রায়ান বার্ল মিলে। তবে শেষ ওভারে রানাকে ৪টি চার মারেন ইভান্স। তাতে বেড়ে যায় জিম্বাবুয়ের রান।

ইভান্স ১০ বলে ১৯ ও বার্ল ২৫ বলে ৩০ রানে অপরাজিত থাকেন। ২৬ রানে ৪ উইকেট নেন নাহিদ রানা। ৩৫ রানে ২ উইকেট নেন সাইফুদ্দিন।